জামালপুরের বকশীগঞ্জে নিখোঁজের তিন দিন পর রোজিনা আক্তার (৩০) নামের এক নারীর পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার দক্ষিণ দত্তেরচর গ্রামে বাড়ির পাশের সড়কসংলগ্ন ঝোপ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের শাশুড়ি, ভাসুর ও ভাসুরের স্ত্রীসহ চারজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে।নিহত রোজিনা আক্তার দক্ষিণ দত্তেরচর গ্রামের ওয়াজেদ আলীর মেয়ে। তাঁর স্বামীর নাম ইয়াকুব আলী।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর থেকে রোজিনা নিখোঁজ ছিলেন। সোমবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে স্থানীয় লোকজন বাড়ির পাশের সড়কসংলগ্ন ঝোপ থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে সেখানে খোঁজ করেন। এ সময় তাঁরা এক নারীর পচাগলা মরদেহ দেখতে পান। পরে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি রোজিনার বলে শনাক্ত করেন এবং পুলিশকে খবর দেন।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের শাশুড়ি নুরেজা বেগম (৬৫), ভাসুর কোব্বাত আলী (৪০), ভাসুরের স্ত্রী জহুরা বেগম (৫০) ও জোসনা বেগমকে (৩৫) থানায় নেওয়া হয়েছে।বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে।
জামালপুরের বকশীগঞ্জে অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ইমরান (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার মা শিরিনা বেগম (৩০) গুরুতর আহত হয়েছেন।সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার কামালপুর বাজারসংলগ্ন মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহত ইমরান কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার দক্ষিণ মরিচাকান্দি গ্রামের হাফিজুর রহমান ও শিরিনা বেগমের ছেলে।পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ইমরান ও তার মা বকশীগঞ্জ বাজার থেকে একটি অটোরিকশায় করে রাজীবপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে কামালপুর বাজারসংলগ্ন মহাসড়কে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানের সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ইমরান ও তার মা গুরুতর আহত হন।পরে স্থানীয় লোকজন আহত দুজনকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু ইমরানকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত শিরিনা বেগমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।দুর্ঘটনার পর ভ্যানচালক ভ্যানটি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে। বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
জামালপুরের বকশীগঞ্জে বাসচাপায় শাশুড়ি ও পুত্রবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে ঢাকা-বকশীগঞ্জ মহাসড়কের নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া গ্রামের উফেজা বেগম (৬৫) ও তাঁর পুত্রবধূ ফরিদা বেগম (৪০)।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে খাগড়াছড়ি থেকে ছেড়ে আসা ‘শান্তি পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস ঠাকুরপাড়া হয়ে রৌমারীর দিকে যাচ্ছিল। এ সময় উফেজা বেগম ও ফরিদা বেগম মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। বাসটি ঠাকুরপাড়া এলাকা অতিক্রম করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই শাশুড়ি ও পুত্রবধূর মৃত্যু হয়।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বকশীগঞ্জ থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসটি জব্দ করে। এ সময় বাসের হেলপার মহিউদ্দিনকে আটক করা হয়।বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বাসটি জব্দ করা হয়েছে এবং এর হেলপারকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
পরশুরাম উপজেলার বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের টেটেশ্বর গ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে আরিফা সুলতানা নামে দুই বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আরিফা সুলতানা টেটেশ্বর গ্রামের মুহাম্মদ পলাশের মেয়ে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশুটির মা রান্নার কাজে ব্যস্ত থাকার সময় পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায় আরিফা। কিছুক্ষণ পর তাকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।শিশুটির আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ময়মনসিংহের আকুয়া বাইপাসের গন্দ্রপা এলাকায় মুহূর্তের সড়ক দূর্ঘটনায় কেড়ে নিয়েছে ৭ জন মানুষের প্রাণ। আজ শুক্রবার ২ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর সোয়া ১টার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর পূর্ব গন্দ্রপা (লিয়াকতের মোড়) এলাকায় জামালপুর থেকে ঢাকাগামী রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুক্তাগাছাগামী সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী, পুরুষ, শিশু ও চালকসহ সাতজন নিহত হয়েছে। সংঘর্ষের তীব্রতায় অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে গেছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাসটির চেসিস ও ইউন্ডশিল্ডের সামনের অংশ। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন অটোরিকশার সাত জন যাত্রী। এ দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজনের মৃত্যু পরিস্থিতিকে আরও শোকাবহ করে তুলেছে। নিহত একই পরিবারের চার সদস্যের বাড়ি জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকার দরী হামিদপুর গ্রামে। নিহতরা হলেন মোফাজ্জল হোসেন, তাঁর মা রাশিদা বেগম, মেয়ে মর্জিনা বেগম এবং মর্জিনার সন্তান পাঁচ বছরে শিশু মিনাল। নিহত অপর তিনজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাস ও অটোরিকশাটি জব্দ করেছে এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেছে।উদ্ধারকৃত নিহতদের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর আকুয়া বাইপাস সড়কে প্রায় ঘণ্টা খানেক যান চলাচল ব্যাহত হয়।কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম ঘটনা স্থলে উপস্থিত হয়ে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।দূর্ঘটনার কারণ নিয়ে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, উভয় যানবাহনের গতি বেশি থাকায় কেউ কাউকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়ায় মুখোমুখি সংঘর্ষটি হয়ে থাকতে পারে। দূর্ঘটনার পর বাসের চালক ও সহকারী দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে গেছেন।সাতটি প্রাণহানির এই ঘটনা সড়কে জননিরাপত্তার বিষয়টিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। আকুয়া বাইপাস সড়কটি একটি দূর্ঘটনা প্রবণ এলাকা হওয়ায় প্রতিবছর এমন ধরণের প্রাণঘাতি সড়ক দূর্ঘটনা ঘটছে।স্থানীয় জনসাধারণদের দাবী, আকুয়া বাইপাস সড়কে নির্ধারিত গতিসীমা বেধে দেওয়া ও ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত নজরদারী প্রয়োজন। তাহলে ভবিষ্যতে এমন ধরণের প্রাণঘাতি দূর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে।
বরিশালের উজিরপুরে সুরভী পরিবহনের একটি বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী তিন কিশোর নিহত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের আটিপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলো—উজিরপুর উপজেলার আটিপাড়া গ্রামের কবির ঢালীর ছেলে সৌরভ ঢালী (১৪), একই গ্রামের তাওহীদ ইসলাম (১৩) এবং পাশের ধামসর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে মোস্তাকিন (১৪)। তারা তিনজনই আটিপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যার আগে তিন বন্ধু একটি মোটরসাইকেলে করে ঘুরতে বের হয়। আটিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী সুরভী পরিবহনের একটি বাস তাদের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে উজিরপুর ফায়ার সার্ভিস ও থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। দুর্ঘটনার পর পুলিশ বাসটি আটক করলেও চালক ও স্টাফরা পালিয়ে যায়।দুর্ঘটনার পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে প্রায় আধা ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।একসঙ্গে বেড়ে ওঠা তিন বন্ধুর আকস্মিক মৃত্যুতে আটিপাড়া ও আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজন, সহপাঠী ও স্থানীয়দের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে এলাকার পরিবেশ। উজিরপুর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, দুর্ঘটনার ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
খুলনার পাইকগাছায় স্বত্ব-দখলীয় জমি দখল করে মৎস্যঘের করার চেষ্টা এবং চুরি মামলায় পুলিশি হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আব্দুল মজিদ গোলদার (বয়াতী) ও তার শরিকরা।শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পাইকগাছা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আব্দুল মজিদ গোলদার বলেন, পৌরসভার শিববাটী মৌজায় তাদের প্রায় ৬ দশমিক ৭৬ একর জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে আছেন । সর্বশেষ জরিপে জমির কিছু অংশ অন্যদের নামে ভুলভাবে রেকর্ড হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।তিনি অভিযোগ করেন, ওই সুযোগে আমিনুল ইসলাম কাজল ও শাহানা সুলতানাসহ কয়েকজন তাদের মৎস্যঘের দখলের চেষ্টা এবং ঘেরের মাছ ও মালামাল নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে ক্ষতি করেছেন। বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর গত ১৬ সেপ্টেম্বর তাদের পক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে চুরি ও চোরাই মাল রাখার অভিযোগে মামলা করা হয় বলেও জানান তিনি। ওই মামলায় কহিনুর বেগম ও আসাদুল ইসলাম গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।আব্দুল মজিদ জানান, জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য খুলনার যুগ্ম জেলা জজ ৪র্থ আদালতে দেঃ ১০৯/২৩ ও দেঃ ৩৪/২৩ নম্বরে দুটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।সংবাদ সম্মেলনে তিনি জমি ও ঘেরের দখল ফিরে পাওয়া, মামলা প্রত্যাহার এবং শান্তিপূর্ণভাবে জমি ভোগদখলের সুযোগসহ চার দফা দাবি জানান।
ভোলার চরফ্যাশনে মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে মহসিন নামে এক পল্লি চিকিৎসক নিহত হয়েছেন।শনিবার দুপুরে চরফ্যাশন থেকে মোটরসাইকেলে করে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহসিন মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করেন।পরে স্বজন ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।নিহত মহসিন পেশায় একজন পল্লি চিকিৎসক ছিলেন। তার মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ভোলার ইলিশায় মাইক্রোবাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে জালাল আহম্মেদ (৪৫) নামে এক অটোরিকশা চালকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে দুপুরে ভোলা-ইলিশা সড়কের ইলিশা রাস্তার মাথা এলাকায় মাইক্রোবাস-অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশা চালককে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত জালাল আহম্মেদ ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের চরমোনষা গ্রামের মৃত আফতার আলীর ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যে দুপুরে ভোলা থেকে ছেড়ে একটি অটোরিকশা ভোলা-ইলিশা সড়কের ইলিশা রাস্তার মাথা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশা চালক জালাল আহম্মেদ গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। পরে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় জালাল আহম্মেদের মৃত্যু হয়। ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ঠাকুরগাঁও জেলার ভূল্লীতে মালবাহী ট্রাক ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক তরুণী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ছয়জন আহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ০৩:৩০টার দিকে ভূল্লী উপজেলার মেসার্স আলহাজ্ব মনসুর আলী ফিলিং স্টেশনের সামনে পঞ্চগড়-ঠাকুরগাঁও মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।পুলিশ জানায়, ঠাকুরগাঁও হতে পঞ্চগড়গামী একটি মালবাহী ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট-১১-২৬৩৭) ও ভূল্লীর মুন্সিরহাট থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের খোঁচাবাড়ীগামী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশায় থাকা সাতজন আহত হন।আহতরা হলেন—ভূল্লীর মুজাবর্ণী সরকারপাড়ার হাবিবা আক্তার (২০), শাহিনা বেগম (৩৮), মাইশা (১৩), জান্নাত (১১), মেরী বেগম (২৬) ও নাজমা বেগম (৭০) এবং পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ময়দানদিঘী-ঝলঝলি এলাকার সোহাগ (২৫)।দুর্ঘটনার পর ভূল্লী থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাবিবা আক্তার (২০) মারা যান।দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় বোদা হাইওয়ে থানা পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে।