তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ—এই পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বরাদ্দের অর্থে অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় মনোনয়ন এবং জাতীয় প্রতীকে নির্বাচনের বিধান বাতিল করা হয়েছে। ফলে স্থানীয় সরকারের এসব নির্বাচন সাধারণ প্রতীকে এবং নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
এর আগে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মীর শাহে আলম বলেন, বগুড়া-২ আসনের শিবগঞ্জ উপজেলাকে ভাগ করে মোকামতলা উপজেলা গঠন করা হয়েছে। সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করার প্রত্যাশা থেকেই তারা সেখানে উপস্থিত হয়েছেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন পরিচালনার পুরো দায়িত্ব মাঠপর্যায়ে নির্বাচন কমিশনই সম্পন্ন করবে। এ জন্য নির্বাচন কমিশনকে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। তফসিল ঘোষণা, ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ, প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ, পোলিং এজেন্ট নিয়োগসহ নির্বাচনের সার্বিক কার্যক্রম নির্বাচন কমিশন পরিচালনা করবে।
তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি শেষ হওয়ার পর স্থানীয় সরকার বিভাগ ও অর্থ বিভাগ পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে কোন নির্বাচন আগে এবং কোনটি পরে অনুষ্ঠিত হবে, তা ঠিক করবে।
সরকারের ‘গ্রিন সিগন্যাল’ প্রয়োজন কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, নির্বাচনের জন্য সরকারের কোনো ‘গ্রিন সিগন্যালের’ প্রয়োজন নেই। নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতি সম্পন্ন করে তফসিল দিতে চাইলে তারা সেটি করতে পারবে। কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানালে সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ ও প্রশাসনিক সহায়তা দেবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা স্থানীয় সরকারবিষয়ক পাঁচটি অধ্যাদেশ নতুন সরকার জাতীয় সংসদে আইন হিসেবে পাস করেছে। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ—এই পাঁচ আইনে দলীয় মনোনয়ন এবং জাতীয় প্রতীকে নির্বাচনের বিধান বাতিল করা হয়েছে।
এর ফলে এসব নির্বাচন সাধারণ প্রতীকে ও নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। তবে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান বজায় রেখে প্রার্থীদের সমর্থন করতে পারবে বলেও জানান তিনি।
মীর শাহে আলম বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জেলা পর্যায়ের নেতাদের পর্যায়ক্রমে প্রতি শুক্র ও শনিবার গুলশান কার্যালয়ে ডেকে বৈঠক করছেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সেখানে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, দলীয় সমর্থন দেওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হওয়া, সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং নির্বাচনে জয়লাভের সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ—এই পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন এ বরাদ্দের অর্থে অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় মনোনয়ন এবং জাতীয় প্রতীকে নির্বাচনের বিধান বাতিল করা হয়েছে। ফলে স্থানীয় সরকারের এসব নির্বাচন সাধারণ প্রতীকে এবং নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
এর আগে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মীর শাহে আলম বলেন, বগুড়া-২ আসনের শিবগঞ্জ উপজেলাকে ভাগ করে মোকামতলা উপজেলা গঠন করা হয়েছে। সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু করার প্রত্যাশা থেকেই তারা সেখানে উপস্থিত হয়েছেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন পরিচালনার পুরো দায়িত্ব মাঠপর্যায়ে নির্বাচন কমিশনই সম্পন্ন করবে। এ জন্য নির্বাচন কমিশনকে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। তফসিল ঘোষণা, ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ, প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ, পোলিং এজেন্ট নিয়োগসহ নির্বাচনের সার্বিক কার্যক্রম নির্বাচন কমিশন পরিচালনা করবে।
তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি শেষ হওয়ার পর স্থানীয় সরকার বিভাগ ও অর্থ বিভাগ পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে কোন নির্বাচন আগে এবং কোনটি পরে অনুষ্ঠিত হবে, তা ঠিক করবে।
সরকারের ‘গ্রিন সিগন্যাল’ প্রয়োজন কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, নির্বাচনের জন্য সরকারের কোনো ‘গ্রিন সিগন্যালের’ প্রয়োজন নেই। নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতি সম্পন্ন করে তফসিল দিতে চাইলে তারা সেটি করতে পারবে। কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানালে সরকার প্রয়োজনীয় অর্থ ও প্রশাসনিক সহায়তা দেবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা স্থানীয় সরকারবিষয়ক পাঁচটি অধ্যাদেশ নতুন সরকার জাতীয় সংসদে আইন হিসেবে পাস করেছে। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ—এই পাঁচ আইনে দলীয় মনোনয়ন এবং জাতীয় প্রতীকে নির্বাচনের বিধান বাতিল করা হয়েছে।
এর ফলে এসব নির্বাচন সাধারণ প্রতীকে ও নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। তবে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান বজায় রেখে প্রার্থীদের সমর্থন করতে পারবে বলেও জানান তিনি।
মীর শাহে আলম বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জেলা পর্যায়ের নেতাদের পর্যায়ক্রমে প্রতি শুক্র ও শনিবার গুলশান কার্যালয়ে ডেকে বৈঠক করছেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সেখানে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, দলীয় সমর্থন দেওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হওয়া, সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং নির্বাচনে জয়লাভের সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন