তিনি বলেন, সংসদের বাইরেও বৈষম্য আরও পাকাপোক্ত হচ্ছে বলে তাদের মনে হচ্ছে। সরকারি বরাদ্দ কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয়। অথচ নির্বাচনের আগে সরকারি দল বৈষম্য না করার এবং দেশের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করার কথা বলেছিল।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা।
শফিকুর রহমান বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থে তারা এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছেন। সংসদের ভেতরে ও বাইরে এবং বিগত নির্বাচনেও তারা একসঙ্গে লড়াই করেছেন। তিনি বলেন, তারা গঠনমূলক বিরোধীদল হিসেবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছেন।
তিনি আরও বলেন, একটি দেশের সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের দুটি অঙ্গের একটি সরকারি দল এবং অন্যটি বিরোধীদল। বিরোধীদল ছাড়া গণতন্ত্র শূন্য হয়ে যায়। সংসদে বিরোধীদল হিসেবে তাদের যে পাওনা রয়েছে, তার বড় একটি অংশ থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।
জামায়াত আমির বলেন, কোনো দেশে বৈষম্য তৈরি হলে সামাজিক অসন্তোষ দেখা দেয়। স্থিতিশীল সমাজ গড়ে না উঠলে দেশ কখনো এগিয়ে যেতে পারে না। আর স্থিতিশীল সমাজ প্রতিষ্ঠার মূল দায়িত্ব সরকারি দলের।
সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের ক্ষেত্রেও বৈষম্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী সদস্যদের বিরোধীদলের এমপিদের আসনে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে বসানো হয়েছে। এভাবে কোনো দেশ ও জাতি এগিয়ে যেতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জনগণের দাবি ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের জন্য তারা নিয়মতান্ত্রিকভাবেই আন্দোলন করছেন। তার অভিযোগ, সরকার তাদের রাজপথে নামতে বাধ্য করেছে। বাংলাদেশে নতুন করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে এনসিপিকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান জামায়াতের আমির।
এনসিপির কার্যালয়ে পৌঁছালে শফিকুর রহমানকে স্বাগত জানান দলটির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং সংরক্ষিত এমপি ডা. মাহমুদা মিতুসহ অন্যান্য নেতারা।
এ সময় জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও প্রচার কমিটির সদস্য মুহাম্মদ জাহিদুর রহমান।
সূত্র: কালবেলা

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
তিনি বলেন, সংসদের বাইরেও বৈষম্য আরও পাকাপোক্ত হচ্ছে বলে তাদের মনে হচ্ছে। সরকারি বরাদ্দ কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয়। অথচ নির্বাচনের আগে সরকারি দল বৈষম্য না করার এবং দেশের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করার কথা বলেছিল।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা।
শফিকুর রহমান বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থে তারা এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছেন। সংসদের ভেতরে ও বাইরে এবং বিগত নির্বাচনেও তারা একসঙ্গে লড়াই করেছেন। তিনি বলেন, তারা গঠনমূলক বিরোধীদল হিসেবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছেন।
তিনি আরও বলেন, একটি দেশের সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের দুটি অঙ্গের একটি সরকারি দল এবং অন্যটি বিরোধীদল। বিরোধীদল ছাড়া গণতন্ত্র শূন্য হয়ে যায়। সংসদে বিরোধীদল হিসেবে তাদের যে পাওনা রয়েছে, তার বড় একটি অংশ থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।
জামায়াত আমির বলেন, কোনো দেশে বৈষম্য তৈরি হলে সামাজিক অসন্তোষ দেখা দেয়। স্থিতিশীল সমাজ গড়ে না উঠলে দেশ কখনো এগিয়ে যেতে পারে না। আর স্থিতিশীল সমাজ প্রতিষ্ঠার মূল দায়িত্ব সরকারি দলের।
সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের ক্ষেত্রেও বৈষম্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী সদস্যদের বিরোধীদলের এমপিদের আসনে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে বসানো হয়েছে। এভাবে কোনো দেশ ও জাতি এগিয়ে যেতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, জনগণের দাবি ও গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের জন্য তারা নিয়মতান্ত্রিকভাবেই আন্দোলন করছেন। তার অভিযোগ, সরকার তাদের রাজপথে নামতে বাধ্য করেছে। বাংলাদেশে নতুন করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনে এনসিপিকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান জামায়াতের আমির।
এনসিপির কার্যালয়ে পৌঁছালে শফিকুর রহমানকে স্বাগত জানান দলটির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং সংরক্ষিত এমপি ডা. মাহমুদা মিতুসহ অন্যান্য নেতারা।
এ সময় জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও প্রচার কমিটির সদস্য মুহাম্মদ জাহিদুর রহমান।
সূত্র: কালবেলা

আপনার মতামত লিখুন