জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলনকে ঘিরে শুরুতেই আলোচনায় এসেছে একটি বই। সম্মেলনস্থলের একটি ছোট স্টলে বইটি ঘিরে শিক্ষার্থী ও উপস্থিত দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে।
বইটির নাম ‘আকাবিরদের পর্যালোচনা’। বইটির প্রচ্ছদে আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী-এর নাম রয়েছে। আয়োজনে উপস্থিত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বইটি মূলত একটি উর্দু কিতাবের বাংলা অনুবাদ ও সম্পাদিত সংস্করণ।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, বইটির বাংলা অনুবাদের বিষয়ে আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর আগ্রহ ও নির্দেশনা ছিল। তাঁর নির্দেশনার পর বইটি বাংলায় অনুবাদের দায়িত্ব গ্রহণ করেন খান প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী, অনুবাদক ও দাঈ মাওলানা মুহাম্মাদ ইসহাক খান। পরবর্তীতে বইটির সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন বাবুনগর মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা হারুন আজিজী।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, বইটির অনুবাদ ও সম্পাদনার পুরো প্রক্রিয়ায় আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর নির্দেশনা, তত্ত্বাবধান ও আগ্রহ ছিল।
সম্মেলনে আসা কয়েকজন শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থী ইনসাফ ২৪-কে বলেন, স্টলে বইটি দেখার পর অনেকেই এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হচ্ছেন। বিশেষ করে বইটির প্রচ্ছদ ও নাম নিয়ে উপস্থিতদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তবে বইটির প্রচ্ছদে আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর নাম prominently থাকলেও লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া না যাওয়ায় কিছুটা বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
তাদের মতে, শুধু প্রচ্ছদের উপস্থাপনা দেখে কোনো ধরনের সিদ্ধান্তে না গিয়ে বইটির মূল বক্তব্য, বিষয়বস্তু ও বার্তা কী—সেটিই পাঠকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
সম্মেলনস্থলের বইয়ের স্টলে বর্তমানে ‘আকাবিরদের পর্যালোচনা’ বইটি দর্শনার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলনকে ঘিরে শুরুতেই আলোচনায় এসেছে একটি বই। সম্মেলনস্থলের একটি ছোট স্টলে বইটি ঘিরে শিক্ষার্থী ও উপস্থিত দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে।
বইটির নাম ‘আকাবিরদের পর্যালোচনা’। বইটির প্রচ্ছদে আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী-এর নাম রয়েছে। আয়োজনে উপস্থিত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বইটি মূলত একটি উর্দু কিতাবের বাংলা অনুবাদ ও সম্পাদিত সংস্করণ।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, বইটির বাংলা অনুবাদের বিষয়ে আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর আগ্রহ ও নির্দেশনা ছিল। তাঁর নির্দেশনার পর বইটি বাংলায় অনুবাদের দায়িত্ব গ্রহণ করেন খান প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী, অনুবাদক ও দাঈ মাওলানা মুহাম্মাদ ইসহাক খান। পরবর্তীতে বইটির সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন বাবুনগর মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা হারুন আজিজী।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, বইটির অনুবাদ ও সম্পাদনার পুরো প্রক্রিয়ায় আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর নির্দেশনা, তত্ত্বাবধান ও আগ্রহ ছিল।
সম্মেলনে আসা কয়েকজন শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থী ইনসাফ ২৪-কে বলেন, স্টলে বইটি দেখার পর অনেকেই এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হচ্ছেন। বিশেষ করে বইটির প্রচ্ছদ ও নাম নিয়ে উপস্থিতদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তবে বইটির প্রচ্ছদে আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর নাম prominently থাকলেও লেখক, অনুবাদক ও সম্পাদক সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া না যাওয়ায় কিছুটা বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
তাদের মতে, শুধু প্রচ্ছদের উপস্থাপনা দেখে কোনো ধরনের সিদ্ধান্তে না গিয়ে বইটির মূল বক্তব্য, বিষয়বস্তু ও বার্তা কী—সেটিই পাঠকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
সম্মেলনস্থলের বইয়ের স্টলে বর্তমানে ‘আকাবিরদের পর্যালোচনা’ বইটি দর্শনার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন