গত ২২ জুলাই ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে বিষয়টি স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকে জানায় দলটি। তবে সংবিধান অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল কাউকে বহিষ্কার করলেই তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়ে যায় না।
ঘটনার পর নতুন করে আলোচনা তৈরি হয় গত রোববার। ওইদিন ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মরিয়মের বাবা যে মামলা করেছেন, তাতে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামাকে আসামি করা হয়েছে। মামলার পর গ্রেপ্তার হওয়া গাজী নজরুল বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন। অন্যদিকে এক দিনের রিমান্ড শেষে তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আইনি জটিলতা এবং দলীয় সিদ্ধান্তের কারণে এরই মধ্যে গাজী নজরুল ইসলামকে বিভিন্ন সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছে।
সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে কমপক্ষে দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে একজন ব্যক্তি সংসদ সদস্য থাকার অযোগ্য হন। আর ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সদস্য নিজে পদত্যাগ করলে অথবা দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে তার আসন শূন্য হয়। তবে শুধু দল থেকে বহিষ্কার করা হলে সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয় না।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, পুলিশ কী পদক্ষেপ নেয় এবং এ বিষয়ে আদালত বা নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত দেয়, সেদিকে তারা নজর রাখছেন। সবকিছু পর্যালোচনা করে নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গত ২২ জুলাই ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে বিষয়টি স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনকে জানায় দলটি। তবে সংবিধান অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল কাউকে বহিষ্কার করলেই তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়ে যায় না।
ঘটনার পর নতুন করে আলোচনা তৈরি হয় গত রোববার। ওইদিন ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মরিয়মের বাবা যে মামলা করেছেন, তাতে গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামাকে আসামি করা হয়েছে। মামলার পর গ্রেপ্তার হওয়া গাজী নজরুল বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন। অন্যদিকে এক দিনের রিমান্ড শেষে তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আইনি জটিলতা এবং দলীয় সিদ্ধান্তের কারণে এরই মধ্যে গাজী নজরুল ইসলামকে বিভিন্ন সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছে।
সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে কমপক্ষে দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে একজন ব্যক্তি সংসদ সদস্য থাকার অযোগ্য হন। আর ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সদস্য নিজে পদত্যাগ করলে অথবা দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলে তার আসন শূন্য হয়। তবে শুধু দল থেকে বহিষ্কার করা হলে সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয় না।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, পুলিশ কী পদক্ষেপ নেয় এবং এ বিষয়ে আদালত বা নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত দেয়, সেদিকে তারা নজর রাখছেন। সবকিছু পর্যালোচনা করে নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন