জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ‘জিনের নির্দেশে’ দাফনের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর এক বৃদ্ধার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে হাসপাতালে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি শনিবার (১ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে ঘটে।
মৃত হালিমা বেগম (৬৫) নয়াপাড়া গ্রামের মৃত সোহরাব আকন্দের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে স্বাভাবিকভাবে হালিমা বেগমের মৃত্যু হলে পারিবারিক কবরস্থানে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তাকে দাফন করা হয়। কিন্তু দাফনের কয়েক ঘণ্টা পর পরিবারের কয়েকজন সদস্য দাবি করেন, মৃত নারীর ছেলে ও মেয়ের ওপর ‘জিনের আসর’ হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘জিনের নির্দেশ’ এসেছে যে হালিমা বেগম এখনও জীবিত আছেন এবং তাকে দ্রুত কবর থেকে তুলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
পরিবারের এ দাবির পর শনিবার রাতেই কবর খুঁড়ে মরদেহ উত্তোলন করা হয়। প্রথমে তাকে মেলান্দহে নেওয়া হয়। পরে আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য রাত সাড়ে ১১টার দিকে জামালপুর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
তবে ‘জিনের নির্দেশে’ মরদেহ উত্তোলনের দাবির সত্যতা সম্পর্কে কোনো স্বাধীন বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় ‘জিনের নির্দেশে’ দাফনের প্রায় ১২ ঘণ্টা পর এক বৃদ্ধার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে হাসপাতালে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি শনিবার (১ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে ঘটে।
মৃত হালিমা বেগম (৬৫) নয়াপাড়া গ্রামের মৃত সোহরাব আকন্দের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে স্বাভাবিকভাবে হালিমা বেগমের মৃত্যু হলে পারিবারিক কবরস্থানে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তাকে দাফন করা হয়। কিন্তু দাফনের কয়েক ঘণ্টা পর পরিবারের কয়েকজন সদস্য দাবি করেন, মৃত নারীর ছেলে ও মেয়ের ওপর ‘জিনের আসর’ হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘জিনের নির্দেশ’ এসেছে যে হালিমা বেগম এখনও জীবিত আছেন এবং তাকে দ্রুত কবর থেকে তুলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
পরিবারের এ দাবির পর শনিবার রাতেই কবর খুঁড়ে মরদেহ উত্তোলন করা হয়। প্রথমে তাকে মেলান্দহে নেওয়া হয়। পরে আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য রাত সাড়ে ১১টার দিকে জামালপুর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
তবে ‘জিনের নির্দেশে’ মরদেহ উত্তোলনের দাবির সত্যতা সম্পর্কে কোনো স্বাধীন বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন