বগুড়ার মহাস্থানে আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ, নজরদারি বাড়ানোর দাবি স্থানীয়দের
বগুড়া সদর উপজেলার গোকুল ইউনিয়নের শেষপ্রান্তে মহাস্থান ওভারব্রিজের পূর্ব পাশে অবস্থিত মৌবন আবাসিক হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ ও দেহব্যবসা চলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারির আড়ালে আবাসিক হোটেলটির বিভিন্ন কক্ষে নিয়মিতভাবে নারী-পুরুষের যাতায়াত রয়েছে। বিশেষ করে দিনের বিভিন্ন সময় ও রাতের বেলায় অপরিচিত নারী-পুরুষের আনাগোনা স্থানীয়দের দৃষ্টিতে পড়ছে। এতে এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে দাবি তাদের।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আবাসিক হোটেলটি দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হলেও সেখানে কী ধরনের কার্যক্রম চলছে, তা নিয়ে নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন। তাদের অভিযোগ, হোটেলের কক্ষগুলোতে অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে থাকলে তা বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি।
এলাকাবাসী আরও জানান, এর আগে মহাস্থান এলাকার একই আবাসিক হোটেলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নারী-পুরুষসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছিল—এমন খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। সেই ঘটনার পরও যদি একই ধরনের কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে, তাহলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করে দেখুক। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে হোটেল কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পাশাপাশি আবাসিক হোটেলটিতে নিয়মিত নজরদারি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযান পরিচালনারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে মৌবন আবাসিক হোটেলের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা সংযুক্ত করা হবে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে এবং কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
বগুড়ার মহাস্থানে আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ, নজরদারি বাড়ানোর দাবি স্থানীয়দের
বগুড়া সদর উপজেলার গোকুল ইউনিয়নের শেষপ্রান্তে মহাস্থান ওভারব্রিজের পূর্ব পাশে অবস্থিত মৌবন আবাসিক হোটেলে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ ও দেহব্যবসা চলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারির আড়ালে আবাসিক হোটেলটির বিভিন্ন কক্ষে নিয়মিতভাবে নারী-পুরুষের যাতায়াত রয়েছে। বিশেষ করে দিনের বিভিন্ন সময় ও রাতের বেলায় অপরিচিত নারী-পুরুষের আনাগোনা স্থানীয়দের দৃষ্টিতে পড়ছে। এতে এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে দাবি তাদের।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আবাসিক হোটেলটি দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হলেও সেখানে কী ধরনের কার্যক্রম চলছে, তা নিয়ে নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন। তাদের অভিযোগ, হোটেলের কক্ষগুলোতে অনৈতিক ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে থাকলে তা বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ জরুরি।
এলাকাবাসী আরও জানান, এর আগে মহাস্থান এলাকার একই আবাসিক হোটেলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নারী-পুরুষসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছিল—এমন খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। সেই ঘটনার পরও যদি একই ধরনের কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে, তাহলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
স্থানীয়দের দাবি, অভিযোগের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করে দেখুক। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে হোটেল কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পাশাপাশি আবাসিক হোটেলটিতে নিয়মিত নজরদারি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযান পরিচালনারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে মৌবন আবাসিক হোটেলের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে তা সংযুক্ত করা হবে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে এবং কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন