শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোররাত ৩টার দিকে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ৫-৬ জনের একটি ডাকাত দল বাড়ির দক্ষিণ পাশের জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় বাইরে আরও কয়েকজন অবস্থান করছিল। ঘরে ঢুকেই তারা পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে মারধর করে এবং অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নেয়।
পরিবারের দাবি, ডাকাতরা প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন নিয়ে গেছে।
ঘটনার সময় পরিবারের এক সদস্যকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হলে নাইম বাধা দেন। এতে ডাকাতরা তাকে গুলি করে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পরে পরিবারের দুই বছর বয়সী শিশু তাসফির মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতরা লুটপাট চালায়।
গুলিবিদ্ধ নাইমসহ আহত তিনজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। দুষ্কৃতিকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ডাকাতির সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভোররাত ৩টার দিকে উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম বাদুরতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ৫-৬ জনের একটি ডাকাত দল বাড়ির দক্ষিণ পাশের জানালার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় বাইরে আরও কয়েকজন অবস্থান করছিল। ঘরে ঢুকেই তারা পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে মারধর করে এবং অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নেয়।
পরিবারের দাবি, ডাকাতরা প্রায় ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ২ লাখ টাকা ও একটি আইফোন নিয়ে গেছে।
ঘটনার সময় পরিবারের এক সদস্যকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হলে নাইম বাধা দেন। এতে ডাকাতরা তাকে গুলি করে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পরে পরিবারের দুই বছর বয়সী শিশু তাসফির মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ডাকাতরা লুটপাট চালায়।
গুলিবিদ্ধ নাইমসহ আহত তিনজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। দুষ্কৃতিকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ডাকাতির সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন