ঢাকা    মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

জাতীয়

মৎস্য রপ্তানি বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

মৎস্য রপ্তানি বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী
মৎস্য রপ্তানি বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

দেশের মৎস্য খাত এখন অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সক্ষম হয়েছে। তাই মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণে এখন আরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

মঙ্গলবার মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় আয়োজন ঢাকার বাইরে কিশোরগঞ্জে করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মৎস্য উৎপাদনে হাওরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। দেশের মিঠাপানির মাছের বড় একটি অংশ হাওর অঞ্চল থেকে উৎপাদিত হয়। এ কারণে প্রান্তিক পর্যায়ের মৎস্যচাষি, জেলে এবং মৎস্য খাতের সঙ্গে যুক্ত মানুষের কাছে কর্মসূচির বার্তা পৌঁছে দিতে এবার ঢাকার বাইরে আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নে নদী খনন, খাল সংস্কারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও মৎস্য খাতের অগ্রগতিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এবার খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা এত বড় আয়োজন সম্পন্ন করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ও নির্দেশনার কারণেই ঢাকার বাইরে এই কর্মসূচি আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন আরও প্রাণবন্ত ও ব্যতিক্রমী হয়েছে।’

জাতীয় মৎস্য পক্ষ সফলভাবে আয়োজনের জন্য মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশংসা করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হাতের পাঁচটি আঙুলের মতো সবার দায়িত্ব আলাদা হতে পারে। তবে সবাই একসঙ্গে কাজ করলে মুষ্টিবদ্ধ হাতের মতো শক্তি তৈরি হয়। এবারের আয়োজনও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই সফল হয়েছে।’

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রাষ্ট্র যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা যথাযথভাবে পালন করতে হবে। দায়িত্ব পালনে অবহেলা কিংবা কাজে ফাঁকি দেওয়া যাবে না। প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজের মেধা ও যোগ্যতা কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রের মালিক জনগণ—শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এই নীতিতে বিশ্বাস করেন।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা এবং দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা ও সরকারি দায়িত্ব পালন করতে হবে। জনগণের পাশে থেকে এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়েই দেশের উন্নয়নের ধারা এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই চেতনাকে সামনে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এককভাবে বড় কোনো কাজ করা সম্ভব নয়। দক্ষ ও আন্তরিক একটি টিম থাকলে যেকোনো অসম্ভব কাজও সম্ভব করা যায়। এ জন্য কর্মকর্তাদের জনগণের কল্যাণে আরও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মৎস্য খাতের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে এ খাতের অগ্রগতির জন্য কয়েকটি প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রান্তিক অর্থনীতিতে মৎস্য অধিদপ্তর আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, মৎস্যচাষি ও সাধারণ মানুষ সরকারি সেবা নিতে এসে যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে। যার ওপর যে দায়িত্ব রয়েছে, তা যথাযথভাবে পালন করতে হবে। জনগণকে সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের কার্পণ্য করা যাবে না।

তিনি বলেন, সরকারের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরকে আরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের গাফিলতি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক বলেন, জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় আয়োজন ঢাকার বাইরে সর্বশেষ ২০০৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর এবার কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ব্যাপক আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ের মৎস্যচাষি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ায় এবারের আয়োজন মৎস্য খাতের সঙ্গে সম্পৃক্তদের মধ্যে নতুন উৎসাহ তৈরি করেছে।

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মৎস্যচাষি, জেলে ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬


মৎস্য রপ্তানি বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দেশের মৎস্য খাত এখন অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে সক্ষম হয়েছে। তাই মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণে এখন আরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

মঙ্গলবার মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় আয়োজন ঢাকার বাইরে কিশোরগঞ্জে করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মৎস্য উৎপাদনে হাওরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। দেশের মিঠাপানির মাছের বড় একটি অংশ হাওর অঞ্চল থেকে উৎপাদিত হয়। এ কারণে প্রান্তিক পর্যায়ের মৎস্যচাষি, জেলে এবং মৎস্য খাতের সঙ্গে যুক্ত মানুষের কাছে কর্মসূচির বার্তা পৌঁছে দিতে এবার ঢাকার বাইরে আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নে নদী খনন, খাল সংস্কারসহ বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও মৎস্য খাতের অগ্রগতিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও কৃষি ও মৎস্য খাতের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এবার খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমরা এত বড় আয়োজন সম্পন্ন করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ও নির্দেশনার কারণেই ঢাকার বাইরে এই কর্মসূচি আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন আরও প্রাণবন্ত ও ব্যতিক্রমী হয়েছে।’

জাতীয় মৎস্য পক্ষ সফলভাবে আয়োজনের জন্য মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশংসা করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘হাতের পাঁচটি আঙুলের মতো সবার দায়িত্ব আলাদা হতে পারে। তবে সবাই একসঙ্গে কাজ করলে মুষ্টিবদ্ধ হাতের মতো শক্তি তৈরি হয়। এবারের আয়োজনও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই সফল হয়েছে।’

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রাষ্ট্র যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা যথাযথভাবে পালন করতে হবে। দায়িত্ব পালনে অবহেলা কিংবা কাজে ফাঁকি দেওয়া যাবে না। প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজের মেধা ও যোগ্যতা কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিতে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। রাষ্ট্রের মালিক জনগণ—শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এই নীতিতে বিশ্বাস করেন।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা এবং দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা ও সরকারি দায়িত্ব পালন করতে হবে। জনগণের পাশে থেকে এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়েই দেশের উন্নয়নের ধারা এগিয়ে নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই চেতনাকে সামনে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এককভাবে বড় কোনো কাজ করা সম্ভব নয়। দক্ষ ও আন্তরিক একটি টিম থাকলে যেকোনো অসম্ভব কাজও সম্ভব করা যায়। এ জন্য কর্মকর্তাদের জনগণের কল্যাণে আরও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মৎস্য খাতের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে এ খাতের অগ্রগতির জন্য কয়েকটি প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রান্তিক অর্থনীতিতে মৎস্য অধিদপ্তর আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, মৎস্যচাষি ও সাধারণ মানুষ সরকারি সেবা নিতে এসে যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে। যার ওপর যে দায়িত্ব রয়েছে, তা যথাযথভাবে পালন করতে হবে। জনগণকে সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের কার্পণ্য করা যাবে না।

তিনি বলেন, সরকারের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরকে আরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের গাফিলতি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক বলেন, জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় আয়োজন ঢাকার বাইরে সর্বশেষ ২০০৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ বিরতির পর এবার কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ব্যাপক আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ের মৎস্যচাষি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ায় এবারের আয়োজন মৎস্য খাতের সঙ্গে সম্পৃক্তদের মধ্যে নতুন উৎসাহ তৈরি করেছে।

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মৎস্যচাষি, জেলে ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: আমার দেশ


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
মৎস্য রপ্তানি বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী
0:00 0:00
1.0x