ভোলার মনপুরায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন আহমেদের দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মনপুরা উপজেলা যুবদল। একই সঙ্গে মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) মনপুরা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. শামসুদ্দিন আহমেদ মোল্লা স্বাক্ষরিত এক প্রেস রিলিজে এ দাবি জানানো হয়।
প্রেস রিলিজে বলা হয়, গত ২০ সেপ্টেম্বর মনপুরা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে উপজেলা মডেল মসজিদে কলেজের এক কর্মচারীকে কেন্দ্র করে একটি অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হয়। প্রেস রিলিজে ওই ঘটনার পর থানায় দায়ের করা মামলায় ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নন—এমন ব্যক্তিদেরও জড়ানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
যুবদলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, মামলায় ঘটনার বিষয়ে সম্পূর্ণ অবগত না থাকা ব্যক্তিদের অন্যায়ভাবে জড়ানো হয়েছে। তারা মামলাটিকে ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
প্রেস রিলিজে বিশেষভাবে মনপুরা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হাফেজ আব্দুর রহিম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কামাল উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান এবং ওলামা দলের সাবেক সভাপতি মাওলানা মো. শিহাব উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানিয়েছে যুবদল। পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানানো হয়।
তবে মামলার বাদী মো. মহিউদ্দিন আহমেদের বক্তব্য এবং মামলায় উত্থাপিত অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য এই প্রেস রিলিজে তুলে ধরা হয়নি। ফলে মামলার অভিযোগ ও যুবদলের বক্তব্য—দুই পক্ষের বক্তব্য যাচাই করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া সম্ভব হয়নি।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভোলার মনপুরায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন আহমেদের দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে মনপুরা উপজেলা যুবদল। একই সঙ্গে মামলাটি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) মনপুরা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. শামসুদ্দিন আহমেদ মোল্লা স্বাক্ষরিত এক প্রেস রিলিজে এ দাবি জানানো হয়।
প্রেস রিলিজে বলা হয়, গত ২০ সেপ্টেম্বর মনপুরা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে উপজেলা মডেল মসজিদে কলেজের এক কর্মচারীকে কেন্দ্র করে একটি অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হয়। প্রেস রিলিজে ওই ঘটনার পর থানায় দায়ের করা মামলায় ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নন—এমন ব্যক্তিদেরও জড়ানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
যুবদলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, মামলায় ঘটনার বিষয়ে সম্পূর্ণ অবগত না থাকা ব্যক্তিদের অন্যায়ভাবে জড়ানো হয়েছে। তারা মামলাটিকে ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
প্রেস রিলিজে বিশেষভাবে মনপুরা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব হাফেজ আব্দুর রহিম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কামাল উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান এবং ওলামা দলের সাবেক সভাপতি মাওলানা মো. শিহাব উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানিয়েছে যুবদল। পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানানো হয়।
তবে মামলার বাদী মো. মহিউদ্দিন আহমেদের বক্তব্য এবং মামলায় উত্থাপিত অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য এই প্রেস রিলিজে তুলে ধরা হয়নি। ফলে মামলার অভিযোগ ও যুবদলের বক্তব্য—দুই পক্ষের বক্তব্য যাচাই করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন