এবারের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে ঘিরে বাংলাদেশের আগ্রহ ও প্রত্যাশা রয়েছে। দেশের মানুষের প্রত্যাশা এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ২৩ সেপ্টেম্বর আয়োজিত নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এর পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের অবস্থান এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় দেশের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের চিত্র তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয়ও বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী দেশগুলোর কাছ থেকে বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় অর্থ পাওয়া উচিত বলে সরকার মনে করে। এ উদ্দেশ্যে ‘গ্র্যান্ড বেসড’ ক্লাইমেট ফিন্যান্স গড়ে তুলতে বিএনপি সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে। জাতিসংঘে জলবায়ু বিষয়ে আলোচনার সময় এ ধরনের অর্থায়নের বিষয়টিও তুলে ধরা হবে বলে জানান তিনি।
পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, খাল খনন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগগুলোও বিশ্বমঞ্চে উপস্থাপন করা হবে।
সাইমুম পারভেজ আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষায় দেশে পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্বের সামনে তুলে ধরা হবে। এর মধ্যে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগিয়ে কার্বন নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগের বিষয়টিও থাকবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরা আশা করছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সাইডলাইনে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বলেন, বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তন হয়েছে এবং নতুন সরকার পরিবেশ সুরক্ষায় আগ্রহী। একই সঙ্গে বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় অবদান রাখার চেষ্টা করছে সরকার। ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থের সমন্বয় ঘটিয়ে নতুন বিনিয়োগ আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সফর শেষে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
সূত্র: জবাবদিহি

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
এবারের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে ঘিরে বাংলাদেশের আগ্রহ ও প্রত্যাশা রয়েছে। দেশের মানুষের প্রত্যাশা এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ২৩ সেপ্টেম্বর আয়োজিত নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এর পরদিন ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের অবস্থান এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় দেশের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের চিত্র তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের বিষয়ও বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী দেশগুলোর কাছ থেকে বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় অর্থ পাওয়া উচিত বলে সরকার মনে করে। এ উদ্দেশ্যে ‘গ্র্যান্ড বেসড’ ক্লাইমেট ফিন্যান্স গড়ে তুলতে বিএনপি সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিচ্ছে। জাতিসংঘে জলবায়ু বিষয়ে আলোচনার সময় এ ধরনের অর্থায়নের বিষয়টিও তুলে ধরা হবে বলে জানান তিনি।
পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, খাল খনন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগগুলোও বিশ্বমঞ্চে উপস্থাপন করা হবে।
সাইমুম পারভেজ আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষায় দেশে পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্বের সামনে তুলে ধরা হবে। এর মধ্যে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগিয়ে কার্বন নিঃসরণ কমানোর উদ্যোগের বিষয়টিও থাকবে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরা আশা করছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সাইডলাইনে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বলেন, বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তন হয়েছে এবং নতুন সরকার পরিবেশ সুরক্ষায় আগ্রহী। একই সঙ্গে বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় অবদান রাখার চেষ্টা করছে সরকার। ফলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থের সমন্বয় ঘটিয়ে নতুন বিনিয়োগ আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সফর শেষে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
সূত্র: জবাবদিহি

আপনার মতামত লিখুন