আগুনে বাসটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন রামু তুলাতলি ক্রসিং হাইওয়ে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি মো. ফজলুল হক।
বাসের যাত্রীদের অভিযোগ, বাসের ভেতরে আগুন ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লেও চালক কিংবা সহকারী তাদের বিষয়টি জানাননি। বরং যাত্রীদের সহায়তা না করে তারা বাস থেকে নেমে চলে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার সময় বাসটিতে আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী ছিলেন। আগুন ছড়িয়ে পড়ায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। এ সময় স্থানীয়রা বাসের জানালার কাচ ভেঙে একে একে সবাইকে বের করে আনেন। স্থানীয়দের দ্রুত উদ্যোগের কারণে বাসের সব যাত্রী নিরাপদে বের হতে সক্ষম হন এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
যাত্রী আবদুল আলীম জানান, তারা কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে বাসটিতে উঠেছিলেন। প্রথমে বাসের ভেতরে পোড়া গন্ধ পাওয়া যায়। কিছুক্ষণ পর আগুন দেখা যায়। কিন্তু চালক বা সহকারী আগুনের বিষয়টি যাত্রীদের জানাননি। পরে স্থানীয়রা জানালার কাচ ভেঙে তাদের উদ্ধার করেন।
যাত্রীদের দাবি, আগুন লাগার পর বাসের ভেতরে চালক ও সহকারী কাউকেই পাওয়া যায়নি। তাদের অভিযোগ, যাত্রীদের সতর্ক না করে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য তারা সেখান থেকে চলে যান।
রামুর তুলাতলি ক্রসিং হাইওয়ে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই মো. ফজলুল হক জানান, ঘটনাস্থলের কাছেই অন্য একটি দুর্ঘটনা তদারকিতে হাইওয়ে পুলিশের একটি দল ছিল। আগুনের খবর পাওয়ার পর তারা দ্রুত সেখানে পৌঁছায়। স্থানীয়দের সহায়তায় যাত্রীদের নিরাপদে বাস থেকে নামিয়ে আনা হয়। একই সঙ্গে তাদের মালামালও উদ্ধার করে যাত্রীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে একই পরিবহনের আরেকটি বাস এনে যাত্রীদের ঢাকায় যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
রামু ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. আবদুল কাদের চৌধুরী বলেন, ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটি এবং ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার কারণে বাসটিতে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে ফজলুল হক বলেন, সৌভাগ্যক্রমে কোনো বড় ধরনের ঘটনা ছাড়াই যাত্রীদের বাস থেকে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে। সামান্য দেরি হলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত।
এর আগে ১৭ আগস্ট কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ এলাকায় কক্সবাজারগামী ‘রয়্যাল কক্স পরিবহন’-এর একটি স্লিপার বাসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাতেও সব যাত্রী দ্রুত বাস থেকে বের হতে পারায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে বাসটি পুরোপুরি পুড়ে যায়।
সূত্র: আরটিভি

শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
আগুনে বাসটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন রামু তুলাতলি ক্রসিং হাইওয়ে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি মো. ফজলুল হক।
বাসের যাত্রীদের অভিযোগ, বাসের ভেতরে আগুন ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লেও চালক কিংবা সহকারী তাদের বিষয়টি জানাননি। বরং যাত্রীদের সহায়তা না করে তারা বাস থেকে নেমে চলে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার সময় বাসটিতে আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী ছিলেন। আগুন ছড়িয়ে পড়ায় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। এ সময় স্থানীয়রা বাসের জানালার কাচ ভেঙে একে একে সবাইকে বের করে আনেন। স্থানীয়দের দ্রুত উদ্যোগের কারণে বাসের সব যাত্রী নিরাপদে বের হতে সক্ষম হন এবং কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
যাত্রী আবদুল আলীম জানান, তারা কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে বাসটিতে উঠেছিলেন। প্রথমে বাসের ভেতরে পোড়া গন্ধ পাওয়া যায়। কিছুক্ষণ পর আগুন দেখা যায়। কিন্তু চালক বা সহকারী আগুনের বিষয়টি যাত্রীদের জানাননি। পরে স্থানীয়রা জানালার কাচ ভেঙে তাদের উদ্ধার করেন।
যাত্রীদের দাবি, আগুন লাগার পর বাসের ভেতরে চালক ও সহকারী কাউকেই পাওয়া যায়নি। তাদের অভিযোগ, যাত্রীদের সতর্ক না করে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য তারা সেখান থেকে চলে যান।
রামুর তুলাতলি ক্রসিং হাইওয়ে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই মো. ফজলুল হক জানান, ঘটনাস্থলের কাছেই অন্য একটি দুর্ঘটনা তদারকিতে হাইওয়ে পুলিশের একটি দল ছিল। আগুনের খবর পাওয়ার পর তারা দ্রুত সেখানে পৌঁছায়। স্থানীয়দের সহায়তায় যাত্রীদের নিরাপদে বাস থেকে নামিয়ে আনা হয়। একই সঙ্গে তাদের মালামালও উদ্ধার করে যাত্রীদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে একই পরিবহনের আরেকটি বাস এনে যাত্রীদের ঢাকায় যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।
রামু ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. আবদুল কাদের চৌধুরী বলেন, ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটি এবং ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার কারণে বাসটিতে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একে ফজলুল হক বলেন, সৌভাগ্যক্রমে কোনো বড় ধরনের ঘটনা ছাড়াই যাত্রীদের বাস থেকে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে। সামান্য দেরি হলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত।
এর আগে ১৭ আগস্ট কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ এলাকায় কক্সবাজারগামী ‘রয়্যাল কক্স পরিবহন’-এর একটি স্লিপার বাসে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাতেও সব যাত্রী দ্রুত বাস থেকে বের হতে পারায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে বাসটি পুরোপুরি পুড়ে যায়।
সূত্র: আরটিভি

আপনার মতামত লিখুন