ঢাকা    মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
ইনসাফ টাইম ২৪

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীদের দাবির পরই স্টেশনমুখী কর্মসূচির ঘোষণা: রাকসু জিএস আম্মার

শিক্ষার্থীদের দাবির পরই স্টেশনমুখী কর্মসূচির ঘোষণা: রাকসু জিএস আম্মার
শিক্ষার্থীদের দাবির পরই স্টেশনমুখী কর্মসূচির ঘোষণা: রাকসু জিএস আম্মার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন অভিমুখে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার। তাঁর মতে, কোনো গণআন্দোলন একজনের একক নেতৃত্বে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

আম্মার বলেন, কোনো গণআন্দোলন এককভাবে কারও নেতৃত্বে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর ওপর যতটুকু দায়িত্ব ছিল, তিনি তা পালন করেছেন। আন্দোলনটি পুরোপুরি শিক্ষার্থীদের আবেগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। তিনি না থাকলেও শিক্ষার্থীরা স্টেশনের দিকে যেতেন। তবে শিক্ষার্থীরা যখন জানতে চান, তারা কেন স্টেশনে যাচ্ছেন না, তখন তাঁদের দাবির কারণেই তিনি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগে, রাত ১১টা ৩৫ মিনিটের দিকে চারুকলা থেকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের উদ্দেশে তাঁরা যাত্রা শুরু করেন। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর এই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা অন্য কারও পক্ষে সম্ভব ছিল না। শিক্ষার্থীদের অনুভূতির বিপরীতে যাওয়ারও সুযোগ ছিল না। এখানে একক নেতৃত্ব দেওয়ার কোনো বিষয় ছিল না; শিক্ষার্থীদের চাওয়াকে গুরুত্ব দেওয়াই ছিল তাঁর দায়িত্ব।

রাকসু জিএস আরও বলেন, স্টেশনে ভাঙচুর কিংবা কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য তাঁরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নেয় এবং দুই শিক্ষার্থীর গায়ে পাথর লাগে। পরে তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেলে এবং এরপর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তাঁদের মধ্যে একজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন এবং অন্যজনকে চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আম্মার বলেন, তিনি শিক্ষার্থীদের ফেলে চলে যাননি; শেষ পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গেই ছিলেন। শিক্ষার্থীরা রেল পুলিশ ও আনসার অফিসসহ যেসব স্থানে গিয়েছেন, সেসব জায়গায় ব্যক্তিগতভাবে গিয়ে পরিস্থিতি থামানোর চেষ্টা করেছেন। সর্বশেষ দলটির সঙ্গে ভোর ৫টার দিকে তিনি বাসায় ফেরেন।

তিনি বলেন, পুরো আন্দোলনে কোনো সাধারণ মানুষ কিংবা কোনো ট্রেনের ক্ষতি হতে দেওয়া হয়নি। তাঁদের আশঙ্কা ছিল, অন্য কোনো পক্ষ সুযোগ নিয়ে ট্রেনে আগুন দিতে পারে। তবে সেই পরিস্থিতি ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।

উল্লেখ্য, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের এক কর্মচারীর হাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হন। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা রেলপথ অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। পরে তাঁরা রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে ভাঙচুর করেন।

সূত্র: চ্যানেল ২৪

আপনার মতামত লিখুন

ইনসাফ টাইম ২৪

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শিক্ষার্থীদের দাবির পরই স্টেশনমুখী কর্মসূচির ঘোষণা: রাকসু জিএস আম্মার

প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন অভিমুখে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার। তাঁর মতে, কোনো গণআন্দোলন একজনের একক নেতৃত্বে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়।

আম্মার বলেন, কোনো গণআন্দোলন এককভাবে কারও নেতৃত্বে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর ওপর যতটুকু দায়িত্ব ছিল, তিনি তা পালন করেছেন। আন্দোলনটি পুরোপুরি শিক্ষার্থীদের আবেগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। তিনি না থাকলেও শিক্ষার্থীরা স্টেশনের দিকে যেতেন। তবে শিক্ষার্থীরা যখন জানতে চান, তারা কেন স্টেশনে যাচ্ছেন না, তখন তাঁদের দাবির কারণেই তিনি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগে, রাত ১১টা ৩৫ মিনিটের দিকে চারুকলা থেকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের উদ্দেশে তাঁরা যাত্রা শুরু করেন। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর এই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা অন্য কারও পক্ষে সম্ভব ছিল না। শিক্ষার্থীদের অনুভূতির বিপরীতে যাওয়ারও সুযোগ ছিল না। এখানে একক নেতৃত্ব দেওয়ার কোনো বিষয় ছিল না; শিক্ষার্থীদের চাওয়াকে গুরুত্ব দেওয়াই ছিল তাঁর দায়িত্ব।

রাকসু জিএস আরও বলেন, স্টেশনে ভাঙচুর কিংবা কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য তাঁরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে মোড় নেয় এবং দুই শিক্ষার্থীর গায়ে পাথর লাগে। পরে তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেলে এবং এরপর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তাঁদের মধ্যে একজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন এবং অন্যজনকে চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আম্মার বলেন, তিনি শিক্ষার্থীদের ফেলে চলে যাননি; শেষ পর্যন্ত তাঁদের সঙ্গেই ছিলেন। শিক্ষার্থীরা রেল পুলিশ ও আনসার অফিসসহ যেসব স্থানে গিয়েছেন, সেসব জায়গায় ব্যক্তিগতভাবে গিয়ে পরিস্থিতি থামানোর চেষ্টা করেছেন। সর্বশেষ দলটির সঙ্গে ভোর ৫টার দিকে তিনি বাসায় ফেরেন।

তিনি বলেন, পুরো আন্দোলনে কোনো সাধারণ মানুষ কিংবা কোনো ট্রেনের ক্ষতি হতে দেওয়া হয়নি। তাঁদের আশঙ্কা ছিল, অন্য কোনো পক্ষ সুযোগ নিয়ে ট্রেনে আগুন দিতে পারে। তবে সেই পরিস্থিতি ঠেকানো সম্ভব হয়েছে।

উল্লেখ্য, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের এক কর্মচারীর হাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হন। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা রেলপথ অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। পরে তাঁরা রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে ভাঙচুর করেন।

সূত্র: চ্যানেল ২৪


ইনসাফ টাইম ২৪

প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান - মোঃ জাকারিয়া আহম্মেদ 
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক - মোঃ আতিকুল ইসলাম
প্রকাশক ও নির্বাহী সম্পাদক - মোঃ রাকিব হোসাইন হৃদয় 
সহ-সম্পাদক- মোঃ জাকারিয়া হোসেন
বার্তা সম্পাদক - মোঃ ওলিউল্লাহ

কপিরাইট © ২০২৬ ইনসাফ টাইম ২৪ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
শিক্ষার্থীদের দাবির পরই স্টেশনমুখী কর্মসূচির ঘোষণা: রাকসু জিএস আম্মার
0:00 0:00
1.0x