সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে প্রকাশিত ওই ভিডিও বার্তায় তামান্না আক্তারকে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে দেখা যায়। ভিডিওতে তার দুই পাশে ছয়জন নারী এবং সামনে একজন পুরুষকে বসে থাকতে দেখা গেছে। একটি কক্ষের দরজার পাশেও অভিযুক্ত আতিকুর রহমান মিয়াদকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
ভিডিও বার্তায় তামান্না বলেন, তিনি যেভাবেই সেখানে গিয়ে থাকুন—জোর করে কিংবা নিজের ইচ্ছায়—এখন সেখানে যাওয়ার পর আর ফিরে যাওয়ার কোনো লাভ নেই। ফিরে গেলেও তার কিংবা তার বাবা-মায়ের মান-সম্মান আগের অবস্থায় ফিরবে না। তাই তিনি যেখানে এসেছেন, সেখানেই থাকবেন বলে জানান।
এর আগে রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে হোসেনপুর উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের হাজিপুর বাজার এলাকায় বরযাত্রীর গাড়ি থামিয়ে নববধূকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে ছাত্রদলকর্মী আতিকুর রহমান মিয়াদের বিরুদ্ধে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার আবুল মিয়ার মেয়ে তামান্না আক্তারের সঙ্গে নান্দাইল উপজেলার রাজাবাড়িয়া গ্রামের আক্তার মিয়ার (২৮) বিয়ে হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর নববধূকে নিয়ে মাইক্রোবাসে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন বর ও বরযাত্রীরা।
পথে জিনারী ইউনিয়নের হাজিপুর বাজার এলাকায় পৌঁছালে একদল যুবক মাইক্রোবাসটির পথরোধ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ওই দলে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন যুবক ছিলেন। তাদের নেতৃত্বে আতিকুর রহমান মিয়াদ ছিলেন বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
সূত্র: ইত্তেফাক

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে প্রকাশিত ওই ভিডিও বার্তায় তামান্না আক্তারকে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে দেখা যায়। ভিডিওতে তার দুই পাশে ছয়জন নারী এবং সামনে একজন পুরুষকে বসে থাকতে দেখা গেছে। একটি কক্ষের দরজার পাশেও অভিযুক্ত আতিকুর রহমান মিয়াদকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
ভিডিও বার্তায় তামান্না বলেন, তিনি যেভাবেই সেখানে গিয়ে থাকুন—জোর করে কিংবা নিজের ইচ্ছায়—এখন সেখানে যাওয়ার পর আর ফিরে যাওয়ার কোনো লাভ নেই। ফিরে গেলেও তার কিংবা তার বাবা-মায়ের মান-সম্মান আগের অবস্থায় ফিরবে না। তাই তিনি যেখানে এসেছেন, সেখানেই থাকবেন বলে জানান।
এর আগে রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে হোসেনপুর উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের হাজিপুর বাজার এলাকায় বরযাত্রীর গাড়ি থামিয়ে নববধূকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে ছাত্রদলকর্মী আতিকুর রহমান মিয়াদের বিরুদ্ধে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার আবুল মিয়ার মেয়ে তামান্না আক্তারের সঙ্গে নান্দাইল উপজেলার রাজাবাড়িয়া গ্রামের আক্তার মিয়ার (২৮) বিয়ে হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর নববধূকে নিয়ে মাইক্রোবাসে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন বর ও বরযাত্রীরা।
পথে জিনারী ইউনিয়নের হাজিপুর বাজার এলাকায় পৌঁছালে একদল যুবক মাইক্রোবাসটির পথরোধ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ওই দলে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন যুবক ছিলেন। তাদের নেতৃত্বে আতিকুর রহমান মিয়াদ ছিলেন বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
সূত্র: ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন