ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে এডিপির বিশেষ বরাদ্দ থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ১০ লাখ ৫৮ হাজার টাকার শিক্ষা ও সহায়ক সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।
মাননীয় সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ ইলিয়াস মোল্লার অনুকূলে এডিপির বিশেষ বরাদ্দের আওতায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ, পোশাক ও সহায়ক সামগ্রী হিসেবে জুতা, ব্যাগ, ছাতা, ফুটবল, স্কুলড্রেস এবং প্রিন্টার প্রদান করা হয়।
বরাদ্দের মধ্যে জুতা, ব্যাগ, ছাতা ও ফুটবলের জন্য ৫ লাখ টাকা, স্কুলড্রেসের জন্য ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা এবং প্রিন্টারের জন্য ৩ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এসব শিক্ষা ও সহায়ক সামগ্রীর মূল্য ১০ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।
সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ ইলিয়াস মোল্লা মনে করেন, শিক্ষা শুধু শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি, পড়াশোনায় আগ্রহ, খেলাধুলায় অংশগ্রহণ এবং একটি সুন্দর ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করাও শিক্ষার মানোন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, একটি এলাকার টেকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা। তাই শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা উপকরণ, খেলাধুলার সামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রদানের এই উদ্যোগকে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এ ধরনের সহায়তা শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি, পড়াশোনায় আগ্রহ এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে এডিপির বিশেষ বরাদ্দ থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ১০ লাখ ৫৮ হাজার টাকার শিক্ষা ও সহায়ক সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।
মাননীয় সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ ইলিয়াস মোল্লার অনুকূলে এডিপির বিশেষ বরাদ্দের আওতায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ, পোশাক ও সহায়ক সামগ্রী হিসেবে জুতা, ব্যাগ, ছাতা, ফুটবল, স্কুলড্রেস এবং প্রিন্টার প্রদান করা হয়।
বরাদ্দের মধ্যে জুতা, ব্যাগ, ছাতা ও ফুটবলের জন্য ৫ লাখ টাকা, স্কুলড্রেসের জন্য ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা এবং প্রিন্টারের জন্য ৩ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এসব শিক্ষা ও সহায়ক সামগ্রীর মূল্য ১০ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।
সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ ইলিয়াস মোল্লা মনে করেন, শিক্ষা শুধু শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি, পড়াশোনায় আগ্রহ, খেলাধুলায় অংশগ্রহণ এবং একটি সুন্দর ও স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করাও শিক্ষার মানোন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, একটি এলাকার টেকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা। তাই শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা উপকরণ, খেলাধুলার সামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রদানের এই উদ্যোগকে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এ ধরনের সহায়তা শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিতি, পড়াশোনায় আগ্রহ এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন