বাংলাদেশ নন-এমপিও (বেতন-বিহীন) শিক্ষক-কর্মচারী পরিষদের উদ্যোগে কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে গত ২৩ আগস্ট করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২১টি শর্তে কর্মসূচি পালনের অনুমতি দিয়েছে পুলিশ।
ডিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) মো. মাহবুব হোসেন কামালের স্বাক্ষর করা চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময় ও স্থানে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে হবে।
পুলিশের শর্ত অনুযায়ী, অনুমোদিত স্থানের বাইরে কর্মসূচি পালন করা যাবে না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা শেষ করতে হবে। এ ছাড়া ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন বক্তব্য বা প্রচার, উসকানিমূলক বক্তব্য এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে—এমন কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না।
কর্মসূচিতে কোনো ধরনের মাদকদ্রব্য ব্যবহার না করার পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়—এমন কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। মানববন্ধন চলাকালে সংগঠনের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও করতে বলা হয়েছে।
পুলিশের অনুমতিপত্রে আরও বলা হয়েছে, কর্মসূচির কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। অনুমোদিত এলাকার বাইরে কাউকে মানববন্ধন করতে দেওয়া যাবে না।
কোনো বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে এর দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে বলেও অনুমতিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ নন-এমপিও (বেতন-বিহীন) শিক্ষক-কর্মচারী পরিষদের উদ্যোগে কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে গত ২৩ আগস্ট করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২১টি শর্তে কর্মসূচি পালনের অনুমতি দিয়েছে পুলিশ।
ডিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) মো. মাহবুব হোসেন কামালের স্বাক্ষর করা চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময় ও স্থানে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে হবে।
পুলিশের শর্ত অনুযায়ী, অনুমোদিত স্থানের বাইরে কর্মসূচি পালন করা যাবে না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা শেষ করতে হবে। এ ছাড়া ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন বক্তব্য বা প্রচার, উসকানিমূলক বক্তব্য এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে—এমন কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না।
কর্মসূচিতে কোনো ধরনের মাদকদ্রব্য ব্যবহার না করার পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়—এমন কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। মানববন্ধন চলাকালে সংগঠনের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থাও করতে বলা হয়েছে।
পুলিশের অনুমতিপত্রে আরও বলা হয়েছে, কর্মসূচির কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। অনুমোদিত এলাকার বাইরে কাউকে মানববন্ধন করতে দেওয়া যাবে না।
কোনো বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে এর দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে বলেও অনুমতিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন