স্থানীয়রা জানান, রাতে বাড়ির আঙিনার একটি আমগাছের উঁচু ডালে বৃষ্টি আক্তারকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান তারা। স্থানীয়ভাবে তাকে নামিয়ে আনার চেষ্টা ব্যর্থ হলে ফুলবাড়ী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং ঘটনাস্থলে শত শত মানুষ জড়ো হন।
খবর পেয়ে রাত আটটার দিকে ফুলবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল স্টেশনের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিটের চেষ্টায় গাছের মগডাল থেকে অচেতন গৃহবধূকে নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনা হয়। পরে তাকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিছুক্ষণ পর বৃষ্টি আক্তারের জ্ঞান ফিরে আসে।
উদ্ধার হওয়া বৃষ্টি আক্তার ওই এলাকার মো. জিলহানির স্ত্রী। তবে কী কারণে বা কীভাবে তিনি আমগাছের মগডালে উঠেছিলেন এবং সেখানে গিয়ে কীভাবে অচেতন হয়ে পড়েন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। জ্ঞান ফেরার পরও তিনি এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
স্থানীয় বাসিন্দা মিলন চন্দ্র রায় ও লোকমান হোসেন জানান, ঘটনাটি জানার পর তারা দ্রুত সেখানে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গৃহবধূকে নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনেন।
এদিকে স্থানীয়দের কেউ কেউ ঘটনাটিকে অলৌকিক বা ‘জিন-পরীর’ প্রভাব বলে ধারণা করলেও এর পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ফুলবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল স্টেশনের ফায়ার লিডার আবুল হাসান জানান, খবর পেয়ে রাত আটটার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
স্থানীয়রা জানান, রাতে বাড়ির আঙিনার একটি আমগাছের উঁচু ডালে বৃষ্টি আক্তারকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান তারা। স্থানীয়ভাবে তাকে নামিয়ে আনার চেষ্টা ব্যর্থ হলে ফুলবাড়ী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং ঘটনাস্থলে শত শত মানুষ জড়ো হন।
খবর পেয়ে রাত আটটার দিকে ফুলবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল স্টেশনের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিটের চেষ্টায় গাছের মগডাল থেকে অচেতন গৃহবধূকে নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনা হয়। পরে তাকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিছুক্ষণ পর বৃষ্টি আক্তারের জ্ঞান ফিরে আসে।
উদ্ধার হওয়া বৃষ্টি আক্তার ওই এলাকার মো. জিলহানির স্ত্রী। তবে কী কারণে বা কীভাবে তিনি আমগাছের মগডালে উঠেছিলেন এবং সেখানে গিয়ে কীভাবে অচেতন হয়ে পড়েন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। জ্ঞান ফেরার পরও তিনি এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
স্থানীয় বাসিন্দা মিলন চন্দ্র রায় ও লোকমান হোসেন জানান, ঘটনাটি জানার পর তারা দ্রুত সেখানে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গৃহবধূকে নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনেন।
এদিকে স্থানীয়দের কেউ কেউ ঘটনাটিকে অলৌকিক বা ‘জিন-পরীর’ প্রভাব বলে ধারণা করলেও এর পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ফুলবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল স্টেশনের ফায়ার লিডার আবুল হাসান জানান, খবর পেয়ে রাত আটটার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন