কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। তবে বিক্ষোভের আয়োজকদের দাবি, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় পাঁচ লাখ। হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের সংগঠন জানিয়েছে, প্রায় দুই হাজার উচ্চবিদ্যালয় অবরুদ্ধ অথবা বন্ধ ছিল।
বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা অনুপস্থিত শিক্ষকদের দ্রুত নিয়োগ, মধ্যাহ্ন বিরতির সময় বাড়ানো, স্কুলের দৈনিক সময়সূচিতে পরিবর্তন এবং জরাজীর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। রাজধানী প্যারিসের পাশাপাশি মার্সেই, নঁত, লিওঁ, স্ট্রাসবুর্গ ও রেঁনেতেও বিক্ষোভ হয়েছে। কয়েকটি এলাকায় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে। অন্যদিকে কিছু বিক্ষোভকারী আগুন জ্বালানোর পাশাপাশি পুলিশের দিকে বিভিন্ন বস্তু নিক্ষেপ করেছে।
ফ্রান্স সরকার জানিয়েছে, বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে কয়েকটি এলাকায় সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী লেকর্নু বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগুন দিয়ে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হবে না। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত দাবিগুলো পর্যালোচনা করে অক্টোবরের শেষ নাগাদ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর প্রায় ছয় হাজার ১০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়াদের অধিকাংশের বয়স ১৮ বছরের নিচে। এ ছাড়া এক হাজার ৮০০-এর বেশি ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে। সংঘর্ষে অন্তত ২১৫ কিশোর এবং ৭১৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এদিকে, সোমবার লেন্স শহরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের হাত বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, ওই কিশোর একটি পুলিশ গ্রেনেড তুলে নেওয়ার পর ঘটনাটি ঘটে।
সূত্র: আল জাজিরা

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। তবে বিক্ষোভের আয়োজকদের দাবি, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় পাঁচ লাখ। হাইস্কুল শিক্ষার্থীদের সংগঠন জানিয়েছে, প্রায় দুই হাজার উচ্চবিদ্যালয় অবরুদ্ধ অথবা বন্ধ ছিল।
বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা অনুপস্থিত শিক্ষকদের দ্রুত নিয়োগ, মধ্যাহ্ন বিরতির সময় বাড়ানো, স্কুলের দৈনিক সময়সূচিতে পরিবর্তন এবং জরাজীর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। রাজধানী প্যারিসের পাশাপাশি মার্সেই, নঁত, লিওঁ, স্ট্রাসবুর্গ ও রেঁনেতেও বিক্ষোভ হয়েছে। কয়েকটি এলাকায় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে। অন্যদিকে কিছু বিক্ষোভকারী আগুন জ্বালানোর পাশাপাশি পুলিশের দিকে বিভিন্ন বস্তু নিক্ষেপ করেছে।
ফ্রান্স সরকার জানিয়েছে, বিক্ষোভের সুযোগ নিয়ে কয়েকটি এলাকায় সহিংস পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী লেকর্নু বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগুন দিয়ে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হবে না। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত দাবিগুলো পর্যালোচনা করে অক্টোবরের শেষ নাগাদ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর প্রায় ছয় হাজার ১০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়াদের অধিকাংশের বয়স ১৮ বছরের নিচে। এ ছাড়া এক হাজার ৮০০-এর বেশি ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে। সংঘর্ষে অন্তত ২১৫ কিশোর এবং ৭১৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এদিকে, সোমবার লেন্স শহরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরের হাত বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, ওই কিশোর একটি পুলিশ গ্রেনেড তুলে নেওয়ার পর ঘটনাটি ঘটে।
সূত্র: আল জাজিরা

আপনার মতামত লিখুন