জানা গেছে, গত ১৬ আগস্ট রোমে একটি কনসার্টে অংশ নেন জেমস। ওই সময় তিনি ও তার সফরসঙ্গীরা বেস্ট ওয়েস্টার্ন হোটেলের চারটি অ্যাপার্টমেন্টে অবস্থান করেন। সেখানে ছিলেন মাহফুজ আনাম জেমস, রুবাইয়াত ঠাকুর, মোহাম্মদ নাফিজ ইবনা মান্নান, তালুকদার সাব্বির, আবদুল কাইয়ুম ও আহসান এলাহী।
আয়োজকদের সঙ্গে হোটেল কর্তৃপক্ষের চুক্তি অনুযায়ী, ১৯ আগস্ট চারটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে অতিথিদের চেক-আউট করার কথা ছিল। পরে হোটেলের কর্মীরা কক্ষগুলো পরিষ্কার ও পরিদর্শনের সময় কয়েকটি অ্যাপার্টমেন্টের অবস্থা অপরিচ্ছন্ন দেখতে পান। এর মধ্যে ৫৪৯ নম্বর অ্যাপার্টমেন্টের অবস্থা সবচেয়ে বেশি নোংরা ছিল বলে হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
হোটেল কর্তৃপক্ষের পাঠানো ছবিতে মেঝেতে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের পানির বোতলসহ বিভিন্ন আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা যায়। ডাইনিং টেবিলে ব্যবহৃত প্লেট, পলিথিনের ব্যাগ ও খাবারের উচ্ছিষ্ট ছিল। রান্নাঘরের সিঙ্কেও নোংরা থালা-বাসন পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেগুলোর ওপর একটি কাঁচা ডিমও ছিল। এ ছাড়া কক্ষের বিভিন্ন স্থানে নানা ধরনের জিনিসপত্র ও আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকার কথা জানানো হয়েছে।
চেক-আউটের পর হোটেল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আয়োজক প্রতিনিধি মোয়াজকে জানায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশট অনুযায়ী, কক্ষগুলোর অবস্থা নিয়ে হোটেল ম্যানেজমেন্ট অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, সংশ্লিষ্ট অতিথিরা সকালে হোটেল ছেড়ে গেছেন। তবে কক্ষের অবস্থা নিয়ে তারা মন্তব্য করতে চাননি। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ বলেছে, ভবিষ্যতে ওই হোটেলের সুবিধা ব্যবহার করতে হলে চূড়ান্ত পরিচ্ছন্নতার জন্য অন্তত ২০০ ইউরো পরিশোধ করতে হবে।
হোটেল কর্তৃপক্ষের শর্ত অনুযায়ী, অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতার এই অর্থ পরিশোধ না করা হলে ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট আয়োজক বা অতিথিদের কক্ষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।
এ ছাড়া অতিথিরা চেক-আউটের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে রিসেপশনে আসেননি বলেও জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। কোনো ধরনের যোগাযোগ ছাড়াই তারা হোটেল ত্যাগ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সূত্র: মানবজমিন।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
জানা গেছে, গত ১৬ আগস্ট রোমে একটি কনসার্টে অংশ নেন জেমস। ওই সময় তিনি ও তার সফরসঙ্গীরা বেস্ট ওয়েস্টার্ন হোটেলের চারটি অ্যাপার্টমেন্টে অবস্থান করেন। সেখানে ছিলেন মাহফুজ আনাম জেমস, রুবাইয়াত ঠাকুর, মোহাম্মদ নাফিজ ইবনা মান্নান, তালুকদার সাব্বির, আবদুল কাইয়ুম ও আহসান এলাহী।
আয়োজকদের সঙ্গে হোটেল কর্তৃপক্ষের চুক্তি অনুযায়ী, ১৯ আগস্ট চারটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে অতিথিদের চেক-আউট করার কথা ছিল। পরে হোটেলের কর্মীরা কক্ষগুলো পরিষ্কার ও পরিদর্শনের সময় কয়েকটি অ্যাপার্টমেন্টের অবস্থা অপরিচ্ছন্ন দেখতে পান। এর মধ্যে ৫৪৯ নম্বর অ্যাপার্টমেন্টের অবস্থা সবচেয়ে বেশি নোংরা ছিল বলে হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
হোটেল কর্তৃপক্ষের পাঠানো ছবিতে মেঝেতে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের পানির বোতলসহ বিভিন্ন আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা যায়। ডাইনিং টেবিলে ব্যবহৃত প্লেট, পলিথিনের ব্যাগ ও খাবারের উচ্ছিষ্ট ছিল। রান্নাঘরের সিঙ্কেও নোংরা থালা-বাসন পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেগুলোর ওপর একটি কাঁচা ডিমও ছিল। এ ছাড়া কক্ষের বিভিন্ন স্থানে নানা ধরনের জিনিসপত্র ও আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকার কথা জানানো হয়েছে।
চেক-আউটের পর হোটেল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আয়োজক প্রতিনিধি মোয়াজকে জানায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশট অনুযায়ী, কক্ষগুলোর অবস্থা নিয়ে হোটেল ম্যানেজমেন্ট অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
হোটেল কর্তৃপক্ষ জানায়, সংশ্লিষ্ট অতিথিরা সকালে হোটেল ছেড়ে গেছেন। তবে কক্ষের অবস্থা নিয়ে তারা মন্তব্য করতে চাননি। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ বলেছে, ভবিষ্যতে ওই হোটেলের সুবিধা ব্যবহার করতে হলে চূড়ান্ত পরিচ্ছন্নতার জন্য অন্তত ২০০ ইউরো পরিশোধ করতে হবে।
হোটেল কর্তৃপক্ষের শর্ত অনুযায়ী, অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতার এই অর্থ পরিশোধ না করা হলে ভবিষ্যতে সংশ্লিষ্ট আয়োজক বা অতিথিদের কক্ষ বরাদ্দের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।
এ ছাড়া অতিথিরা চেক-আউটের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে রিসেপশনে আসেননি বলেও জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। কোনো ধরনের যোগাযোগ ছাড়াই তারা হোটেল ত্যাগ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সূত্র: মানবজমিন।

আপনার মতামত লিখুন