ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. হামিদ শেখ (৩২) নামের এক মাদকবিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশ। গত ১৩ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ রাতে উপজেলার বেড়িরহাট বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে নিয়মিত মামলায় তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৩ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে আলফাডাঙ্গা থানার জিডি নম্বর ৫২০ মূলে এসআই রতন কুমার মন্ডল সঙ্গীয় ফোর্সসহ ওয়ারেন্ট তামিল, মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটিতে নিয়োজিত ছিলেন। রাত ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, উপজেলার ৬নং পাচুড়িয়া ইউনিয়নের যোগীবরাট আশ্রয়ণ প্রকল্পের মমিন সরদারের মুদি দোকানের উত্তর পাশের ফাঁকা স্থানে কিছু ব্যক্তি মাদকদ্রব্যসহ অবস্থান করছে।
এই সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে রাত ১০টা ১০ মিনিটে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় মো. হামিদ শেখকে আটক করা হয়। তিনি আলফাডাঙ্গা উপজেলার যোগীবরাট গ্রামের এলেম শেখের ছেলে।
জব্দকৃত আলামত ও সাক্ষীগণ
উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে ধৃত আসামির দেহ তল্লাশি করে তার পরিহিত লুঙ্গির ডান কোচর থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার ওজন ১ গ্রাম এবং যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ হাজার টাকা।
পরবর্তীতে ডিজিটাল পরিমাপক যন্ত্রের মাধ্যমে ইয়াবা ওজন করে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়। অভিযানে স্থানীয় সাক্ষী এবং পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন:
মোঃ সোহেল শেখ (৪২), পিতা- মৃত এসএম সাইদ, সাং- যোগীবরাট।
মোঃ মমিন সরদার (৪০), পিতা- আব্দুল গণি, সাং- যোগীবরাট।
এএসআই (নিঃ) কাজী নেওয়াজ, আলফাডাঙ্গা থানা, ফরিদপুর।
এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল আমিন বলেন, আসামি মো. হামিদ শেখ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা নিজ হেফাজতে রেখে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর সারণীর ১০(ক) ধারা অনুযায়ী অপরাধ করেছেন। এ ঘটনায় থানায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে ফরিদপুরের মাননীয় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. হামিদ শেখ (৩২) নামের এক মাদকবিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশ। গত ১৩ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ রাতে উপজেলার বেড়িরহাট বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে নিয়মিত মামলায় তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৩ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে আলফাডাঙ্গা থানার জিডি নম্বর ৫২০ মূলে এসআই রতন কুমার মন্ডল সঙ্গীয় ফোর্সসহ ওয়ারেন্ট তামিল, মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও বিশেষ অভিযান ডিউটিতে নিয়োজিত ছিলেন। রাত ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, উপজেলার ৬নং পাচুড়িয়া ইউনিয়নের যোগীবরাট আশ্রয়ণ প্রকল্পের মমিন সরদারের মুদি দোকানের উত্তর পাশের ফাঁকা স্থানে কিছু ব্যক্তি মাদকদ্রব্যসহ অবস্থান করছে।
এই সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে রাত ১০টা ১০ মিনিটে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় মো. হামিদ শেখকে আটক করা হয়। তিনি আলফাডাঙ্গা উপজেলার যোগীবরাট গ্রামের এলেম শেখের ছেলে।
জব্দকৃত আলামত ও সাক্ষীগণ
উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে ধৃত আসামির দেহ তল্লাশি করে তার পরিহিত লুঙ্গির ডান কোচর থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার ওজন ১ গ্রাম এবং যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ হাজার টাকা।
পরবর্তীতে ডিজিটাল পরিমাপক যন্ত্রের মাধ্যমে ইয়াবা ওজন করে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়। অভিযানে স্থানীয় সাক্ষী এবং পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন:
মোঃ সোহেল শেখ (৪২), পিতা- মৃত এসএম সাইদ, সাং- যোগীবরাট।
মোঃ মমিন সরদার (৪০), পিতা- আব্দুল গণি, সাং- যোগীবরাট।
এএসআই (নিঃ) কাজী নেওয়াজ, আলফাডাঙ্গা থানা, ফরিদপুর।
এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল আমিন বলেন, আসামি মো. হামিদ শেখ অবৈধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা নিজ হেফাজতে রেখে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর সারণীর ১০(ক) ধারা অনুযায়ী অপরাধ করেছেন। এ ঘটনায় থানায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে ফরিদপুরের মাননীয় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন