এরপর চট্টগ্রাম নগরীতে বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।
বাঁশখালী ও হাটহাজারী উপজেলায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে নতুন ঘর ও পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন তিনি।
এ ছাড়া ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।
পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাটহাজারীর আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় যাবেন।
রোববার রাতে নগরীর পাঁচ তারকা রেডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলের অডিটোরিয়ামে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে শতাধিক তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। তাকে বরণ করে নিতে প্রতিটি ইউনিয়নে দলের পক্ষ থেকে পৃথক প্রস্তুতিসভা করা হয়েছে এবং ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
অস্থায়ী হেলিপ্যাড এলাকা থেকে ফটিকছড়ি উপজেলার দক্ষিণ সীমান্তের নাজিরহাট নতুন ব্রিজ পর্যন্ত চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে মানবপ্রাচীর তৈরির রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির আজম চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ফটিকছড়িতে আসছেন—এ খবরে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সব প্রস্তুতি শেষ করেছে। পুরো ফটিকছড়ি এখন উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে।
চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি আসনের সাংসদ সরোয়ার আলমগীর বলেন, সরকার ও বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য বিরাজ করছে। ফটিকছড়ি সেজেছে উৎসবের রঙে।
সূত্র: কালবেলা

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
এরপর চট্টগ্রাম নগরীতে বিএনপির চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী।
বাঁশখালী ও হাটহাজারী উপজেলায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে নতুন ঘর ও পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন তিনি।
এ ছাড়া ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।
পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাটহাজারীর আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় যাবেন।
রোববার রাতে নগরীর পাঁচ তারকা রেডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলের অডিটোরিয়ামে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে শতাধিক তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। তাকে বরণ করে নিতে প্রতিটি ইউনিয়নে দলের পক্ষ থেকে পৃথক প্রস্তুতিসভা করা হয়েছে এবং ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
অস্থায়ী হেলিপ্যাড এলাকা থেকে ফটিকছড়ি উপজেলার দক্ষিণ সীমান্তের নাজিরহাট নতুন ব্রিজ পর্যন্ত চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে মানবপ্রাচীর তৈরির রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির আজম চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ফটিকছড়িতে আসছেন—এ খবরে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সব প্রস্তুতি শেষ করেছে। পুরো ফটিকছড়ি এখন উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে।
চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি আসনের সাংসদ সরোয়ার আলমগীর বলেন, সরকার ও বিএনপির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য বিরাজ করছে। ফটিকছড়ি সেজেছে উৎসবের রঙে।
সূত্র: কালবেলা

আপনার মতামত লিখুন