সরকার কুরআনবিরোধী কোনো আইন করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরও সংসদে বিতর্কিত ‘হেবা আইন’ সংশোধন পাস করেছে—এমন অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।
তিনি বলেন, শরিয়াহবিরোধী এই আইন দ্রুত বাতিল করা না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পুরানা পল্টনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ফয়জুল করীম।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশ পরিচালনায় বর্তমান সরকার ব্যর্থ হয়ে হঠাৎ করেই শরিয়াহবিরোধী এই আইন পাস করেছে। তাঁর ভাষায়, এটি সরাসরি ইসলামের ওপর আঘাত। একই সঙ্গে দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে উপেক্ষা করে আলেম সমাজকে অপমান করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিরোধী দলের ভূমিকার সমালোচনা করে ফয়জুল করীম বলেন, একদিকে তারা লংমার্চ করছে, আবার অন্যদিকে সংসদে এই আইনের পক্ষেই বক্তব্য দিচ্ছে। বিষয়টি বোধগম্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঘোষণা দিয়েছে, হেবা আইন বাতিলের দাবিতে আগামীকাল শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দেশের সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকার কুরআনবিরোধী কোনো আইন করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরও সংসদে বিতর্কিত ‘হেবা আইন’ সংশোধন পাস করেছে—এমন অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।
তিনি বলেন, শরিয়াহবিরোধী এই আইন দ্রুত বাতিল করা না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পুরানা পল্টনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ফয়জুল করীম।
তিনি অভিযোগ করেন, দেশ পরিচালনায় বর্তমান সরকার ব্যর্থ হয়ে হঠাৎ করেই শরিয়াহবিরোধী এই আইন পাস করেছে। তাঁর ভাষায়, এটি সরাসরি ইসলামের ওপর আঘাত। একই সঙ্গে দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে উপেক্ষা করে আলেম সমাজকে অপমান করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
বিরোধী দলের ভূমিকার সমালোচনা করে ফয়জুল করীম বলেন, একদিকে তারা লংমার্চ করছে, আবার অন্যদিকে সংসদে এই আইনের পক্ষেই বক্তব্য দিচ্ছে। বিষয়টি বোধগম্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঘোষণা দিয়েছে, হেবা আইন বাতিলের দাবিতে আগামীকাল শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দেশের সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

আপনার মতামত লিখুন