শনিবার বেলা ১১টার দিকে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, কুড়িগ্রামের চিলমারী ও রাজিবপুরের পাশাপাশি পুরো জেলার ভাঙন পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করতে হবে। মানুষের বাড়িঘরের পাশাপাশি মসজিদ-মাদরাসা, মন্দির-শ্মশানঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাটবাজারসহ কোনো স্থাপনা যেন নদীগর্ভে হারিয়ে না যায়, সেজন্য সরকার যে প্রকল্পগুলো নিয়েছে, সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।
ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন প্রসঙ্গে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, তিনি দিনব্যাপী কুড়িগ্রামের বিভিন্ন ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করবেন। জেলার প্রায় একশটি ভাঙনকবলিত এলাকায় ইতোমধ্যে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়েছে এবং সেসব কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পরিদর্শনের সময় নতুন কোনো এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে কাজের প্রয়োজন দেখা দিলে সেখানেও কাজের নির্দেশনা দেওয়া হবে।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তারা কাজ করতে চান। নদীতে বাঁধ নির্মাণের ক্ষেত্রে কে বিএনপি, জামায়াত কিংবা এনসিপি করে—তা বিবেচনা করা হবে না। নদীভাঙন রোধ করা গেলে সবাই এর সুফল পাবেন।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে টেকনিক্যাল কমিটি কাজ করেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। এটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
পরে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নৌপথে চিলমারীর কাঁচকোল বাঁধ, উলিপুর উপজেলার নামাজের চর, রৌমারী উপজেলার সুখেরববাঁতি এবং রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি এলাকার নদীভাঙন পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি গাইবান্ধার উদ্দেশে রওনা হন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের এমপি মাহবুবুল আলম সালেহী, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের এমপি মোস্তাফিজুর রহমান, সংরক্ষিত আসনের এমপি সুরাইয়া জেরিন রনি, কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমানসহ স্থানীয় নেতারা।
সূত্র: আমার দেশ

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
শনিবার বেলা ১১টার দিকে কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, কুড়িগ্রামের চিলমারী ও রাজিবপুরের পাশাপাশি পুরো জেলার ভাঙন পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করতে হবে। মানুষের বাড়িঘরের পাশাপাশি মসজিদ-মাদরাসা, মন্দির-শ্মশানঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাটবাজারসহ কোনো স্থাপনা যেন নদীগর্ভে হারিয়ে না যায়, সেজন্য সরকার যে প্রকল্পগুলো নিয়েছে, সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।
ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন প্রসঙ্গে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, তিনি দিনব্যাপী কুড়িগ্রামের বিভিন্ন ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করবেন। জেলার প্রায় একশটি ভাঙনকবলিত এলাকায় ইতোমধ্যে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়েছে এবং সেসব কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পরিদর্শনের সময় নতুন কোনো এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে কাজের প্রয়োজন দেখা দিলে সেখানেও কাজের নির্দেশনা দেওয়া হবে।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তারা কাজ করতে চান। নদীতে বাঁধ নির্মাণের ক্ষেত্রে কে বিএনপি, জামায়াত কিংবা এনসিপি করে—তা বিবেচনা করা হবে না। নদীভাঙন রোধ করা গেলে সবাই এর সুফল পাবেন।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে টেকনিক্যাল কমিটি কাজ করেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। এটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
পরে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নৌপথে চিলমারীর কাঁচকোল বাঁধ, উলিপুর উপজেলার নামাজের চর, রৌমারী উপজেলার সুখেরববাঁতি এবং রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি এলাকার নদীভাঙন পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি গাইবান্ধার উদ্দেশে রওনা হন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের এমপি মাহবুবুল আলম সালেহী, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের এমপি মোস্তাফিজুর রহমান, সংরক্ষিত আসনের এমপি সুরাইয়া জেরিন রনি, কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমানসহ স্থানীয় নেতারা।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন