সোমবার (৩১ আগস্ট) দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
তিনি বলেন, ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধি আগের বছরের তুলনায় কমে ২ দশমিক ৮৬ শতাংশে নেমে এসেছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং অনেক শ্রমিক কর্মসংস্থান হারাচ্ছেন। এর প্রভাব পড়ছে সমাজ, পরিবারসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়।
গাজী আতাউর রহমান বলেন, জ্বালানি খাতের সংকট দ্রুত পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয়—এটি বাস্তবতা। তবে যেকোনো সমস্যা মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক, স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। সরকারের মধ্যে এ ধরনের উদ্বেগ কিংবা কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে এবং বিনিয়োগ কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়েছে।
‘সরকারের দায়িত্ব হলো মানুষকে সম্ভাবনার পথ দেখানো এবং সমস্যার সমাধান করা’—উল্লেখ করে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, এই দায়িত্ব পালনে সরকার সফলতা দেখাতে পারছে না।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণকে সরকারের অন্যতম প্রধান ও মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার বাজেটে বিভিন্ন পণ্যে করছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল এসব করছাড়ের সুবিধা পেলেও এর ইতিবাচক প্রভাব খুচরা বাজারে দেখা যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, মূল্যস্ফীতির চাপ কমানোর লক্ষ্যে চাল, গম, পেঁয়াজ, চিনি, ভোজ্যতেল, মাছ, খেজুর, মসলা, শিশুখাদ্যের কাঁচামাল ও ডায়ালাইসিস ফিল্টারসহ বিভিন্ন পণ্যে কর কমানো হয়েছে। কিন্তু ভোক্তাদের অভিযোগ, এসব পণ্য ও সেবার দাম কমার পরিবর্তে অনেক ক্ষেত্রে আগের অবস্থাতেই রয়েছে অথবা আরও বেড়েছে।
গাজী আতাউর রহমানের ভাষ্য, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের দক্ষতার ঘাটতি অথবা সদিচ্ছার অভাবের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। রাষ্ট্র যেসব ক্ষেত্রে করছাড় দিচ্ছে, সেই সুবিধার সুফল যাতে সাধারণ মানুষ পায়, সেটিও সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে।
সূত্র: জেইউ/আরএফ

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
সোমবার (৩১ আগস্ট) দেওয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।
তিনি বলেন, ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী, উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধি আগের বছরের তুলনায় কমে ২ দশমিক ৮৬ শতাংশে নেমে এসেছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং অনেক শ্রমিক কর্মসংস্থান হারাচ্ছেন। এর প্রভাব পড়ছে সমাজ, পরিবারসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়।
গাজী আতাউর রহমান বলেন, জ্বালানি খাতের সংকট দ্রুত পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয়—এটি বাস্তবতা। তবে যেকোনো সমস্যা মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক, স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থাকা প্রয়োজন। সরকারের মধ্যে এ ধরনের উদ্বেগ কিংবা কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে এবং বিনিয়োগ কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়েছে।
‘সরকারের দায়িত্ব হলো মানুষকে সম্ভাবনার পথ দেখানো এবং সমস্যার সমাধান করা’—উল্লেখ করে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব বলেন, এই দায়িত্ব পালনে সরকার সফলতা দেখাতে পারছে না।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণকে সরকারের অন্যতম প্রধান ও মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার বাজেটে বিভিন্ন পণ্যে করছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল এসব করছাড়ের সুবিধা পেলেও এর ইতিবাচক প্রভাব খুচরা বাজারে দেখা যাচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, মূল্যস্ফীতির চাপ কমানোর লক্ষ্যে চাল, গম, পেঁয়াজ, চিনি, ভোজ্যতেল, মাছ, খেজুর, মসলা, শিশুখাদ্যের কাঁচামাল ও ডায়ালাইসিস ফিল্টারসহ বিভিন্ন পণ্যে কর কমানো হয়েছে। কিন্তু ভোক্তাদের অভিযোগ, এসব পণ্য ও সেবার দাম কমার পরিবর্তে অনেক ক্ষেত্রে আগের অবস্থাতেই রয়েছে অথবা আরও বেড়েছে।
গাজী আতাউর রহমানের ভাষ্য, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের দক্ষতার ঘাটতি অথবা সদিচ্ছার অভাবের কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। রাষ্ট্র যেসব ক্ষেত্রে করছাড় দিচ্ছে, সেই সুবিধার সুফল যাতে সাধারণ মানুষ পায়, সেটিও সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে।
সূত্র: জেইউ/আরএফ

আপনার মতামত লিখুন