বগুড়ার সারিয়াকান্দি থানার নিয়মিত অভিযানে মাদক ব্যবসায়ীসহ মোট ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় ২০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল (Tapentadol) ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে হাটফুলবাড়ী এলাকা থেকে ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী শয়ন মণ্ডল (২৩) ও রনি মণ্ডল (২৬)-কে আটক করা হয়।
এছাড়া গ্রেপ্তার করা হয় জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি হাফিজার রহমান ওরফে টিউপ (৪৫), মাদক ব্যবসায়ী শাহিন রহমান (৩২), সাহেব আলী ওরফে ঝন্টু (৩৫), সবুজ, সৈকত মণ্ডল (৩৫), চন্দনবাইশা তদন্তকেন্দ্রের অভিযানে পেশাদার চোর শাহ আলম (৩২) এবং নিয়মিত মামলার আসামি আমিনুর রহমান (৬৫)-কে।
পুলিশ জানায়, মাদকসহ আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। আটক সকলকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বগুড়ার বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সারিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, থানা পুলিশ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তবে বিশাল এলাকাজুড়ে জনসংখ্যার তুলনায় থানার জনবল অপ্রতুল হওয়ায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও মামলা তদন্তের পাশাপাশি সব ধরনের সেবা শতভাগ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণে জনগণের সহযোগিতার বিকল্প নেই। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, মাদক, জুয়া ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য পুলিশকে জানাতে তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন।

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ আগস্ট ২০২৬
বগুড়ার সারিয়াকান্দি থানার নিয়মিত অভিযানে মাদক ব্যবসায়ীসহ মোট ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় ২০ পিস নেশাজাতীয় ট্যাপেন্টাডল (Tapentadol) ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে হাটফুলবাড়ী এলাকা থেকে ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী শয়ন মণ্ডল (২৩) ও রনি মণ্ডল (২৬)-কে আটক করা হয়।
এছাড়া গ্রেপ্তার করা হয় জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি হাফিজার রহমান ওরফে টিউপ (৪৫), মাদক ব্যবসায়ী শাহিন রহমান (৩২), সাহেব আলী ওরফে ঝন্টু (৩৫), সবুজ, সৈকত মণ্ডল (৩৫), চন্দনবাইশা তদন্তকেন্দ্রের অভিযানে পেশাদার চোর শাহ আলম (৩২) এবং নিয়মিত মামলার আসামি আমিনুর রহমান (৬৫)-কে।
পুলিশ জানায়, মাদকসহ আটক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। আটক সকলকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বগুড়ার বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সারিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, থানা পুলিশ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তবে বিশাল এলাকাজুড়ে জনসংখ্যার তুলনায় থানার জনবল অপ্রতুল হওয়ায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও মামলা তদন্তের পাশাপাশি সব ধরনের সেবা শতভাগ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণে জনগণের সহযোগিতার বিকল্প নেই। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, মাদক, জুয়া ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য পুলিশকে জানাতে তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন