ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে বল হাতে নেমে ৪টি উইকেট শিকার করেছিলেন রাজাউল্লাহ। গতি দিয়ে ইংলিশ ব্যাটারদের চাপে ফেলার পাশাপাশি উইকেট নেওয়ার দক্ষতায় অভিষেকেই আলোচনায় আসেন তিনি।
তবে দলের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে তার আরও বড় চমক দেখা যায়। রাজাউল্লাহ ব্যাট করতে নামার সময় পাকিস্তানের ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে প্রয়োজন ছিল মাত্র ২ রান। তখনও দলের শেষ সারির দুই ব্যাটার উইকেটে ছিলেন।
ব্যাট হাতে নেমেই জশ টাংকে ছক্কা মেরে ইনিংস শুরু করেন রাজাউল্লাহ। ওই ছক্কার মাধ্যমেই পাকিস্তান ইনিংস ব্যবধানে পরাজয় এড়ায়।
এরপর ব্যাট হাতে দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন তিনি। ইনিংসে মোট ৯টি ছক্কা হাঁকান রাজাউল্লাহ। মাত্র ৪৩ বলে তুলে নেন নিজের ফিফটি। পাকিস্তানের হয়ে অভিষেক টেস্টে এর চেয়ে কম বলে ফিফটি করার রেকর্ড আর নেই।
শেষ পর্যন্ত ৬৩ বলে ৮১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে থামেন তিনি। তার এই ইনিংস পাকিস্তানকে শুধু ইনিংস পরাজয় থেকে রক্ষা করেনি, বরং ১২৯ রানের লিড এনে দিয়ে জয়ের ক্ষীণ সম্ভাবনাও তৈরি করেছে।
পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত কী ফল করে, তা পরে জানা যাবে। তবে টেস্টের তৃতীয় দিনে রাজাউল্লাহর ব্যাটিং তাকে ইতোমধ্যেই ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে দিয়েছে।
অভিষেক টেস্টে ৯টি ছক্কা হাঁকানোর ঘটনা ক্রিকেট ইতিহাসে এর আগে মাত্র একবার দেখা গেছে। ২০০৮ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি ৯টি ছক্কা মেরেছিলেন। তবে সেই ম্যাচটি হয়েছিল নেপিয়ারে, নিউজিল্যান্ডের ঘরের মাঠে। প্রতিপক্ষের মাঠে অভিষেক টেস্টে ৯ ছক্কার এমন কীর্তি ১৪৯ বছরের ক্রিকেট ইতিহাসে আর দেখা যায়নি।
আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, রাজাউল্লাহর এই রেকর্ডের সময় মাঠে উপস্থিত ছিলেন টিম সাউদি নিজেই। অবসর নেওয়া এই কিউই পেসার বর্তমানে ইংল্যান্ড দলের পরামর্শক হিসেবে এজবাস্টনে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজাউল্লাহর সঙ্গে মোহাম্মদ আব্বাসের জুটিতেও হয়েছে ছক্কার রেকর্ড। তাদের জুটিতে মোট ১০টি ছক্কা এসেছে। ক্রিকেট ইতিহাসে শেষ তিন ব্যাটারের সম্মিলিতভাবে এর চেয়ে বেশি ছক্কা হাঁকানোর ঘটনা নেই।
এদিকে ইংল্যান্ডের মাটিতে এক টেস্ট ইনিংসে সর্বোচ্চ ৯ ছক্কার রেকর্ডও রয়েছে। ২০২৩ সালের অ্যাশেজে লর্ডসে ১৫৫ রানের ইনিংস খেলার পথে এই রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। গতকাল সেই রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন রাজাউল্লাহ।
সূত্র: বিডি বাজার

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে বল হাতে নেমে ৪টি উইকেট শিকার করেছিলেন রাজাউল্লাহ। গতি দিয়ে ইংলিশ ব্যাটারদের চাপে ফেলার পাশাপাশি উইকেট নেওয়ার দক্ষতায় অভিষেকেই আলোচনায় আসেন তিনি।
তবে দলের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে তার আরও বড় চমক দেখা যায়। রাজাউল্লাহ ব্যাট করতে নামার সময় পাকিস্তানের ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে প্রয়োজন ছিল মাত্র ২ রান। তখনও দলের শেষ সারির দুই ব্যাটার উইকেটে ছিলেন।
ব্যাট হাতে নেমেই জশ টাংকে ছক্কা মেরে ইনিংস শুরু করেন রাজাউল্লাহ। ওই ছক্কার মাধ্যমেই পাকিস্তান ইনিংস ব্যবধানে পরাজয় এড়ায়।
এরপর ব্যাট হাতে দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন তিনি। ইনিংসে মোট ৯টি ছক্কা হাঁকান রাজাউল্লাহ। মাত্র ৪৩ বলে তুলে নেন নিজের ফিফটি। পাকিস্তানের হয়ে অভিষেক টেস্টে এর চেয়ে কম বলে ফিফটি করার রেকর্ড আর নেই।
শেষ পর্যন্ত ৬৩ বলে ৮১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে থামেন তিনি। তার এই ইনিংস পাকিস্তানকে শুধু ইনিংস পরাজয় থেকে রক্ষা করেনি, বরং ১২৯ রানের লিড এনে দিয়ে জয়ের ক্ষীণ সম্ভাবনাও তৈরি করেছে।
পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত কী ফল করে, তা পরে জানা যাবে। তবে টেস্টের তৃতীয় দিনে রাজাউল্লাহর ব্যাটিং তাকে ইতোমধ্যেই ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে দিয়েছে।
অভিষেক টেস্টে ৯টি ছক্কা হাঁকানোর ঘটনা ক্রিকেট ইতিহাসে এর আগে মাত্র একবার দেখা গেছে। ২০০৮ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি ৯টি ছক্কা মেরেছিলেন। তবে সেই ম্যাচটি হয়েছিল নেপিয়ারে, নিউজিল্যান্ডের ঘরের মাঠে। প্রতিপক্ষের মাঠে অভিষেক টেস্টে ৯ ছক্কার এমন কীর্তি ১৪৯ বছরের ক্রিকেট ইতিহাসে আর দেখা যায়নি।
আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, রাজাউল্লাহর এই রেকর্ডের সময় মাঠে উপস্থিত ছিলেন টিম সাউদি নিজেই। অবসর নেওয়া এই কিউই পেসার বর্তমানে ইংল্যান্ড দলের পরামর্শক হিসেবে এজবাস্টনে দায়িত্ব পালন করছেন।
রাজাউল্লাহর সঙ্গে মোহাম্মদ আব্বাসের জুটিতেও হয়েছে ছক্কার রেকর্ড। তাদের জুটিতে মোট ১০টি ছক্কা এসেছে। ক্রিকেট ইতিহাসে শেষ তিন ব্যাটারের সম্মিলিতভাবে এর চেয়ে বেশি ছক্কা হাঁকানোর ঘটনা নেই।
এদিকে ইংল্যান্ডের মাটিতে এক টেস্ট ইনিংসে সর্বোচ্চ ৯ ছক্কার রেকর্ডও রয়েছে। ২০২৩ সালের অ্যাশেজে লর্ডসে ১৫৫ রানের ইনিংস খেলার পথে এই রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। গতকাল সেই রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন রাজাউল্লাহ।
সূত্র: বিডি বাজার

আপনার মতামত লিখুন