মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে দৈনিক জনতা পত্রিকার ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যমকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং সংবাদপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের স্বার্থ সুরক্ষায় সরকার নীতিগত সহায়তা দিতে প্রস্তুত। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করতে হবে। রাষ্ট্র মেরামতের লক্ষ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকার যে কাজ করছে, তা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পন্ন করতে গণমাধ্যমের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, সাংবাদিকতার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো ক্ষমতাসীনদের প্রশ্নের মুখোমুখি করে জবাবদিহি নিশ্চিত করা। একটি নির্বাচিত ও গণতান্ত্রিক সরকার এমন প্রশ্নকে স্বাগত জানায়। সরকারকে যত বেশি প্রশ্নের মুখোমুখি করা হবে, তত বেশি জবাবদিহির মাধ্যমে জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা এবং কর্মকাণ্ড স্পষ্ট হবে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরও বলেন, সংবাদপত্রের মালিকরা যেন নিরাপদে বিনিয়োগ করতে পারেন এবং সেই বিনিয়োগ লাভজনক প্রক্রিয়ায় যেতে পারে, সে জন্য সরকার নীতিগত সহায়তা দেবে। একই সঙ্গে সম্পাদক, সাংবাদিক, ছাপাখানার কর্মীসহ গণমাধ্যম শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার স্বার্থ নিশ্চিত করার বিষয়েও তিনি সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
দৈনিক জনতার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি সৈয়দ এম আলতাফ হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং সম্পাদক ওবায়দুর রহমান শাহীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসিন, সাবেক সভাপতি বুলবুল আহমদসহ অন্যরা।
সূত্র: আমার দেশ

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে দৈনিক জনতা পত্রিকার ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গণমাধ্যমকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং সংবাদপত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের স্বার্থ সুরক্ষায় সরকার নীতিগত সহায়তা দিতে প্রস্তুত। রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করতে হবে। রাষ্ট্র মেরামতের লক্ষ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকার যে কাজ করছে, তা সুনির্দিষ্টভাবে সম্পন্ন করতে গণমাধ্যমের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, সাংবাদিকতার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো ক্ষমতাসীনদের প্রশ্নের মুখোমুখি করে জবাবদিহি নিশ্চিত করা। একটি নির্বাচিত ও গণতান্ত্রিক সরকার এমন প্রশ্নকে স্বাগত জানায়। সরকারকে যত বেশি প্রশ্নের মুখোমুখি করা হবে, তত বেশি জবাবদিহির মাধ্যমে জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা এবং কর্মকাণ্ড স্পষ্ট হবে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা আরও বলেন, সংবাদপত্রের মালিকরা যেন নিরাপদে বিনিয়োগ করতে পারেন এবং সেই বিনিয়োগ লাভজনক প্রক্রিয়ায় যেতে পারে, সে জন্য সরকার নীতিগত সহায়তা দেবে। একই সঙ্গে সম্পাদক, সাংবাদিক, ছাপাখানার কর্মীসহ গণমাধ্যম শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার স্বার্থ নিশ্চিত করার বিষয়েও তিনি সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।
দৈনিক জনতার সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি সৈয়দ এম আলতাফ হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং সম্পাদক ওবায়দুর রহমান শাহীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসিন, সাবেক সভাপতি বুলবুল আহমদসহ অন্যরা।
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন