সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন তিনি। ওই অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে একটি স্মৃতির কথা তুলে ধরে আমির হামজা হাসতে হাসতে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সবাই দেখা করেছে, আমিও হাত মেলাতে গেছি। আমাকে তিনি বলেছেন, আপনিও তো প্রধানমন্ত্রী। আমি বললাম, এটা তো আমি রূপক অর্থে বলেছি।’
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একটি দেশে প্রধানমন্ত্রী কয়জন থাকে! কুষ্টিয়া তো কোনো দেশ নয়, একটি জেলা। একটি আসনে কেউ প্রধানমন্ত্রী হয়! পাগলেও বুঝবে, কথাটি রূপক অর্থে বলা হয়েছে।’
হলফনামার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘হলফনামা দিয়েছি, পাঁচ বছরে আমার সম্পদ এক টাকাও বাড়বে না। তাহলে আপনার কাছে অন্য কোনো আবদার নিয়ে আসব কেন!’
প্রশাসন ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার বিষয়ে সতর্ক করে মুফতি আমির হামজা বলেন, ‘আমাদের ঘোষণা হলো, যারা জনগণের জন্য কাজ করবে না, তাদের আমি রাখব না। বিকেলে দুই ওসি-এসপি পরিবর্তন করে দিয়েছি। ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছিলাম। যদি না ধরেন, তাহলে ঘেরাও দেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগে ডিসি-এসপিরা ঝাড়িমারা কথা বলত, আর এখন কথা বললে ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে ৪০ সেকেন্ড স্যার স্যার করে। কারণ, তারা জানেন, কিছু হলেই ১০ হাজার মানুষ দিয়ে ঘেরাও দিলে আমি আর থাকতে পারব না। তারা জানেন, আমি কোনো খারাপ আবদার নিয়ে আসব না।’
দেশজুড়ে এমন ব্যবস্থা চালুর আশাবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা যদি সারা বাংলাদেশে এই সিস্টেম চালু করতে পারি, সাড়ে চার বছর এখনো সময় আছে। এই সময়ের মধ্যে আল্লাহ এই জমিনটি আমাদের জন্য অনুকূল করে দেবেন।’
সূত্র: আমার দেশ

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন তিনি। ওই অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে একটি স্মৃতির কথা তুলে ধরে আমির হামজা হাসতে হাসতে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সবাই দেখা করেছে, আমিও হাত মেলাতে গেছি। আমাকে তিনি বলেছেন, আপনিও তো প্রধানমন্ত্রী। আমি বললাম, এটা তো আমি রূপক অর্থে বলেছি।’
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একটি দেশে প্রধানমন্ত্রী কয়জন থাকে! কুষ্টিয়া তো কোনো দেশ নয়, একটি জেলা। একটি আসনে কেউ প্রধানমন্ত্রী হয়! পাগলেও বুঝবে, কথাটি রূপক অর্থে বলা হয়েছে।’
হলফনামার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘হলফনামা দিয়েছি, পাঁচ বছরে আমার সম্পদ এক টাকাও বাড়বে না। তাহলে আপনার কাছে অন্য কোনো আবদার নিয়ে আসব কেন!’
প্রশাসন ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতার বিষয়ে সতর্ক করে মুফতি আমির হামজা বলেন, ‘আমাদের ঘোষণা হলো, যারা জনগণের জন্য কাজ করবে না, তাদের আমি রাখব না। বিকেলে দুই ওসি-এসপি পরিবর্তন করে দিয়েছি। ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছিলাম। যদি না ধরেন, তাহলে ঘেরাও দেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগে ডিসি-এসপিরা ঝাড়িমারা কথা বলত, আর এখন কথা বললে ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে ৪০ সেকেন্ড স্যার স্যার করে। কারণ, তারা জানেন, কিছু হলেই ১০ হাজার মানুষ দিয়ে ঘেরাও দিলে আমি আর থাকতে পারব না। তারা জানেন, আমি কোনো খারাপ আবদার নিয়ে আসব না।’
দেশজুড়ে এমন ব্যবস্থা চালুর আশাবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা যদি সারা বাংলাদেশে এই সিস্টেম চালু করতে পারি, সাড়ে চার বছর এখনো সময় আছে। এই সময়ের মধ্যে আল্লাহ এই জমিনটি আমাদের জন্য অনুকূল করে দেবেন।’
সূত্র: আমার দেশ

আপনার মতামত লিখুন