ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে জশনে জুলুসকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার মধ্যে নাঈম ও আবদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং জশনে জুলুসের নামে বিতর্কিত কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) চম্পকনগর ব্রিজের ওপর আয়োজিত এ মানববন্ধনে মাওলানা শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং হাফেজ মাওলানা হোসাইন আহমদের পরিচালনায় বক্তব্য দেন মুফতি আমিনুল ইসলাম হাশেমী, মুফতি রঈস উদ্দিন আমিনী, মাওলানা আশেকুল্লাহ, মাওলানা লুৎফর রহমান, মাওলানা জিয়াউর রহমান, মাওলানা আবু বকর হাক্কানি এবং সাধারণ আলেম সমাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মুখপাত্র মোল্লা জাহিদুল হাসান ইসরাফিলসহ স্থানীয় আলেম ও নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, আগামী ১২ রবিউল আউয়াল চম্পকনগর-চান্দুরা সড়ক কিংবা দুলালপুর এলাকায় কোনো ধরনের শোডাউন বা মিছিলের চেষ্টা করা হলে তা প্রতিহত করা হবে। একই সঙ্গে গত বছর চান্দুরা ডাকবাংলো মোড়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমানকে নিয়ে করা কথিত আপত্তিকর বক্তব্যের ঘটনায় দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং মামলার নিষ্পত্তির দাবি জানান তারা।
এ সময় মানববন্ধনের সভাপতি মাওলানা শফিকুল ইসলাম আগামী ১২ রবিউল আউয়াল সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর নতুন মসজিদের সামনে এবং দুলালপুর চার রাস্তার মোড়ে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
বক্তব্যে মোল্লা জাহিদুল হাসান ইসরাফিল বলেন, “রাজনৈতিক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর বক্তব্যের ঘটনায় যদি দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহাসচিবের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ ও মামলার ক্ষেত্রেও প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত করা জরুরি। মামলা হওয়ার পরও কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না—এ প্রশ্নের জবাব প্রশাসনকে দিতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে নবীজি (সা.)-এর জীবনী আলোচনা, সিরাত প্রতিযোগিতা, কোরআন তেলাওয়াতসহ ইসলামি ও শিক্ষামূলক কর্মসূচি আয়োজন করা যেতে পারে। তবে বাদ্যযন্ত্র, ঢোল-বাদ্য ও গান-বাজনাসহ যেসব কর্মকাণ্ডকে তারা ধর্মীয়ভাবে অনুচিত মনে করেন, সেগুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
তবে মানববন্ধনে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে জশনে জুলুসকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার মধ্যে নাঈম ও আবদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং জশনে জুলুসের নামে বিতর্কিত কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) চম্পকনগর ব্রিজের ওপর আয়োজিত এ মানববন্ধনে মাওলানা শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং হাফেজ মাওলানা হোসাইন আহমদের পরিচালনায় বক্তব্য দেন মুফতি আমিনুল ইসলাম হাশেমী, মুফতি রঈস উদ্দিন আমিনী, মাওলানা আশেকুল্লাহ, মাওলানা লুৎফর রহমান, মাওলানা জিয়াউর রহমান, মাওলানা আবু বকর হাক্কানি এবং সাধারণ আলেম সমাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মুখপাত্র মোল্লা জাহিদুল হাসান ইসরাফিলসহ স্থানীয় আলেম ও নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, আগামী ১২ রবিউল আউয়াল চম্পকনগর-চান্দুরা সড়ক কিংবা দুলালপুর এলাকায় কোনো ধরনের শোডাউন বা মিছিলের চেষ্টা করা হলে তা প্রতিহত করা হবে। একই সঙ্গে গত বছর চান্দুরা ডাকবাংলো মোড়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমানকে নিয়ে করা কথিত আপত্তিকর বক্তব্যের ঘটনায় দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং মামলার নিষ্পত্তির দাবি জানান তারা।
এ সময় মানববন্ধনের সভাপতি মাওলানা শফিকুল ইসলাম আগামী ১২ রবিউল আউয়াল সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর নতুন মসজিদের সামনে এবং দুলালপুর চার রাস্তার মোড়ে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
বক্তব্যে মোল্লা জাহিদুল হাসান ইসরাফিল বলেন, “রাজনৈতিক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর বক্তব্যের ঘটনায় যদি দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহাসচিবের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ ও মামলার ক্ষেত্রেও প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত করা জরুরি। মামলা হওয়ার পরও কেন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না—এ প্রশ্নের জবাব প্রশাসনকে দিতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে নবীজি (সা.)-এর জীবনী আলোচনা, সিরাত প্রতিযোগিতা, কোরআন তেলাওয়াতসহ ইসলামি ও শিক্ষামূলক কর্মসূচি আয়োজন করা যেতে পারে। তবে বাদ্যযন্ত্র, ঢোল-বাদ্য ও গান-বাজনাসহ যেসব কর্মকাণ্ডকে তারা ধর্মীয়ভাবে অনুচিত মনে করেন, সেগুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
তবে মানববন্ধনে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন