ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে কোন ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসে অবস্থান করছেন, তা বাংলাদেশ সরকার স্পষ্টভাবে জানে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। একই সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর এসব কথা বলেন। তিনি জানান, শেখ হাসিনার বর্তমান অবস্থান ও স্ট্যাটাস সম্পর্কে ভারত সরকারের কাছ থেকে বাংলাদেশ এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পায়নি।
এর আগে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর ভারতের গাজিয়াবাদের হিন্ডন বিমানঘাঁটিতে পৌঁছান। এরপর থেকে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশ তাঁর প্রত্যর্পণের জন্য ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টি দেশটির প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের বক্তব্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর বিষয়টি কূটনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। তবে বাস্তবে প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ বিভিন্ন আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনাসংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাতেও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
এদিকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যু বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ বিষয়টি নিয়ে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে, আর ভারত জানিয়েছে, অনুরোধটি তাদের আইনি কাঠামোর আওতায় পরীক্ষা করা হচ্ছে।
সূত্র: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য; দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড; আমার দেশ; রয়টার্স।

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে কোন ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাসে অবস্থান করছেন, তা বাংলাদেশ সরকার স্পষ্টভাবে জানে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। একই সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর এসব কথা বলেন। তিনি জানান, শেখ হাসিনার বর্তমান অবস্থান ও স্ট্যাটাস সম্পর্কে ভারত সরকারের কাছ থেকে বাংলাদেশ এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পায়নি।
এর আগে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পর ভারতের গাজিয়াবাদের হিন্ডন বিমানঘাঁটিতে পৌঁছান। এরপর থেকে তিনি ভারতে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশ তাঁর প্রত্যর্পণের জন্য ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টি দেশটির প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামের বক্তব্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর বিষয়টি কূটনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। তবে বাস্তবে প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ বিভিন্ন আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনাসংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাতেও আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
এদিকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যু বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ বিষয়টি নিয়ে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে, আর ভারত জানিয়েছে, অনুরোধটি তাদের আইনি কাঠামোর আওতায় পরীক্ষা করা হচ্ছে।
সূত্র: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য; দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড; আমার দেশ; রয়টার্স।

আপনার মতামত লিখুন