এর আগে গত ১৮ জুলাই কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট খোলা হয়েছিল। এক মাসের ব্যবধানে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা আবারও বেড়ে যাওয়ায় এবার জলকপাট খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তিতে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহামুদ হাসান জানান, শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট এমএসএল। হ্রদটির সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।
উজান ও ভাটি এলাকার পানি ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে শনিবার রাত ১০টার দিকে স্পিলওয়ের ১৬টি গেট ৬ ইঞ্চি করে তুলে হ্রদ থেকে পানি নিষ্কাশন শুরু করা হতে পারে। এতে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি বের হবে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে হ্রদের পানির উচ্চতা, ইনফ্লো ও বৃষ্টিপাতসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বৃষ্টিপাত, পানির উচ্চতা ও ইনফ্লোর পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে স্পিলওয়ে খোলার সময় এগিয়ে বা পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে। ইনফ্লো বেড়ে গেলে পর্যায়ক্রমে স্পিলওয়ের গেট খোলার পরিমাণও বাড়ানো হবে।
এদিকে বর্তমানে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু থাকায় প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে।
বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাপ্তাই হ্রদ থেকে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করা হলেও এর তেমন প্রভাব কর্ণফুলী নদীতে পড়বে না। তবে কর্ণফুলী নদীতে জোয়ারের কারণে পানির উচ্চতা বেড়ে গেলে নদীর তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
সূত্র: কালবেলা

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
এর আগে গত ১৮ জুলাই কাপ্তাই বাঁধের জলকপাট খোলা হয়েছিল। এক মাসের ব্যবধানে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা আবারও বেড়ে যাওয়ায় এবার জলকপাট খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তিতে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহামুদ হাসান জানান, শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট এমএসএল। হ্রদটির সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।
উজান ও ভাটি এলাকার পানি ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে শনিবার রাত ১০টার দিকে স্পিলওয়ের ১৬টি গেট ৬ ইঞ্চি করে তুলে হ্রদ থেকে পানি নিষ্কাশন শুরু করা হতে পারে। এতে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি বের হবে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে হ্রদের পানির উচ্চতা, ইনফ্লো ও বৃষ্টিপাতসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বৃষ্টিপাত, পানির উচ্চতা ও ইনফ্লোর পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে স্পিলওয়ে খোলার সময় এগিয়ে বা পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে। ইনফ্লো বেড়ে গেলে পর্যায়ক্রমে স্পিলওয়ের গেট খোলার পরিমাণও বাড়ানো হবে।
এদিকে বর্তমানে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু থাকায় প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে।
বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাপ্তাই হ্রদ থেকে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করা হলেও এর তেমন প্রভাব কর্ণফুলী নদীতে পড়বে না। তবে কর্ণফুলী নদীতে জোয়ারের কারণে পানির উচ্চতা বেড়ে গেলে নদীর তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
সূত্র: কালবেলা

আপনার মতামত লিখুন