প্রাচীন রেলের শহর সিরাজগঞ্জকে বঞ্চিত করে সিরাজগঞ্জ–বগুড়া রেলপথ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলন কমিটি। সংগঠনটির নেতারা বলেন, সিরাজগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের আন্দোলনের ফসল হিসেবে এ মহাপ্রকল্প বাস্তবায়নের পথে এলেও এখন শহরকে বাদ দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টায় শহরের বাজার স্টেশন চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা বলেন, একসময় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেলশহর ছিল সিরাজগঞ্জ। এখান থেকে সরাসরি কলকাতার সঙ্গে ট্রেন যোগাযোগ ছিল এবং শহরে চারটি রেলওয়ে স্টেশন ও যমুনা নদীবন্দরকে কেন্দ্র করে ব্যবসা-বাণিজ্যের সমৃদ্ধ ইতিহাস গড়ে উঠেছিল। অথচ কালক্রমে শহরটি রেলশূন্য হয়ে পড়েছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রস্তাবিত সিরাজগঞ্জ–বগুড়া রেলপথ প্রকল্পেও সিরাজগঞ্জ শহরকে পুরোপুরি বঞ্চিত করা হচ্ছে। তারা শহরের রায়পুর এলাকায় রেল জংশন নির্মাণের দাবি জানিয়ে বলেন, এ দাবি উপেক্ষা করা হলে সিরাজগঞ্জবাসী কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।
সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলনের আহ্বায়ক মাহবুব-এ-খোদা টুটুলের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব তারিকুজ্জামান টরিকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সভাপতি কমরেড ইসমাইল হোসেন, বাসদের আহ্বায়ক নব কুমার কর্মকার, ঢাকা ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার সোহরাব আলী খান, কালবেলার সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি, সিরাজগন্ওজ ইনসাফ নিউজ জেলা প্রতিনিধি ও জনতার কণ্ঠ সম্পাদক স্বপন চন্দ্র দাস, ব্যবসায়ী রবিউল হাকিম বিজু, তৃণমূল হিন্দু নেতা রতন কুমার বাঁশফোড়, শিক্ষক সঞ্জয় কুমার গৌর, মশিউর রহমান, রায়হানসহ অনেকে উপস্থিতি ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রাচীন রেলের শহর সিরাজগঞ্জকে বঞ্চিত করে সিরাজগঞ্জ–বগুড়া রেলপথ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ মেনে নেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলন কমিটি। সংগঠনটির নেতারা বলেন, সিরাজগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের আন্দোলনের ফসল হিসেবে এ মহাপ্রকল্প বাস্তবায়নের পথে এলেও এখন শহরকে বাদ দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ১০টায় শহরের বাজার স্টেশন চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা বলেন, একসময় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেলশহর ছিল সিরাজগঞ্জ। এখান থেকে সরাসরি কলকাতার সঙ্গে ট্রেন যোগাযোগ ছিল এবং শহরে চারটি রেলওয়ে স্টেশন ও যমুনা নদীবন্দরকে কেন্দ্র করে ব্যবসা-বাণিজ্যের সমৃদ্ধ ইতিহাস গড়ে উঠেছিল। অথচ কালক্রমে শহরটি রেলশূন্য হয়ে পড়েছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রস্তাবিত সিরাজগঞ্জ–বগুড়া রেলপথ প্রকল্পেও সিরাজগঞ্জ শহরকে পুরোপুরি বঞ্চিত করা হচ্ছে। তারা শহরের রায়পুর এলাকায় রেল জংশন নির্মাণের দাবি জানিয়ে বলেন, এ দাবি উপেক্ষা করা হলে সিরাজগঞ্জবাসী কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।
সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলনের আহ্বায়ক মাহবুব-এ-খোদা টুটুলের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব তারিকুজ্জামান টরিকের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সভাপতি কমরেড ইসমাইল হোসেন, বাসদের আহ্বায়ক নব কুমার কর্মকার, ঢাকা ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার সোহরাব আলী খান, কালবেলার সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি, সিরাজগন্ওজ ইনসাফ নিউজ জেলা প্রতিনিধি ও জনতার কণ্ঠ সম্পাদক স্বপন চন্দ্র দাস, ব্যবসায়ী রবিউল হাকিম বিজু, তৃণমূল হিন্দু নেতা রতন কুমার বাঁশফোড়, শিক্ষক সঞ্জয় কুমার গৌর, মশিউর রহমান, রায়হানসহ অনেকে উপস্থিতি ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন