পঞ্চগড় সদর উপজেলায় আলম হক (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে বিষাক্ত ওষুধ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী মৌসুমী আক্তারের (২৫) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মৌসুমীকে আটক করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের শিংরোড প্রধানপাড়া গ্রামের। নিহত আলম হক ওই গ্রামের তোসলিম উদ্দীনের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে স্ত্রীর হাতে ভাত খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন আলম। পরে পেটে ব্যথা ও বমি শুরু হলে তিনি পরিবারের সদস্যদের বিষ খাওয়ার আশঙ্কার কথা জানান।
পরে তাকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক। রংপুরে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
পরদিন রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। ময়নাতদন্ত শেষে ওই দিনই মরদেহ দাফন করা হয়।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, দাফনের পর সোমবার স্থানীয়দের কাছে মৌসুমী তার স্বামীকে ওষুধ খাওয়ানোর কথা স্বীকার করেন। তাদের দাবি, একই গ্রামের বাবুল নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে মৌসুমীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বাবুলের পরামর্শেই আলমকে বিষাক্ত ওষুধ খাওয়ানো হয়।
নিহতের বড় ভাই আব্দুল করিম বলেন, মৌসুমী তাদের এক ভাগিনা মকছেদুলকে জানিয়েছেন, বাবুলের সঙ্গে তার প্রায় এক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারা দুজন পরামর্শ করে আলমের খাবারে বিষ মেশান এবং পরে শরবতের সঙ্গেও বিষ মেশানো হয় বলে তিনি দাবি করেন।
তবে মৌসুমী আক্তারের দাবি, বাবুল নামের ওই ব্যক্তি প্রায় এক বছর ধরে তাকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করতেন। মুঠোফোন, ইমু ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে দেখা করার জন্য চাপ দিতেন। আলমকে খাওয়ানোর জন্য বাবুল তাকে একটি ওষুধ দিয়ে সেটিকে ঘুমের ওষুধ বলে জানিয়েছিলেন। ওষুধ না খাওয়ালে সন্তানদের নিয়ে যাওয়ার ভয় দেখানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন মৌসুমী। এ কারণে তিনি স্বামীকে ওই ওষুধ খাওয়ান বলে জানান।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, আলম হকের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছিল। সোমবার স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ মৌসুমী আক্তারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পঞ্চগড় সদর উপজেলায় আলম হক (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে বিষাক্ত ওষুধ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী মৌসুমী আক্তারের (২৫) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মৌসুমীকে আটক করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের শিংরোড প্রধানপাড়া গ্রামের। নিহত আলম হক ওই গ্রামের তোসলিম উদ্দীনের ছেলে।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে স্ত্রীর হাতে ভাত খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন আলম। পরে পেটে ব্যথা ও বমি শুরু হলে তিনি পরিবারের সদস্যদের বিষ খাওয়ার আশঙ্কার কথা জানান।
পরে তাকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক। রংপুরে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
পরদিন রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়। ময়নাতদন্ত শেষে ওই দিনই মরদেহ দাফন করা হয়।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, দাফনের পর সোমবার স্থানীয়দের কাছে মৌসুমী তার স্বামীকে ওষুধ খাওয়ানোর কথা স্বীকার করেন। তাদের দাবি, একই গ্রামের বাবুল নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে মৌসুমীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বাবুলের পরামর্শেই আলমকে বিষাক্ত ওষুধ খাওয়ানো হয়।
নিহতের বড় ভাই আব্দুল করিম বলেন, মৌসুমী তাদের এক ভাগিনা মকছেদুলকে জানিয়েছেন, বাবুলের সঙ্গে তার প্রায় এক বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারা দুজন পরামর্শ করে আলমের খাবারে বিষ মেশান এবং পরে শরবতের সঙ্গেও বিষ মেশানো হয় বলে তিনি দাবি করেন।
তবে মৌসুমী আক্তারের দাবি, বাবুল নামের ওই ব্যক্তি প্রায় এক বছর ধরে তাকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করতেন। মুঠোফোন, ইমু ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করে দেখা করার জন্য চাপ দিতেন। আলমকে খাওয়ানোর জন্য বাবুল তাকে একটি ওষুধ দিয়ে সেটিকে ঘুমের ওষুধ বলে জানিয়েছিলেন। ওষুধ না খাওয়ালে সন্তানদের নিয়ে যাওয়ার ভয় দেখানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন মৌসুমী। এ কারণে তিনি স্বামীকে ওই ওষুধ খাওয়ান বলে জানান।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, আলম হকের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়েছে। রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছিল। সোমবার স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ মৌসুমী আক্তারকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন