ঘটনাটি ঘটেছে ঘাটাইল পৌরসভার ধাড়িয়াল গ্রামে। পলাতক মায়ের নাম মারিয়া (১৮)। তিনি শান্তিনগর এলাকার ময়েন উদ্দিনের মেয়ে এবং ধাড়িয়াল গ্রামের সোলায়মান হোসেনের ছেলে সাকিব হোসেনের (২০) স্ত্রী।
পরিবারের ভাষ্য, প্রায় তিন বছর আগে সাকিব ও মারিয়ার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। তখন সাকিবের বয়স ছিল প্রায় ১৭ বছর এবং মারিয়ার প্রায় ১৫ বছর। পরিবারের সম্মতি না থাকায় একপর্যায়ে তারা বাড়ি ছেড়ে চলে যান। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে তাদের খুঁজে বের করা হয় এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়।
বিয়ের প্রায় তিন বছর পর গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ঘাটাইলের হাজী খোরশেদ আলী মেমোরিয়াল হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মারিয়ার যমজ দুই কন্যাশিশুর জন্ম হয়।
পরিবার জানায়, সন্তান জন্মের পর পাঁচ দিন মা ও দুই নবজাতক পরিবারের সঙ্গেই ছিলেন। তবে গত সোমবার রাতে পাঁচ দিনের শিশু দুটিকে বাড়িতে রেখে মারিয়া চলে গেছেন বলে অভিযোগ করেন তার স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা। এরপর প্রায় একদিন পেরিয়ে গেলেও তিনি সন্তানদের কাছে ফেরেননি।
মায়ের অনুপস্থিতিতে দুই নবজাতককে নিয়ে উদ্বিগ্ন বাবা সাকিব হোসেন। তিনি বলেন, ‘পাঁচ দিনের জমজ দুই শিশুকে নিয়ে আমি চরম বিপাকে আছি। নবজাতক দুটিকে বাঁচাতে এখন মায়ের খুব প্রয়োজন। আমি এলাকাবাসী ও প্রশাসনের সহযোগিতা চাই। মা যেন দ্রুত ফিরে এসে সন্তান দুটিকে কোলে তুলে নেয়। আমি সেই অপেক্ষায় আছি।’
সাকিবের সন্দেহ, শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ইশারা কিংবা কোনো ধরনের প্ররোচনায় তার স্ত্রী সন্তানদের রেখে চলে যেতে পারেন। তবে তার এ অভিযোগের পক্ষে তাৎক্ষণিক কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। একইভাবে মারিয়া কী কারণে সন্তানদের রেখে চলে গেছেন, সেটিও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোকছেদুর রহমান বলেন, ‘গত রাতে আমরা এ ধরনের একটি জিডি পেয়েছি। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি এবং শিশুটির মাকে খুঁজে বের করে সন্তানদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি।’
সূত্র: বিডি-প্রতিদিন

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
ঘটনাটি ঘটেছে ঘাটাইল পৌরসভার ধাড়িয়াল গ্রামে। পলাতক মায়ের নাম মারিয়া (১৮)। তিনি শান্তিনগর এলাকার ময়েন উদ্দিনের মেয়ে এবং ধাড়িয়াল গ্রামের সোলায়মান হোসেনের ছেলে সাকিব হোসেনের (২০) স্ত্রী।
পরিবারের ভাষ্য, প্রায় তিন বছর আগে সাকিব ও মারিয়ার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। তখন সাকিবের বয়স ছিল প্রায় ১৭ বছর এবং মারিয়ার প্রায় ১৫ বছর। পরিবারের সম্মতি না থাকায় একপর্যায়ে তারা বাড়ি ছেড়ে চলে যান। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে তাদের খুঁজে বের করা হয় এবং পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়।
বিয়ের প্রায় তিন বছর পর গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ঘাটাইলের হাজী খোরশেদ আলী মেমোরিয়াল হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মারিয়ার যমজ দুই কন্যাশিশুর জন্ম হয়।
পরিবার জানায়, সন্তান জন্মের পর পাঁচ দিন মা ও দুই নবজাতক পরিবারের সঙ্গেই ছিলেন। তবে গত সোমবার রাতে পাঁচ দিনের শিশু দুটিকে বাড়িতে রেখে মারিয়া চলে গেছেন বলে অভিযোগ করেন তার স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা। এরপর প্রায় একদিন পেরিয়ে গেলেও তিনি সন্তানদের কাছে ফেরেননি।
মায়ের অনুপস্থিতিতে দুই নবজাতককে নিয়ে উদ্বিগ্ন বাবা সাকিব হোসেন। তিনি বলেন, ‘পাঁচ দিনের জমজ দুই শিশুকে নিয়ে আমি চরম বিপাকে আছি। নবজাতক দুটিকে বাঁচাতে এখন মায়ের খুব প্রয়োজন। আমি এলাকাবাসী ও প্রশাসনের সহযোগিতা চাই। মা যেন দ্রুত ফিরে এসে সন্তান দুটিকে কোলে তুলে নেয়। আমি সেই অপেক্ষায় আছি।’
সাকিবের সন্দেহ, শ্বশুরবাড়ির লোকজনের ইশারা কিংবা কোনো ধরনের প্ররোচনায় তার স্ত্রী সন্তানদের রেখে চলে যেতে পারেন। তবে তার এ অভিযোগের পক্ষে তাৎক্ষণিক কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। একইভাবে মারিয়া কী কারণে সন্তানদের রেখে চলে গেছেন, সেটিও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোকছেদুর রহমান বলেন, ‘গত রাতে আমরা এ ধরনের একটি জিডি পেয়েছি। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি এবং শিশুটির মাকে খুঁজে বের করে সন্তানদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি।’
সূত্র: বিডি-প্রতিদিন

আপনার মতামত লিখুন