রোববার (৯ আগস্ট) মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তৃতীয় দিনে ফোনালাপটিকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও অন্যতম প্রধান প্রমাণ হিসেবে আদালতে দাখিল করা হয়।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। শুনানিতে তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, সুলতান মাহমুদ ও প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম সরদার। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।
প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত ফোনালাপ থেকে জানা যায়, আন্দোলন দমনের সময় চট্টগ্রামের পরিস্থিতি সম্পর্কে তৎকালীন সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সরাসরি খোঁজ নেওয়া হচ্ছিল। ফোনালাপে তৎকালীন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে আ জ ম নাছিরের কাছে জানতে চান।
জবাবে নাছির জানান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও পুরো চট্টগ্রাম শহর তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে মুরাদপুরের একটি এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি চলছিল। ওই সংঘর্ষে তিনজন নিহত হওয়ার বিষয়টিও তিনি ওবায়দুল কাদেরকে জানান।
ফোনালাপে নাছির আরও জানান, আগের দিন থেকে সংঘর্ষ চলছিল এবং ঘটনার দিনও তা অব্যাহত ছিল। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম কলেজসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা জানিয়ে তিনি ওবায়দুল কাদেরকে পরিস্থিতি নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকার আশ্বাস দেন।
ফোনালাপে ওবায়দুল কাদের মূলত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপদ আছে কি না এবং মুরাদপুরে কী ঘটেছে, সে বিষয়ে জানতে চান। নাছির জানান, মুরাদপুরের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। পাশাপাশি তিনি পুরো চট্টগ্রাম ও বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ন্ত্রণে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
প্রসিকিউশনের বক্তব্য অনুযায়ী, জুলাই গণহত্যার মামলায় পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত ধারাবাহিক কল রেকর্ড ও ডিজিটাল আলামতের মধ্যে এই ফোনালাপটিকেও গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব।

রোববার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
রোববার (৯ আগস্ট) মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তৃতীয় দিনে ফোনালাপটিকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও অন্যতম প্রধান প্রমাণ হিসেবে আদালতে দাখিল করা হয়।
বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। শুনানিতে তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, সুলতান মাহমুদ ও প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম সরদার। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন।
প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত ফোনালাপ থেকে জানা যায়, আন্দোলন দমনের সময় চট্টগ্রামের পরিস্থিতি সম্পর্কে তৎকালীন সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সরাসরি খোঁজ নেওয়া হচ্ছিল। ফোনালাপে তৎকালীন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে আ জ ম নাছিরের কাছে জানতে চান।
জবাবে নাছির জানান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও পুরো চট্টগ্রাম শহর তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে মুরাদপুরের একটি এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি চলছিল। ওই সংঘর্ষে তিনজন নিহত হওয়ার বিষয়টিও তিনি ওবায়দুল কাদেরকে জানান।
ফোনালাপে নাছির আরও জানান, আগের দিন থেকে সংঘর্ষ চলছিল এবং ঘটনার দিনও তা অব্যাহত ছিল। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম কলেজসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা জানিয়ে তিনি ওবায়দুল কাদেরকে পরিস্থিতি নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকার আশ্বাস দেন।
ফোনালাপে ওবায়দুল কাদের মূলত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপদ আছে কি না এবং মুরাদপুরে কী ঘটেছে, সে বিষয়ে জানতে চান। নাছির জানান, মুরাদপুরের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। পাশাপাশি তিনি পুরো চট্টগ্রাম ও বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ন্ত্রণে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
প্রসিকিউশনের বক্তব্য অনুযায়ী, জুলাই গণহত্যার মামলায় পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত ধারাবাহিক কল রেকর্ড ও ডিজিটাল আলামতের মধ্যে এই ফোনালাপটিকেও গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব।

আপনার মতামত লিখুন