এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা-২০২৬-এর ফলাফলে ভোলা জেলায় শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে মাত্র দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো—লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ভোলা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ৯৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ২৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
অন্যদিকে, ভোলা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৩৬ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের সবাই পাস করায় প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ১০০ শতাংশে। এর মধ্যে ৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
ভোলা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলো—সৈয়দা তাহিফা নূর, নুসকাত আরা নাফিজা, জান্নাতুল মাওয়া তাহিয়া, আনন্যা আফনিন জেনিট, তামিম ইসলাম ও মো. আরাফাতুল্লাহ মাফি।
এবারের এসএসসি ফলাফলে ভোলা জেলার অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে পাসের হার আশানুরূপ না হলেও এই দুই প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পাসের ফলাফল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিশেষ আনন্দের সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে দুটি প্রতিষ্ঠানের মোট ১৩০ জন পরীক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হওয়ায় জেলার শিক্ষা অঙ্গনে এটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা-২০২৬-এর ফলাফলে ভোলা জেলায় শতভাগ পাসের সাফল্য অর্জন করেছে মাত্র দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো—লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ভোলা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ৯৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ২৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।
অন্যদিকে, ভোলা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৩৬ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের সবাই পাস করায় প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ১০০ শতাংশে। এর মধ্যে ৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
ভোলা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলো—সৈয়দা তাহিফা নূর, নুসকাত আরা নাফিজা, জান্নাতুল মাওয়া তাহিয়া, আনন্যা আফনিন জেনিট, তামিম ইসলাম ও মো. আরাফাতুল্লাহ মাফি।
এবারের এসএসসি ফলাফলে ভোলা জেলার অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে পাসের হার আশানুরূপ না হলেও এই দুই প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পাসের ফলাফল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিশেষ আনন্দের সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে দুটি প্রতিষ্ঠানের মোট ১৩০ জন পরীক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হওয়ায় জেলার শিক্ষা অঙ্গনে এটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন