নওগাঁর পোরশায় গুরুতর অসুস্থ এক তরুণের চিকিৎসার জন্য ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দিয়েছে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন ‘নিতপুর সংগ্রাম পরিষদ’।সংগঠনের উদ্যোগে নিতপুর দেওয়ানপাড়ার বাসিন্দা মো. কেরামুদ্দীনের গুরুতর অসুস্থ ছেলের চিকিৎসার জন্য নগদ ১০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়।রোববার (৩০ আগস্ট) পোরশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাকিবুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অসুস্থ তরুণের পরিবারের হাতে সহায়তার অর্থ তুলে দেন।এ সময় মোবাইল ফোনে যুক্ত ছিলেন নিতপুর সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি মো. খালিদ ইকবাল মিলন ও সাধারণ সম্পাদক মো. সুমন আনসারী। এছাড়া সংগঠনের সদস্য বারিক, খোরশেদ আলম বাবুসহ অন্যান্য সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।নিতপুর সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ জানান, অসহায় ও বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সংগঠনের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও মানবিক ও সামাজিক প্রয়োজনে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
নওগাঁর ধামইরহাটে ছাগলের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন।সোমবার (২৪ আগস্ট) উপজেলার আত্রাই নদীর শিমুলতলী ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলটি শিমুলতলী ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ একটি ছাগল সামনে চলে আসে। এ সময় মোটরসাইকেলটির সঙ্গে ছাগলের সংঘর্ষ হলে আরোহীরা সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে একজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহত দুজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।দুর্ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত পরিচয় ও আহতদের অবস্থা নিশ্চিত হওয়া গেলে পরবর্তীতে তা জানানো হবে।
বরিশাল-পাথরঘাটা মহাসড়কের পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার দেবীপুর এলাকার হিজলতলা সংলগ্ন স্থানে যাত্রীবাহী বাস ও কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল থেকে মঠবাড়িয়ার উদ্দেশে যাচ্ছিল ‘আম্মাজান’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস। পথে হিজলতলা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।এতে বাসটির সামনের অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি।দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধারে সহযোগিতা করেন। এ সময় সড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হিজলতলা এলাকার ওই মোড়টি দীর্ঘদিন ধরে দুর্ঘটনাপ্রবণ। তাদের দাবি, প্রায় প্রতি মাসেই সেখানে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটে এবং প্রতিবছরই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে থাকে।ঝুঁকিপূর্ণ ওই স্থানে সড়ক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হতাহতদের সর্বশেষ তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া গেলে বিস্তারিত জানা যাবে।
কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী আইকন পরিবহনের একটি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বাসে চলন্ত অবস্থায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রামুর কলঘর বাজারের পশ্চিম পাশে এন আলম ফিলিং স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।আগুনে বাসটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন রামু তুলাতলি ক্রসিং হাইওয়ে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি মো. ফজলুল হক।বাসের যাত্রীদের অভিযোগ, বাসের ভেতরে আগুন ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লেও চালক কিংবা সহকারী তাদের বিষয়টি জানাননি। বরং যাত্রীদের সহায়তা না করে তারা বাস থেকে নেমে চলে যান।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার সময় বাসটিতে আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী ছিলেন। আগুন ছড়িয়ে পড়ায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। এ সময় স্থানীয়রা বাসের জানালার কাচ ভেঙে একে একে সবাইকে বের করে আনেন। স্থানীয়দের দ্রুত উদ্যোগের কারণে বাসের সব যাত্রী নিরাপদে বের হতে সক্ষম হন এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।যাত্রী আবদুল আলীম জানান, তারা কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে বাসটিতে উঠেছিলেন। প্রথমে বাসের ভেতরে পোড়া গন্ধ পাওয়া যায়। কিছুক্ষণ পর আগুন দেখা যায়। কিন্তু চালক বা সহকারী আগুনের বিষয়টি যাত্রীদের জানাননি। পরে স্থানীয়রা জানালার কাচ ভেঙে তাদের উদ্ধার করেন।যাত্রীদের দাবি, আগুন লাগার পর বাসের ভেতরে চালক ও সহকারী কাউকেই পাওয়া যায়নি। তাদের অভিযোগ, যাত্রীদের সতর্ক না করে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য তারা সেখান থেকে চলে যান।রামুর তুলাতলি ক্রসিং হাইওয়ে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই মো. ফজলুল হক জানান, ঘটনাস্থলের কাছেই অন্য একটি দুর্ঘটনা তদারকিতে হাইওয়ে পুলিশের একটি দল ছিল। আগুনের খবর পাওয়ার পর তারা দ্রুত সেখানে পৌঁছায়। স্থানীয়দের সহায়তায় যাত্রীদের নিরাপদে বাস থেকে নামিয়ে আনা হয়। একই সঙ্গে তাদের মালামালও উদ্ধার করে যাত্রীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে একই পরিবহনের আরেকটি বাস এনে যাত্রীদের ঢাকায় যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।রামু ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. আবদুল কাদের চৌধুরী বলেন, ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটি এবং ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার কারণে বাসটিতে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে ফজলুল হক বলেন, সৌভাগ্যক্রমে কোনো বড় ধরনের ঘটনা ছাড়াই যাত্রীদের বাস থেকে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে। সামান্য দেরি হলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত।এর আগে ১৭ আগস্ট কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ এলাকায় কক্সবাজারগামী ‘রয়্যাল কক্স পরিবহন’-এর একটি স্লিপার বাসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাতেও সব যাত্রী দ্রুত বাস থেকে বের হতে পারায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে বাসটি পুরোপুরি পুড়ে যায়। সূত্র: আরটিভি
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার মহিশালা এলাকায় বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের তিন দিন পর মো. হাফিজুর রহমান মোল্লা নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে মাঝকান্দী-ভাটিয়াপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের পাইকহাটী পল্লী বিদ্যুতের সাব-স্টেশনের সামনে পানিতে লাশটি ভেসে ওঠে। খবর পেয়ে বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধারের কার্যক্রম শুরু করেন।বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান, পাইকহাটী পল্লী বিদ্যুতের সাব-স্টেশনের সামনে পানিতে একটি লাশ ভেসে ওঠার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেন।নিহত হাফিজুর রহমান মোল্লা গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার পিংগলিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কাওছার মোল্লার ছেলে এবং বোয়ালমারী ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থী ছিলেন।এর আগে গত সোমবার (১৭ আগস্ট) মহিশালা এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও ইটবোঝাই ট্রাকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার পর থেকেই হাফিজুর রহমান নিখোঁজ ছিলেন বলে জানিয়েছে তার পরিবার।তিন দিন পর বুধবার সকালে দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি পানিতে তার লাশ ভেসে ওঠে। পরে পরিবারের সদস্যরা লাশটি হাফিজুর রহমান মোল্লার বলে শনাক্ত করেন। বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, লাশ উদ্ধারের পর আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কুমিল্লায় হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পথে ট্রেনে কাটা পড়ে দাদি ও নাতনির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশনের কাছাকাছি শাসনগাছা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেসের নিচে পড়ে তাদের মৃত্যু হয়।নিহতরা হলেন—কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা সদরের উত্তরপাড়া এলাকার মৃত মিজান মিয়ার স্ত্রী জোসনা বেগম (৬০) এবং তার নাতনি, জাহাঙ্গীর মিয়ার মেয়ে চাঁদনী (১৫)।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নাতনি চাঁদনীকে সঙ্গে নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন জোসনা বেগম। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার সময় শাসনগাছা এলাকায় রেললাইন পার হচ্ছিলেন তারা। এ সময় চট্টগ্রামগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনটি চলে এলে দুজনই ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।দুর্ঘটনার পর রেলওয়ে পুলিশ দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক টিমের সহায়তায় পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এরপর পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়।নিহতদের স্বজন জোহরা বেগম জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশের মাধ্যমে ফোনে তারা জানতে পারেন, ট্রেনে কাটা পড়ে জোসনা ও চাঁদনীর মৃত্যু হয়েছে। পরে রেলস্টেশনে গিয়ে মরদেহ দেখতে পান। তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন বলেও জানান তিনি।রেলওয়ে পুলিশের কুমিল্লা স্টেশন ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মামুনুর রশিদ বলেন, রেললাইন পার হওয়ার সময় সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সূত্র: দেড়শ রূপান্তর।
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে যাত্রীবাহী বাস ও ইটবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় বাসটি সড়কের পাশের খাদে উল্টে পড়ে এবং ট্রাকটি বিদ্যুতের খুঁটিতে ধাক্কা লেগে আটকে যায়। এ ঘটনায় তিনটি বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এলাকায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।সোমবার (১৭ আগস্ট) জেলার মাঝকান্দি-বোয়ালমারী-ভাটিয়াপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের পাইকহাটি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুরগামী লোকাল যাত্রীবাহী বাসটির (ফরিদপুর-ব-১১০৫২) সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা ইটবোঝাই একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে উল্টে পড়ে। অপরদিকে ট্রাকটি রাস্তার পাশে থাকা বিদ্যুৎ সাবস্টেশনের গেটসংলগ্ন একটি খুঁটিতে ধাক্কা লেগে আটকে যায়।এতে বাস ও ট্রাকের চালক-হেলপারসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বোয়ালমারী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। বোয়ালমারী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম উৎপল মণ্ডল বলেন, দুর্ঘটনায় তিনটি বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি।বোয়ালমারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কোবায়েদ হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
রাজধানীর বংশালের মুকিমবাজার এলাকায় একটি হেলমেটের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ২ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট।ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি জানান, সন্ধ্যা ৬টা ২ মিনিটে বংশালের মুকিমবাজার এলাকায় একটি হেলমেটের গোডাউনে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। খবর পাওয়ার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের মোট সাতটি ইউনিট পাঠানো হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ইউনিটগুলো কাজ করছে।সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আগুন তখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। প্রাথমিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি। সূত্র: দৈনিক ইনকিলাব
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় ভুট্টাবোঝাই ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানের চাপায় আঁখি মনি (১৩) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে।শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নিলাক্ষিয়া ইউনিয়নের সাজিমারা ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আঁখি মনি ওই এলাকার কালু শেখের মেয়ে।নিহতের জেঠাতো ভাই আশরাফুল ইসলাম জানান, দুপুরে বাড়ির পাশের সড়ক পার হওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে ছিল আঁখি মনি। এ সময় ভুট্টাবোঝাই একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যান তাকে চাপা দিলে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে।পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আঁখি মনির মৃত্যু হয়।বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও হাইড্রোলিক বালুবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার বানিয়াচোঁ পাটোয়ারী বাড়ির সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনায় পড়া বাসটি ঢাকাগামী আল-আরাফাহ পরিবহণের বলে জানা গেছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মহাসড়কে একটি বাস ওভারটেক করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা হাইড্রোলিক বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ হয়। এতে বাস ও ট্রাক দুটিই সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে। সংঘর্ষে বাসের কয়েকজন যাত্রী গুরুতর আহত হন।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নেন। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়।শাহরাস্তি থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত নিহতদের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। সূত্র: যুগান্তর।