বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ৮ নম্বর আদালতে মামলাটি করা হয়।
মামলাটি বর্তমানে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে বিচারাধীন। বাদীপক্ষের আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ও সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম ইবরাহিম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার নালিশি অভিযোগে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের মাধ্যমে ২০২০ সালের ৪ মে শরিয়াহ অনুযায়ী হাবিবুর রহমান মিসবাহর সঙ্গে হুমায়রা জান্নাতের বিয়ে হয়। এই দাম্পত্য জীবনে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি ‘আফরাদ মিসবাহ’ নামে তাঁদের একটি পুত্রসন্তান জন্ম নেয়।
বাদীর অভিযোগ, বিয়ের সময় মিসবাহ তাঁর আগের চারটি বিয়ের বিষয়টি গোপন করেছিলেন। পরবর্তীতে হুমায়রা জানতে পারেন, তাঁকে ছাড়াও মিসবাহ মোট নয়টি বিয়ে করেছেন। এসব বিয়ের কোনোটি যথাযথ কাবিননামা বা বিবাহ নিবন্ধনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়নি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী এবিএম ইবরাহিম খলিল সাংবাদিকদের বলেন, তাঁর মক্কেল হুমায়রা জান্নাত মাওলানা হাবিবুর রহমান মিসবাহর বিরুদ্ধে যৌতুকের অভিযোগে মামলা করেছেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ দিয়েছেন।
আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, বাদীর অভিযোগ হলো—ধর্মীয় প্রচারের পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে মিসবাহ বিভিন্ন সময়ে নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। হুমায়রা জান্নাত তাঁর পঞ্চম স্ত্রী হলেও পরবর্তীতে তিনি আরও চারটি বিয়ে করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগও রয়েছে বলে জানান আইনজীবী।
এবিএম ইবরাহিম খলিল আরও বলেন, হাবিবুর রহমান মিসবাহ অধিকাংশ বিয়ে কাবিননামা ছাড়াই করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী হুমায়রা জান্নাত প্রথমে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ তাঁকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। এরপর তিনি আদালতে নালিশি মামলাটি করেন।
আইনজীবী জানান, পরবর্তী তারিখে আসামি আদালতে হাজির হলে তাঁর বক্তব্য জানা যাবে। এরপর ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সূত্র: দৈনিক খবর

রোববার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের ৮ নম্বর আদালতে মামলাটি করা হয়।
মামলাটি বর্তমানে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে বিচারাধীন। বাদীপক্ষের আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ও সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম ইবরাহিম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার নালিশি অভিযোগে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের মাধ্যমে ২০২০ সালের ৪ মে শরিয়াহ অনুযায়ী হাবিবুর রহমান মিসবাহর সঙ্গে হুমায়রা জান্নাতের বিয়ে হয়। এই দাম্পত্য জীবনে ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি ‘আফরাদ মিসবাহ’ নামে তাঁদের একটি পুত্রসন্তান জন্ম নেয়।
বাদীর অভিযোগ, বিয়ের সময় মিসবাহ তাঁর আগের চারটি বিয়ের বিষয়টি গোপন করেছিলেন। পরবর্তীতে হুমায়রা জানতে পারেন, তাঁকে ছাড়াও মিসবাহ মোট নয়টি বিয়ে করেছেন। এসব বিয়ের কোনোটি যথাযথ কাবিননামা বা বিবাহ নিবন্ধনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়নি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী এবিএম ইবরাহিম খলিল সাংবাদিকদের বলেন, তাঁর মক্কেল হুমায়রা জান্নাত মাওলানা হাবিবুর রহমান মিসবাহর বিরুদ্ধে যৌতুকের অভিযোগে মামলা করেছেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ দিয়েছেন।
আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, বাদীর অভিযোগ হলো—ধর্মীয় প্রচারের পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে মিসবাহ বিভিন্ন সময়ে নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। হুমায়রা জান্নাত তাঁর পঞ্চম স্ত্রী হলেও পরবর্তীতে তিনি আরও চারটি বিয়ে করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগও রয়েছে বলে জানান আইনজীবী।
এবিএম ইবরাহিম খলিল আরও বলেন, হাবিবুর রহমান মিসবাহ অধিকাংশ বিয়ে কাবিননামা ছাড়াই করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী হুমায়রা জান্নাত প্রথমে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ তাঁকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। এরপর তিনি আদালতে নালিশি মামলাটি করেন।
আইনজীবী জানান, পরবর্তী তারিখে আসামি আদালতে হাজির হলে তাঁর বক্তব্য জানা যাবে। এরপর ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সূত্র: দৈনিক খবর

আপনার মতামত লিখুন