বুধবার (২৬ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।
পোস্টে মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কওমি উলামায়ে কেরামদের উদ্দেশে তিনি কোনো বাহাস বা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন না। তিনি বলেন, শাব্দিক অর্থের বিবেচনায় তারা ঈদ বলে থাকেন। জসনে জুলুসের আয়োজনের পদ্ধতি নিয়ে কওমি আলেমদের কোনো দ্বিমত থাকলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মুজাকারায় বসতে তিনি প্রস্তুত।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রশাসন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতকে প্রয়োজনীয় স্পেস দেবে।
মুফতি তাহেরী আরও বলেন, আল্লাহর হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শুভ আগমন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল করা জায়েজ—এ বিষয়টি যদি প্রমাণ করতে না পারেন, তাহলে জীবনে আর কখনো ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে জসনে জুলুস আয়োজনের কথা বলবেন না।
ধর্ম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বৈষম্যের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরকে ধর্মীয় সম্প্রীতির শহরে পরিণত করতে কওমি উলামায়ে কেরামদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে তিনি প্রস্তুত।
পোস্টের শেষে তিনি ‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত জিন্দাবাদ’ উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জসনে জুলুস আয়োজনকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন ইসলামি মতাদর্শের অনুসারীদের মধ্যে আলোচনা ও মতবিরোধ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন মুফতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী।
সূত্র: দৈনিক জনবানী

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
বুধবার (২৬ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।
পোস্টে মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কওমি উলামায়ে কেরামদের উদ্দেশে তিনি কোনো বাহাস বা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন না। তিনি বলেন, শাব্দিক অর্থের বিবেচনায় তারা ঈদ বলে থাকেন। জসনে জুলুসের আয়োজনের পদ্ধতি নিয়ে কওমি আলেমদের কোনো দ্বিমত থাকলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মুজাকারায় বসতে তিনি প্রস্তুত।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রশাসন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতকে প্রয়োজনীয় স্পেস দেবে।
মুফতি তাহেরী আরও বলেন, আল্লাহর হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শুভ আগমন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল করা জায়েজ—এ বিষয়টি যদি প্রমাণ করতে না পারেন, তাহলে জীবনে আর কখনো ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে জসনে জুলুস আয়োজনের কথা বলবেন না।
ধর্ম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বৈষম্যের ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরকে ধর্মীয় সম্প্রীতির শহরে পরিণত করতে কওমি উলামায়ে কেরামদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে তিনি প্রস্তুত।
পোস্টের শেষে তিনি ‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত জিন্দাবাদ’ উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জসনে জুলুস আয়োজনকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন ইসলামি মতাদর্শের অনুসারীদের মধ্যে আলোচনা ও মতবিরোধ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন মুফতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী।
সূত্র: দৈনিক জনবানী

আপনার মতামত লিখুন