আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে তাঁর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে। কারণ এ দিনে তাঁর উম্মতের দরুদ তাঁর কাছে পৌঁছানো হয়। যে ব্যক্তি তাঁর ওপর সর্বাধিক দরুদ পাঠ করবে, কেয়ামতের দিন সে তাঁর সবচেয়ে নিকটবর্তী হবে। (তারগিব, হাদিস নং : ১৫৭)
আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে। এ বিষয়ে জিবরাঈল (আ.) আল্লাহতাআলার বাণী নিয়ে তাঁর কাছে উপস্থিত হন। আল্লাহতাআলা বলেন, পৃথিবীর কোনো মুসলমান নবী (সা.)-এর ওপর একবার দরুদ পাঠ করলে তিনি তার ওপর ১০ বার রহমত নাজিল করেন এবং তাঁর ফেরেশতারা ওই ব্যক্তির জন্য ১০ বার ইস্তেগফার করেন। (তারগিব : ৩/২৯৯)
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, তাঁর ওপর দরুদ পাঠ পুলসিরাত পার হওয়ার সময় আলো হিসেবে কাজ করবে। আর যে ব্যক্তি জুমার দিনে ৮০ বার দরুদ পাঠ করবে, তার ৮০ বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।
অন্য এক রেওয়ায়েতে নবী করিম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন আসরের নামাজের পর নিজ স্থান থেকে ওঠার আগে ৮০ বার এই দরুদ শরিফ পাঠ করবে—‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিইয়্যিল উম্মিইয়ি ওয়া আলা আলিহি ওয়া আস হাবিহি ওয়াসাল্লিমু তাসলিমা’। তার ৮০ বছরের পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে এবং তার আমলনামায় ৮০ বছরের ইবাদতের সওয়াব লেখা হবে। (আফজালুস সালাওয়াত : ২৬)
আলী (রা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিনে নবী করিম (সা.)-এর ওপর ১০০ বার দরুদ পাঠ করবে, কেয়ামতের দিন সে এমন অবস্থায় উঠবে যে তার চেহারার নূরের জ্যোতি দেখে মানুষ পরস্পর বলাবলি করবে—এই ব্যক্তি কী আমল করেছিল! (কানজুল উম্মাল, হাদিস নং : ১৭৪)
আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে তাঁর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে। কারণ এটি একটি মোবারক দিন এবং এ দিনে ফেরেশতারা উপস্থিত হন। কোনো ব্যক্তি তাঁর ওপর দরুদ পাঠ করলে তা পাঠ করার আগেই তাঁর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
আবু দারদা (রা.) জানতে চান, রাসুল (সা.)-এর ইন্তেকালের পরও কি দরুদ তাঁর কাছে পৌঁছানো হবে? জবাবে রাসুল (সা.) বলেন, ইন্তেকালের পরও তা তাঁর কাছে পৌঁছানো হবে। কারণ আল্লাহতাআলা জমিনের জন্য সব নবীর দেহ হারাম করে দিয়েছেন। (তারগিব : ৩/৩০৩)
আল্লাহতাআলা আমাদের প্রত্যেককে প্রিয় নবী (সা.)-এর প্রতি বেশি বেশি দরুদ পাঠ করার তওফিক দান করুন।
সূত্র: বাংলানিউজ

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে তাঁর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে। কারণ এ দিনে তাঁর উম্মতের দরুদ তাঁর কাছে পৌঁছানো হয়। যে ব্যক্তি তাঁর ওপর সর্বাধিক দরুদ পাঠ করবে, কেয়ামতের দিন সে তাঁর সবচেয়ে নিকটবর্তী হবে। (তারগিব, হাদিস নং : ১৫৭)
আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে। এ বিষয়ে জিবরাঈল (আ.) আল্লাহতাআলার বাণী নিয়ে তাঁর কাছে উপস্থিত হন। আল্লাহতাআলা বলেন, পৃথিবীর কোনো মুসলমান নবী (সা.)-এর ওপর একবার দরুদ পাঠ করলে তিনি তার ওপর ১০ বার রহমত নাজিল করেন এবং তাঁর ফেরেশতারা ওই ব্যক্তির জন্য ১০ বার ইস্তেগফার করেন। (তারগিব : ৩/২৯৯)
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, তাঁর ওপর দরুদ পাঠ পুলসিরাত পার হওয়ার সময় আলো হিসেবে কাজ করবে। আর যে ব্যক্তি জুমার দিনে ৮০ বার দরুদ পাঠ করবে, তার ৮০ বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।
অন্য এক রেওয়ায়েতে নবী করিম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিন আসরের নামাজের পর নিজ স্থান থেকে ওঠার আগে ৮০ বার এই দরুদ শরিফ পাঠ করবে—‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিইয়্যিল উম্মিইয়ি ওয়া আলা আলিহি ওয়া আস হাবিহি ওয়াসাল্লিমু তাসলিমা’। তার ৮০ বছরের পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে এবং তার আমলনামায় ৮০ বছরের ইবাদতের সওয়াব লেখা হবে। (আফজালুস সালাওয়াত : ২৬)
আলী (রা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিনে নবী করিম (সা.)-এর ওপর ১০০ বার দরুদ পাঠ করবে, কেয়ামতের দিন সে এমন অবস্থায় উঠবে যে তার চেহারার নূরের জ্যোতি দেখে মানুষ পরস্পর বলাবলি করবে—এই ব্যক্তি কী আমল করেছিল! (কানজুল উম্মাল, হাদিস নং : ১৭৪)
আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে তাঁর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে। কারণ এটি একটি মোবারক দিন এবং এ দিনে ফেরেশতারা উপস্থিত হন। কোনো ব্যক্তি তাঁর ওপর দরুদ পাঠ করলে তা পাঠ করার আগেই তাঁর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
আবু দারদা (রা.) জানতে চান, রাসুল (সা.)-এর ইন্তেকালের পরও কি দরুদ তাঁর কাছে পৌঁছানো হবে? জবাবে রাসুল (সা.) বলেন, ইন্তেকালের পরও তা তাঁর কাছে পৌঁছানো হবে। কারণ আল্লাহতাআলা জমিনের জন্য সব নবীর দেহ হারাম করে দিয়েছেন। (তারগিব : ৩/৩০৩)
আল্লাহতাআলা আমাদের প্রত্যেককে প্রিয় নবী (সা.)-এর প্রতি বেশি বেশি দরুদ পাঠ করার তওফিক দান করুন।
সূত্র: বাংলানিউজ

আপনার মতামত লিখুন