নিখোঁজের ১২ দিন পর পাইকগাছায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে তাকে উদ্ধারে অভিযান চালানোর পর মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) উপজেলার দেলুটি এলাকা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বুধবার সকালে তাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ আগস্ট দাকোপ উপজেলার কালাবগী-নলিয়ান এলাকার আফজাল ঢালীর ছেলে রমজান ঢালী (২২) ওই ছাত্রীকে ভ্যাকটমারী ওয়াপদা সড়ক থেকে ট্রলারযোগে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পরদিন ৫ আগস্ট ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে পাইকগাছা থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর থেকেই ভিকটিমকে উদ্ধারে তৎপরতা চালিয়ে আসছিল পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শেখ আওয়াল কবিরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দেলুটি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। একপর্যায়ে সেখান থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দাবি, অভিযান চলাকালে তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) সুকান্ত বলেন, ভিকটিমকে উদ্ধারে পুলিশ শুরু থেকেই বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসছিল। মঙ্গলবার দেলুটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
উদ্ধারের পর ভিকটিমকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বুধবার সকালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শেখ আওয়াল কবির বলেন, “পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে। এ সময় অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
ঘটনার পর ১২ দিন পেরিয়ে ভিকটিমের উদ্ধার পুলিশের তদন্ত কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে মামলার অভিযোগ ও ঘটনার প্রকৃত চিত্র তদন্ত এবং আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্পষ্ট হবে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
নিখোঁজের ১২ দিন পর পাইকগাছায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে তাকে উদ্ধারে অভিযান চালানোর পর মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) উপজেলার দেলুটি এলাকা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বুধবার সকালে তাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ আগস্ট দাকোপ উপজেলার কালাবগী-নলিয়ান এলাকার আফজাল ঢালীর ছেলে রমজান ঢালী (২২) ওই ছাত্রীকে ভ্যাকটমারী ওয়াপদা সড়ক থেকে ট্রলারযোগে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার পরদিন ৫ আগস্ট ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে পাইকগাছা থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর থেকেই ভিকটিমকে উদ্ধারে তৎপরতা চালিয়ে আসছিল পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সকালে পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শেখ আওয়াল কবিরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দেলুটি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। একপর্যায়ে সেখান থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দাবি, অভিযান চলাকালে তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) সুকান্ত বলেন, ভিকটিমকে উদ্ধারে পুলিশ শুরু থেকেই বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসছিল। মঙ্গলবার দেলুটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
উদ্ধারের পর ভিকটিমকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বুধবার সকালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শেখ আওয়াল কবির বলেন, “পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে। এ সময় অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
ঘটনার পর ১২ দিন পেরিয়ে ভিকটিমের উদ্ধার পুলিশের তদন্ত কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে মামলার অভিযোগ ও ঘটনার প্রকৃত চিত্র তদন্ত এবং আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্পষ্ট হবে।

আপনার মতামত লিখুন