বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলার শিকার হওয়া সাবেক সেনা সদস্য মোসলেম উদ্দিন প্রামানিক (নাম ও পরিচয় প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মোসলেম উদ্দিন প্রামানিক কাজলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং মৃত আব্দুল মান্নান প্রামানিকের ছেলে। সোমবার রাত প্রায় ৮টার দিকে উপজেলার পাকুরিয়াচর গ্রামে তিনি হামলার শিকার হন। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে মঙ্গলবার ভোরে, ঘটনার প্রায় ৯ ঘণ্টা পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আসাদুজ্জামান জানান, চরাঞ্চলের জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, নিহতের শরীরে দৃশ্যমান বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন না থাকায় শুরুতে বিষয়টি ভিন্নভাবে বিবেচনা করা হয়েছিল। পরে মৃত্যুর ঘটনা এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মো. হায়দার আলী খান (৭০), গিয়াস আলী খান (৭৫), মো. মিন্টু সরকার (৫৬), মো. সুজন মণ্ডল (৩২), মো. মোখলেছুর রহমান (৫৫) ও মো. সোহেল সরকার (৩৫)।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। নিহতের মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলার শিকার হওয়া সাবেক সেনা সদস্য মোসলেম উদ্দিন প্রামানিক (নাম ও পরিচয় প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মোসলেম উদ্দিন প্রামানিক কাজলা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং মৃত আব্দুল মান্নান প্রামানিকের ছেলে। সোমবার রাত প্রায় ৮টার দিকে উপজেলার পাকুরিয়াচর গ্রামে তিনি হামলার শিকার হন। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে মঙ্গলবার ভোরে, ঘটনার প্রায় ৯ ঘণ্টা পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আসাদুজ্জামান জানান, চরাঞ্চলের জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, নিহতের শরীরে দৃশ্যমান বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন না থাকায় শুরুতে বিষয়টি ভিন্নভাবে বিবেচনা করা হয়েছিল। পরে মৃত্যুর ঘটনা এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মো. হায়দার আলী খান (৭০), গিয়াস আলী খান (৭৫), মো. মিন্টু সরকার (৫৬), মো. সুজন মণ্ডল (৩২), মো. মোখলেছুর রহমান (৫৫) ও মো. সোহেল সরকার (৩৫)।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। নিহতের মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন