রোববার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গ্যাসের সংকটে শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং শিল্পমালিকদের ব্যাংক ঋণ পরিশোধে সমস্যার বিষয়ে মন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, কবে নাগাদ গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে। জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি দ্রুত সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা নেই। অল্প সময়ের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে—এমনটা বলা অর্থহীন, কারণ চাইলেই এটি দ্রুত করা সম্ভব নয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে বর্তমান পরিস্থিতি কিছুদিন সহ্য করতে হবে। তিনি স্বীকার করেন, এতে ব্যবসায়ী ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ছে এবং দেশের অর্থনীতিতেও এর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
তিনি জানান, এখন ফুলবাড়ীসহ অন্যান্য এলাকায় ওপেন-পিট পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের দিকে যাওয়া হচ্ছে। কারণ এ মুহূর্তে তাদের হাতে অন্য কোনো বিকল্প নেই।
আমির খসরু আরও বলেন, দেশের পাওয়ার মিক্স ও জ্বালানি নীতির বিষয়ে আগামী দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা দেওয়া হবে। একই সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ নতুন জ্বালানি নীতি ঘোষণা করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানতে পারেন।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, খণ্ডিত বা আংশিক তথ্য দিয়ে কোনো সমাধান হবে না। তাই একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। এতে গ্যাস ও জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগতে পারে, সে বিষয়ে মানুষ স্পষ্ট ধারণা পাবেন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে পারবেন। কারণ বিষয়টি আগামীকাল বা খুব অল্প সময়ের মধ্যে সমাধান হওয়ার মতো নয়।
সূত্র: মানবজমিন

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
রোববার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম) আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গ্যাসের সংকটে শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং শিল্পমালিকদের ব্যাংক ঋণ পরিশোধে সমস্যার বিষয়ে মন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, কবে নাগাদ গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে। জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি দ্রুত সমাধান হওয়ার সম্ভাবনা নেই। অল্প সময়ের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে—এমনটা বলা অর্থহীন, কারণ চাইলেই এটি দ্রুত করা সম্ভব নয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে বর্তমান পরিস্থিতি কিছুদিন সহ্য করতে হবে। তিনি স্বীকার করেন, এতে ব্যবসায়ী ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ছে এবং দেশের অর্থনীতিতেও এর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
তিনি জানান, এখন ফুলবাড়ীসহ অন্যান্য এলাকায় ওপেন-পিট পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের দিকে যাওয়া হচ্ছে। কারণ এ মুহূর্তে তাদের হাতে অন্য কোনো বিকল্প নেই।
আমির খসরু আরও বলেন, দেশের পাওয়ার মিক্স ও জ্বালানি নীতির বিষয়ে আগামী দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা দেওয়া হবে। একই সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ নতুন জ্বালানি নীতি ঘোষণা করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানতে পারেন।
এ বিষয়ে তিনি বলেন, খণ্ডিত বা আংশিক তথ্য দিয়ে কোনো সমাধান হবে না। তাই একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। এতে গ্যাস ও জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগতে পারে, সে বিষয়ে মানুষ স্পষ্ট ধারণা পাবেন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে পারবেন। কারণ বিষয়টি আগামীকাল বা খুব অল্প সময়ের মধ্যে সমাধান হওয়ার মতো নয়।
সূত্র: মানবজমিন

আপনার মতামত লিখুন