ঢাকা    মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

কৃষকের জানালা

সরকারি বরাদ্দের ১ হাজার টন সার কোথায়? রাজিবপুরের মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে বেড়া টপকেও সার পাচ্ছেন না কৃষকরা

সরকারি বরাদ্দের ১ হাজার টন সার কোথায়? রাজিবপুরের মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে বেড়া টপকেও সার পাচ্ছেন না কৃষকরা

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল জেলার জন্য মোট ১ হাজার টন সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের মুখেও একই কথা—‘জেলায় সারের কোনো সংকট নেই।’ তবে সরকারি এই দাবি আর নেতাদের আশ্বাসের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্রের কোনো মিল খুঁজে পাচ্ছেন না সাধারণ কৃষকরা।

​আজও কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে সারের জন্য সকাল থেকেই দেখা গেছে তীব্র হাহাকার। ভোর রাত থেকে ডিলারের দোকানের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও সার না পেয়ে খালি হাতেই বাড়ি ফিরতে হয়েছে শত শত কৃষককে।

​সারের সংকট কতটা চরমে পৌঁছেছে, তার এক করুণ দৃশ্য দেখা যায় মোহনগঞ্জের এক ডিলারের দোকানে। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সার না পেয়ে ক্ষোভে ও বাধ্য হয়ে এক নারী কৃষককে দোকানের বেড়া টপকে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করতে দেখা যায়।

​ডিলারদের দাবি, তারা কয়েকশত বস্তা সার বরাদ্দ পেয়ে তা বিতরণ করছেন। তবে স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, ইউনিয়নের মোট কৃষকের চাহিদার তুলনায় বরাদ্দকৃত সারের পরিমাণ একেবারেই নগণ্য। ফলে প্রতিদিন ভোর থেকে লাইন ধরেও অধিকাংশ কৃষক প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না।

​ক্ষুব্ধ কৃষকরা প্রশ্ন তুলেছেন—‘ডিসি সাহেবের ঘোষিত ১ হাজার টন সার যদি বরাদ্দ হয়েই থাকে, তবে তা গেল কোথায়?’ একই সঙ্গে যারা বলছেন জেলায় কোনো সার সংকট নেই, তাদেরকে শীত-কুয়াশা উপেক্ষা করে মাঠে এসে সরেজমিন রাজিবপুরের চিত্র দেখে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ক্ষোভে ফুসে ওঠা সাধারণ কৃষকরা।

​সারের এই কৃত্রিম বা প্রকৃত সংকট দ্রুত সমাধান না হলে চলতি মৌসুমে ফসল উৎপাদন মারাত্মক ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় চাষিরা।

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সরকারি বরাদ্দের ১ হাজার টন সার কোথায়? রাজিবপুরের মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে বেড়া টপকেও সার পাচ্ছেন না কৃষকরা

প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল জেলার জন্য মোট ১ হাজার টন সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের মুখেও একই কথা—‘জেলায় সারের কোনো সংকট নেই।’ তবে সরকারি এই দাবি আর নেতাদের আশ্বাসের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্রের কোনো মিল খুঁজে পাচ্ছেন না সাধারণ কৃষকরা।

​আজও কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে সারের জন্য সকাল থেকেই দেখা গেছে তীব্র হাহাকার। ভোর রাত থেকে ডিলারের দোকানের সামনে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও সার না পেয়ে খালি হাতেই বাড়ি ফিরতে হয়েছে শত শত কৃষককে।

​সারের সংকট কতটা চরমে পৌঁছেছে, তার এক করুণ দৃশ্য দেখা যায় মোহনগঞ্জের এক ডিলারের দোকানে। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সার না পেয়ে ক্ষোভে ও বাধ্য হয়ে এক নারী কৃষককে দোকানের বেড়া টপকে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করতে দেখা যায়।

​ডিলারদের দাবি, তারা কয়েকশত বস্তা সার বরাদ্দ পেয়ে তা বিতরণ করছেন। তবে স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, ইউনিয়নের মোট কৃষকের চাহিদার তুলনায় বরাদ্দকৃত সারের পরিমাণ একেবারেই নগণ্য। ফলে প্রতিদিন ভোর থেকে লাইন ধরেও অধিকাংশ কৃষক প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না।

​ক্ষুব্ধ কৃষকরা প্রশ্ন তুলেছেন—‘ডিসি সাহেবের ঘোষিত ১ হাজার টন সার যদি বরাদ্দ হয়েই থাকে, তবে তা গেল কোথায়?’ একই সঙ্গে যারা বলছেন জেলায় কোনো সার সংকট নেই, তাদেরকে শীত-কুয়াশা উপেক্ষা করে মাঠে এসে সরেজমিন রাজিবপুরের চিত্র দেখে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ক্ষোভে ফুসে ওঠা সাধারণ কৃষকরা।

​সারের এই কৃত্রিম বা প্রকৃত সংকট দ্রুত সমাধান না হলে চলতি মৌসুমে ফসল উৎপাদন মারাত্মক ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় চাষিরা।


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সরকারি বরাদ্দের ১ হাজার টন সার কোথায়? রাজিবপুরের মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে বেড়া টপকেও সার পাচ্ছেন না কৃষকরা
0:00 0:00
1.0x