সহজ-সরল শৈশবকে বিস্কুটের লোভে আটকে দিয়ে এক ভয়াবহ পাশবিকতার শিকার হলো ছয় বছরের এক শিশু। ভোলার মনপুরায় ঘটে যাওয়া এই নির্মম ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল শিশু আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটে গত ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) দুপুর সাড়ে ১২টায়, উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, খোকন মিয়ার ছেলে (অভিযুক্ত কিশোর) শিশুটিকে বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে নিজ বসতঘরে নিয়ে যায় এবং দরজা বন্ধ করে তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। শিশুটির চিৎকার শুনে মা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান, সন্তানের পায়জামা বেয়ে রক্ত পড়ছে।
ঘটনার পর স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ও প্রতিবেশীরা বিষয়টি ঘরোয়া আপস-রফাদফার নামে তিন দিন ঝুলিয়ে রাখে। শেষ পর্যন্ত কোনো বিচার না পেয়ে এবং সুবিচারের আসায় নির্যাতিতা শিশুর মা বাদী হয়ে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরপরই মনপুরা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তার করে। রোববার দুপুর ১২টায় তাকে বরিশাল শিশু আদালতে পাঠানো হয়। একই সাথে নির্যাতিতা শিশুটিকে শারীরিক পরীক্ষার (ডাক্তারি পরীক্ষা) জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, "ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং আইনানুযায়ী তাকে শিশু আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।"
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
সহজ-সরল শৈশবকে বিস্কুটের লোভে আটকে দিয়ে এক ভয়াবহ পাশবিকতার শিকার হলো ছয় বছরের এক শিশু। ভোলার মনপুরায় ঘটে যাওয়া এই নির্মম ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তার করে বরিশাল শিশু আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটে গত ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) দুপুর সাড়ে ১২টায়, উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের রহমানপুর গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, খোকন মিয়ার ছেলে (অভিযুক্ত কিশোর) শিশুটিকে বিস্কুটের প্রলোভন দেখিয়ে নিজ বসতঘরে নিয়ে যায় এবং দরজা বন্ধ করে তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। শিশুটির চিৎকার শুনে মা ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান, সন্তানের পায়জামা বেয়ে রক্ত পড়ছে।
ঘটনার পর স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী ও প্রতিবেশীরা বিষয়টি ঘরোয়া আপস-রফাদফার নামে তিন দিন ঝুলিয়ে রাখে। শেষ পর্যন্ত কোনো বিচার না পেয়ে এবং সুবিচারের আসায় নির্যাতিতা শিশুর মা বাদী হয়ে মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরপরই মনপুরা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তার করে। রোববার দুপুর ১২টায় তাকে বরিশাল শিশু আদালতে পাঠানো হয়। একই সাথে নির্যাতিতা শিশুটিকে শারীরিক পরীক্ষার (ডাক্তারি পরীক্ষা) জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, "ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং আইনানুযায়ী তাকে শিশু আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।"
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন