ষাটের দশকে বারোবাজার-হাকিমপুর সড়কের পাশে বাজারের মধ্যে ওই ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ করা হয়। ভবনের নিচতলায় ইউনিয়ন পরিষদের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো। আর দ্বিতীয় তলা ব্যবহার করা হতো পুলিশ ফাঁড়ি হিসেবে।
পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রঞ্জুর কাছ থেকে ২০০৪ সালে আবুল কালাম আজাদ পুরোনো ভবনটি বুঝে নেন। এরপর ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়লে ২০০৪ সালে তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদের সময়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভবনটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
বারোবাজার ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান প্রশাসক ও কালীগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হাসান সাজ্জাদ বলেন, পুরোনো ভবনটি বর্তমানে অত্যন্ত জরাজীর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
তিনি জানান, ভবিষ্যতে সেখানে একটি আধুনিক মার্কেট নির্মাণ করে দোকান ভাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব আয় হবে। তবে বর্তমানে ওই ভবনে গ্রাম পুলিশ জামিরুল ইসলাম প্রায় ১৭ বছর ধরে পোলট্রি মুরগির ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, ভবনটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ করা হয়েছে। ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কাছে অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হবে। অনুমতি পাওয়ার পর ভবনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণ এবং সেখানে প্রবেশ নিষেধসংক্রান্ত সাইনবোর্ড লাগানো হবে।
পাশাপাশি ওই স্থানে একটি আধুনিক ভবন নির্মাণের বিষয়েও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
সূত্র: আমার দেশ

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
ষাটের দশকে বারোবাজার-হাকিমপুর সড়কের পাশে বাজারের মধ্যে ওই ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ করা হয়। ভবনের নিচতলায় ইউনিয়ন পরিষদের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো। আর দ্বিতীয় তলা ব্যবহার করা হতো পুলিশ ফাঁড়ি হিসেবে।
পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালে তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রঞ্জুর কাছ থেকে ২০০৪ সালে আবুল কালাম আজাদ পুরোনো ভবনটি বুঝে নেন। এরপর ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়লে ২০০৪ সালে তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদের সময়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভবনটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
বারোবাজার ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান প্রশাসক ও কালীগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হাসান সাজ্জাদ বলেন, পুরোনো ভবনটি বর্তমানে অত্যন্ত জরাজীর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
তিনি জানান, ভবিষ্যতে সেখানে একটি আধুনিক মার্কেট নির্মাণ করে দোকান ভাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব আয় হবে। তবে বর্তমানে ওই ভবনে গ্রাম পুলিশ জামিরুল ইসলাম প্রায় ১৭ বছর ধরে পোলট্রি মুরগির ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, ভবনটির বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ করা হয়েছে। ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কাছে অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হবে। অনুমতি পাওয়ার পর ভবনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী নির্মাণ এবং সেখানে প্রবেশ নিষেধসংক্রান্ত সাইনবোর্ড লাগানো হবে।
পাশাপাশি ওই স্থানে একটি আধুনিক ভবন নির্মাণের বিষয়েও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন