ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

সারাদেশ

প্রাকৃতিক খাদ্য রং তৈরি করে সাড়া ফেলেছেন বরিশালের নারী উদ্যোক্তা

প্রাকৃতিক খাদ্য রং তৈরি করে সাড়া ফেলেছেন বরিশালের নারী উদ্যোক্তা
প্রাকৃতিক খাদ্য রং তৈরি করে সাড়া ফেলেছেন বরিশালের নারী উদ্যোক্তা

বরিশালে প্রথমবারের মতো দেশীয় ফল, শাকসবজি, গাছের ছাল ও ফুলের নির্যাস ব্যবহার করে প্রাকৃতিক খাদ্য রং (ন্যাচারাল ফুড কালার) তৈরি করে প্রশংসিত হয়েছেন নারী উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌস। কৃত্রিম কেমিক্যালনির্ভর খাদ্য রঙের বিকল্প হিসেবে তার এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।

জানা গেছে, দেশীয় বিভিন্ন ফল, শাকসবজি, গাছের ছাল ও ফুলের রস থেকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় তিনি খাদ্য রং তৈরি করছেন। এসব রং ব্যবহার করে পিঠা, লাড্ডু, কেক, ক্যান্ডিসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য তৈরি করা হচ্ছে। তার এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছে বরিশাল বিভাগীয় কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।

বিষয়টি নিয়ে গত বৃহস্পতিবার সকালে সফল নারী উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌসকে সঙ্গে নিয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিভাগীয় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

মতবিনিময়কালে বিভাগীয় কমিশনার জান্নাতুল ফেরদৌসের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তার গবেষণা ও উৎপাদন কার্যক্রম আরও এগিয়ে নিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

নারী উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌস আমার দেশকে জানান, বর্তমানে তিনি নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন সংস্থার বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৬ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার মাধ্যমে ব্লক-বাটিকের কাজ শুরু করেন তিনি। পাশাপাশি শখের বশে রান্নার দক্ষতা অর্জন করেন। বিশেষ করে হোমমেড খাবার ও বিভিন্ন ধরনের পিঠাপুলি তৈরিতে দক্ষতা অর্জন করেন।

দীর্ঘদিন এসব কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার পর ২০২৪ সালে গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বারি) থেকে আচার, জ্যাম-জেলি, বিস্কুট এবং বিভিন্ন ধরনের মসলা প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন তিনি।

জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, ২০২৫ সাল থেকে বরিশালের নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে নিজ উদ্যোগে একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালু করেছেন। সেখানে প্রতি মাসে অন্তত দুবার নারীদের বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

একই বছর বরিশাল নগরীর কাউনিয়া এলাকায় ‘জে টেস্টি নেস্ট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন তিনি। সেখানে ড্রাগন ফল, অপরাজিতা ফুল, গাজর, জবা ফুল, বিট রুট, পালং শাক, পুঁই শাকসহ বিভিন্ন দেশীয় উপাদান ব্যবহার করে প্রাকৃতিক খাদ্যরঙ তৈরি করছেন। এসব রং দিয়ে পিঠা, লাড্ডু, কেক, ক্যান্ডিসহ নানা খাদ্যপণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, বর্তমানে তার তৈরি প্রাকৃতিক খাদ্যরঙের সর্বোচ্চ সংরক্ষণকাল ১০ দিন। এরপর এর গুণগত মান নষ্ট হয়ে যায়। তাই বাজারজাত করতে হলে এর সংরক্ষণকাল বাড়ানোর প্রযুক্তি প্রয়োজন। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পেলে খাদ্যরঙের সংরক্ষণক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব বলে তিনি আশা করছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রাকৃতিক খাদ্যরঙের ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি কার্যকর বাজারব্যবস্থা তৈরি করা গেলে দেশের ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশে উৎপাদিত নিরাপদ খাদ্যপণ্য রপ্তানির সুযোগও তৈরি হবে।

এদিকে গতকাল বুধবার সকালে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের কাছে ফলের রস থেকে তৈরি প্রাকৃতিক রং দিয়ে প্রস্তুত করা পিঠা, লাড্ডু ও কেক প্রদর্শন করেন নারী উদ্যোক্তা এবং জে-টেস্টি নেস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জান্নাতুল ফেরদৌস।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সূত্র জানায়, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে জান্নাতুল ফেরদৌসকে দেশীয় বিভিন্ন ফল, শাকসবজি ও ফুল থেকে প্রাকৃতিক রং তৈরির বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। খুলনায় তিন দিন এবং ঢাকায় কৃষি বিপণন অধিদপ্তরে প্রশিক্ষণসহ মোট ছয় দিনের প্রশিক্ষণ শেষে তিনি সফলভাবে এই পদ্ধতি আয়ত্ত করেন।

বরিশাল বিভাগীয় কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (দায়িত্বপ্রাপ্ত) মাহবুব আলম বলেন, প্রতিবছর বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ কৃত্রিম খাদ্য রং আমদানি করতে হয়। দেশীয় ফল ও কৃষিপণ্য থেকে প্রাকৃতিক রং তৈরি করে খাদ্যে ব্যবহার করা গেলে একদিকে ভোক্তারা স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পাবেন, অন্যদিকে বিদেশ থেকে খাদ্যরং আমদানিতে ব্যয় হওয়া বিপুল অর্থ সাশ্রয় হবে।

দেশের শিক্ষিত ও আগ্রহী উদ্যোক্তাদের এ ধরনের উদ্যোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ। তিনি আমার দেশকে বলেন, দেশীয় ফল, শাকসবজি ও ফুল থেকে প্রাকৃতিক রং তৈরি করে খাবারে ব্যবহারের উদ্যোগটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে কৃত্রিম রঙের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। এর ফলে শিশুসহ সব বয়সী মানুষ কম-বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন। স্বাস্থ্যঝুঁকি কমিয়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্ভাবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের খাবারে প্রাকৃতিক রঙের ব্যবহার বাড়ানো গেলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক হবে।

সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


প্রাকৃতিক খাদ্য রং তৈরি করে সাড়া ফেলেছেন বরিশালের নারী উদ্যোক্তা

প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বরিশালে প্রথমবারের মতো দেশীয় ফল, শাকসবজি, গাছের ছাল ও ফুলের নির্যাস ব্যবহার করে প্রাকৃতিক খাদ্য রং (ন্যাচারাল ফুড কালার) তৈরি করে প্রশংসিত হয়েছেন নারী উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌস। কৃত্রিম কেমিক্যালনির্ভর খাদ্য রঙের বিকল্প হিসেবে তার এই উদ্যোগ ইতোমধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।

জানা গেছে, দেশীয় বিভিন্ন ফল, শাকসবজি, গাছের ছাল ও ফুলের রস থেকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় তিনি খাদ্য রং তৈরি করছেন। এসব রং ব্যবহার করে পিঠা, লাড্ডু, কেক, ক্যান্ডিসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য তৈরি করা হচ্ছে। তার এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছে বরিশাল বিভাগীয় কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।

বিষয়টি নিয়ে গত বৃহস্পতিবার সকালে সফল নারী উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌসকে সঙ্গে নিয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিভাগীয় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

মতবিনিময়কালে বিভাগীয় কমিশনার জান্নাতুল ফেরদৌসের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তার গবেষণা ও উৎপাদন কার্যক্রম আরও এগিয়ে নিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

নারী উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌস আমার দেশকে জানান, বর্তমানে তিনি নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন সংস্থার বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৬ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়ার মাধ্যমে ব্লক-বাটিকের কাজ শুরু করেন তিনি। পাশাপাশি শখের বশে রান্নার দক্ষতা অর্জন করেন। বিশেষ করে হোমমেড খাবার ও বিভিন্ন ধরনের পিঠাপুলি তৈরিতে দক্ষতা অর্জন করেন।

দীর্ঘদিন এসব কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার পর ২০২৪ সালে গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বারি) থেকে আচার, জ্যাম-জেলি, বিস্কুট এবং বিভিন্ন ধরনের মসলা প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন তিনি।

জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, ২০২৫ সাল থেকে বরিশালের নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে নিজ উদ্যোগে একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালু করেছেন। সেখানে প্রতি মাসে অন্তত দুবার নারীদের বিভিন্ন বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

একই বছর বরিশাল নগরীর কাউনিয়া এলাকায় ‘জে টেস্টি নেস্ট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন তিনি। সেখানে ড্রাগন ফল, অপরাজিতা ফুল, গাজর, জবা ফুল, বিট রুট, পালং শাক, পুঁই শাকসহ বিভিন্ন দেশীয় উপাদান ব্যবহার করে প্রাকৃতিক খাদ্যরঙ তৈরি করছেন। এসব রং দিয়ে পিঠা, লাড্ডু, কেক, ক্যান্ডিসহ নানা খাদ্যপণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, বর্তমানে তার তৈরি প্রাকৃতিক খাদ্যরঙের সর্বোচ্চ সংরক্ষণকাল ১০ দিন। এরপর এর গুণগত মান নষ্ট হয়ে যায়। তাই বাজারজাত করতে হলে এর সংরক্ষণকাল বাড়ানোর প্রযুক্তি প্রয়োজন। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পেলে খাদ্যরঙের সংরক্ষণক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব বলে তিনি আশা করছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রাকৃতিক খাদ্যরঙের ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি কার্যকর বাজারব্যবস্থা তৈরি করা গেলে দেশের ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশে উৎপাদিত নিরাপদ খাদ্যপণ্য রপ্তানির সুযোগও তৈরি হবে।

এদিকে গতকাল বুধবার সকালে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের কাছে ফলের রস থেকে তৈরি প্রাকৃতিক রং দিয়ে প্রস্তুত করা পিঠা, লাড্ডু ও কেক প্রদর্শন করেন নারী উদ্যোক্তা এবং জে-টেস্টি নেস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জান্নাতুল ফেরদৌস।

কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সূত্র জানায়, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে জান্নাতুল ফেরদৌসকে দেশীয় বিভিন্ন ফল, শাকসবজি ও ফুল থেকে প্রাকৃতিক রং তৈরির বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। খুলনায় তিন দিন এবং ঢাকায় কৃষি বিপণন অধিদপ্তরে প্রশিক্ষণসহ মোট ছয় দিনের প্রশিক্ষণ শেষে তিনি সফলভাবে এই পদ্ধতি আয়ত্ত করেন।

বরিশাল বিভাগীয় কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (দায়িত্বপ্রাপ্ত) মাহবুব আলম বলেন, প্রতিবছর বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ কৃত্রিম খাদ্য রং আমদানি করতে হয়। দেশীয় ফল ও কৃষিপণ্য থেকে প্রাকৃতিক রং তৈরি করে খাদ্যে ব্যবহার করা গেলে একদিকে ভোক্তারা স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পাবেন, অন্যদিকে বিদেশ থেকে খাদ্যরং আমদানিতে ব্যয় হওয়া বিপুল অর্থ সাশ্রয় হবে।

দেশের শিক্ষিত ও আগ্রহী উদ্যোক্তাদের এ ধরনের উদ্যোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ। তিনি আমার দেশকে বলেন, দেশীয় ফল, শাকসবজি ও ফুল থেকে প্রাকৃতিক রং তৈরি করে খাবারে ব্যবহারের উদ্যোগটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে কৃত্রিম রঙের ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। এর ফলে শিশুসহ সব বয়সী মানুষ কম-বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ছেন। স্বাস্থ্যঝুঁকি কমিয়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্ভাবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে শিশুদের খাবারে প্রাকৃতিক রঙের ব্যবহার বাড়ানো গেলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক হবে।

সূত্র: আমার দেশ


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
প্রাকৃতিক খাদ্য রং তৈরি করে সাড়া ফেলেছেন বরিশালের নারী উদ্যোক্তা
0:00 0:00
1.0x