বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন তারা। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘সিন্ডিকেটের দালালেরা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘সেন্ট্রাল আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’, ‘সেন্ট্রাল নিয়ে তালবাহানা, চলবে না চলবে না’ এবং ‘অ্যাফিলিয়েশন মুক্ত করো, রানিং সেশন যুক্ত করো’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে ঢাকা কলেজের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আলা ফাহাদ বলেন, তারা যতবার আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন, প্রতিবারই ঢাকা কলেজের এই মুক্ত ময়দান থেকে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির স্লোগান উঠেছে। এবারও সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে রানিং সেশন অন্তর্ভুক্তি ও একাডেমিক মাইগ্রেশনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, বিভিন্ন ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা সেখানে একসঙ্গে অবস্থান করছিলেন। এর কিছুক্ষণ পর শিক্ষা সিন্ডিকেটের একটি দল ঢাকা কলেজের প্রশাসনিক ভবন থেকে বের হয়ে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়। পরে ঢাকা কলেজের গেটে তালা দেওয়া হয় এবং সেখান থেকে কোনো বিক্ষোভ মিছিল বের হতে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়।
আব্দুল্লাহ আলা ফাহাদের ভাষ্য, সরকার শিক্ষার্থীদের দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করেছে। রানিং সেশনগুলোর একাডেমিক জটিলতা দূর করা এবং শিক্ষার্থীদের পরিচয়হীনতার অবসান ঘটানোই ছিল এর মূল প্রেক্ষাপট। প্রথমে সংশ্লিষ্টরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেও টেবিল টকে শিক্ষার্থীরা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার পর সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করে। এখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে যাদের সমস্যা সমাধানের কথা ছিল, সেই শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানই সবচেয়ে জরুরি ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। তার দাবি, রানিং সেশন যুক্ত করার বিষয়ে জানতে চাইলে তাদের বলা হয়েছিল, মতবিনিময় সভা শেষ করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। মতবিনিময় সভা শেষ হওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গণস্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়ে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, গণস্বাক্ষরের ভিত্তিতে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি। জনমত, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি ও আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অধ্যাদেশ ঘোষণার সময়ই বিষয়টির সমাধান হয়ে গিয়েছিল বলে দাবি করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এরপরও কেন বিষয়টি নিয়ে তালবাহানা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগে তারা ঢাকা কলেজের মূল ফটকে অবস্থান করছেন।
তিতুমীর কলেজের সংঘর্ষ প্রসঙ্গে আব্দুল্লাহ আলা ফাহাদ বলেন, তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে রেলে হামলা ও যাত্রীদের রক্তাক্ত করার ঘটনায় জড়িতদেরই তিনি দুর্বৃত্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তার দাবি, ওই ব্যক্তিরাই সংবাদ সম্মেলন করে সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকতে চাইছেন। তাদের কারণেই ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা নিজেদের পরিচয় পাচ্ছেন না বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সূত্র: আমার দেশ।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন তারা। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘সিন্ডিকেটের দালালেরা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘সেন্ট্রাল আমার অধিকার, রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’, ‘সেন্ট্রাল নিয়ে তালবাহানা, চলবে না চলবে না’ এবং ‘অ্যাফিলিয়েশন মুক্ত করো, রানিং সেশন যুক্ত করো’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে ঢাকা কলেজের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আলা ফাহাদ বলেন, তারা যতবার আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন, প্রতিবারই ঢাকা কলেজের এই মুক্ত ময়দান থেকে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির স্লোগান উঠেছে। এবারও সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে রানিং সেশন অন্তর্ভুক্তি ও একাডেমিক মাইগ্রেশনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, বিভিন্ন ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা সেখানে একসঙ্গে অবস্থান করছিলেন। এর কিছুক্ষণ পর শিক্ষা সিন্ডিকেটের একটি দল ঢাকা কলেজের প্রশাসনিক ভবন থেকে বের হয়ে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়। পরে ঢাকা কলেজের গেটে তালা দেওয়া হয় এবং সেখান থেকে কোনো বিক্ষোভ মিছিল বের হতে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়।
আব্দুল্লাহ আলা ফাহাদের ভাষ্য, সরকার শিক্ষার্থীদের দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করেছে। রানিং সেশনগুলোর একাডেমিক জটিলতা দূর করা এবং শিক্ষার্থীদের পরিচয়হীনতার অবসান ঘটানোই ছিল এর মূল প্রেক্ষাপট। প্রথমে সংশ্লিষ্টরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেও টেবিল টকে শিক্ষার্থীরা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার পর সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করে। এখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে যাদের সমস্যা সমাধানের কথা ছিল, সেই শিক্ষার্থীদের সমস্যার সমাধানই সবচেয়ে জরুরি ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি। তার দাবি, রানিং সেশন যুক্ত করার বিষয়ে জানতে চাইলে তাদের বলা হয়েছিল, মতবিনিময় সভা শেষ করে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। মতবিনিময় সভা শেষ হওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গণস্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়ে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, গণস্বাক্ষরের ভিত্তিতে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়নি। জনমত, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি ও আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অধ্যাদেশ ঘোষণার সময়ই বিষয়টির সমাধান হয়ে গিয়েছিল বলে দাবি করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এরপরও কেন বিষয়টি নিয়ে তালবাহানা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগে তারা ঢাকা কলেজের মূল ফটকে অবস্থান করছেন।
তিতুমীর কলেজের সংঘর্ষ প্রসঙ্গে আব্দুল্লাহ আলা ফাহাদ বলেন, তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে রেলে হামলা ও যাত্রীদের রক্তাক্ত করার ঘটনায় জড়িতদেরই তিনি দুর্বৃত্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তার দাবি, ওই ব্যক্তিরাই সংবাদ সম্মেলন করে সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকতে চাইছেন। তাদের কারণেই ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা নিজেদের পরিচয় পাচ্ছেন না বলে তিনি অভিযোগ করেন।
সূত্র: আমার দেশ।

আপনার মতামত লিখুন