শনিবার রাতে এবং রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় পুলিশের পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি রিপন, সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন শান্ত এবং বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ। এ ঘটনায় আরও একজন পলাতক রয়েছেন। মামলার এজাহারে তার নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মির্জা তারেক বেগ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এক প্রবাসীর ভাইয়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ওই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।
এর আগে ২৯ আগস্ট মো. সুমন বিমানবন্দর থানায় এ ঘটনায় মামলা করেন। মামলায় বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফকে ১ নম্বর আসামি, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি রিপনকে ২ নম্বর, সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন শান্তকে ৩ নম্বর এবং বিমানবন্দর সাংগঠনিক ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুবেলকে ৪ নম্বর আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বাদী মো. সুমন জানান, তার বড় ভাই কাউসার মালয়েশিয়ায় প্রবাসী। গত ২৮ আগস্ট বিয়ে ও পারিবারিক ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তিনি মালয়েশিয়া থেকে ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার পাঠান।
পরে সুমন তার বন্ধু রোহান চৌধুরীকে নিয়ে রাত ৮টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তার বড় ভাইয়ের পরিচিত এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১০০ গ্রাম করে মোট ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার বুঝে নেন। এরপর তারা ভাড়া করা একটি মাইক্রোবাসে বিমানবন্দর এলাকা ত্যাগ করেন।
এজাহারে বলা হয়, রাত ৮টা ৫ মিনিটের দিকে বিমানবন্দর থানার আওতাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বলাকা ভবনের বিপরীত পাশের সড়কে পৌঁছালে আসামিরা তাদের গাড়ির গতিরোধ করেন। সুমন ও রোহান মাইক্রোবাস থেকে নামার পর আসামিরা তাদের ঘিরে ফেলেন। এ সময় তাদের আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ তুলে এবং তাদের কাছে বোমা রয়েছে বলে উল্লেখ করে মারধর করা হয়।
একপর্যায়ে তাদের কাছে থাকা ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার নিয়ে আসামিরা সেখান থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
এ সময় স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে সুমন ও রোহানকে উদ্ধারের উদ্যোগ নেন। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, এক পথচারী কৌশলে তার মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন।
পরে ঘটনাস্থলে আরও মানুষ জড়ো হলে আসামিরা ছিনিয়ে নেওয়া স্বর্ণালংকার নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান।
সূত্র: যুগান্তর

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
শনিবার রাতে এবং রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় পুলিশের পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন—বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি রিপন, সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন শান্ত এবং বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ। এ ঘটনায় আরও একজন পলাতক রয়েছেন। মামলার এজাহারে তার নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মির্জা তারেক বেগ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এক প্রবাসীর ভাইয়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ওই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।
এর আগে ২৯ আগস্ট মো. সুমন বিমানবন্দর থানায় এ ঘটনায় মামলা করেন। মামলায় বিমানবন্দর সাংগঠনিক ইউনিট বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফকে ১ নম্বর আসামি, বিমানবন্দর থানা ছাত্রদলের সভাপতি রিপনকে ২ নম্বর, সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন শান্তকে ৩ নম্বর এবং বিমানবন্দর সাংগঠনিক ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুবেলকে ৪ নম্বর আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে বাদী মো. সুমন জানান, তার বড় ভাই কাউসার মালয়েশিয়ায় প্রবাসী। গত ২৮ আগস্ট বিয়ে ও পারিবারিক ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তিনি মালয়েশিয়া থেকে ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার পাঠান।
পরে সুমন তার বন্ধু রোহান চৌধুরীকে নিয়ে রাত ৮টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তার বড় ভাইয়ের পরিচিত এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১০০ গ্রাম করে মোট ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার বুঝে নেন। এরপর তারা ভাড়া করা একটি মাইক্রোবাসে বিমানবন্দর এলাকা ত্যাগ করেন।
এজাহারে বলা হয়, রাত ৮টা ৫ মিনিটের দিকে বিমানবন্দর থানার আওতাধীন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বলাকা ভবনের বিপরীত পাশের সড়কে পৌঁছালে আসামিরা তাদের গাড়ির গতিরোধ করেন। সুমন ও রোহান মাইক্রোবাস থেকে নামার পর আসামিরা তাদের ঘিরে ফেলেন। এ সময় তাদের আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ তুলে এবং তাদের কাছে বোমা রয়েছে বলে উল্লেখ করে মারধর করা হয়।
একপর্যায়ে তাদের কাছে থাকা ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার নিয়ে আসামিরা সেখান থেকে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
এ সময় স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে সুমন ও রোহানকে উদ্ধারের উদ্যোগ নেন। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, এক পথচারী কৌশলে তার মোবাইল ফোনের ক্যামেরায় পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন।
পরে ঘটনাস্থলে আরও মানুষ জড়ো হলে আসামিরা ছিনিয়ে নেওয়া স্বর্ণালংকার নিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যান।
সূত্র: যুগান্তর

আপনার মতামত লিখুন