বরিশালের উজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজম খান। আইন পেশার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত এই আইনজীবী নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং এলাকার সুষম উন্নয়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
অ্যাডভোকেট আজম খান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বরিশাল জেলা শাখার আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি ছিলেন। আইন পেশায় সাধারণ মানুষের আইনি সহায়তা ও অধিকার রক্ষায় কাজ করার পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের কল্যাণে সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি। বর্তমানে তিনি ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট অ্যান্ড বিজনেস ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের (আইবিডব্লিউএফ) বরিশাল জেলা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সামাজিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে ২০০৮ সালে একদল তরুণকে সঙ্গে নিয়ে ‘সিটিএস ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন বলে তাঁর পরিচিতি-সংক্রান্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। সংগঠনটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠনটির কার্যক্রমের ব্যাপ্তি, উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ ও উপকারভোগীর সংখ্যা সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য পাওয়া গেলে তাঁর সামাজিক কর্মকাণ্ডের চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।
অ্যাডভোকেট আজম খানের ভাষ্য, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে উজিরপুরের মানুষের সার্বিক কল্যাণ, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং এলাকার সুষম উন্নয়নে কাজ করতে চান তিনি। তাঁর ঘোষিত লক্ষ্য হলো উজিরপুরকে আধুনিক, বৈষম্যহীন ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা।
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতার বিষয়ে তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে বরিশালের মানুষের পাশে থেকে সেবা করার চেষ্টা করেছি। এবার উজিরপুর উপজেলার মানুষের সার্বিক কল্যাণ, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং এলাকার সুষম উন্নয়নে নেতৃত্ব দিতে আমি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হয়েছি। আমি আশা করি, উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ তাঁদের মূল্যবান সমর্থন দিয়ে এলাকার সেবক হিসেবে আমাকে কাজ করার সুযোগ দেবেন।”
তবে তাঁর ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়নে কোন কোন খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, উন্নয়নকাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি কীভাবে নিশ্চিত করা হবে এবং স্থানীয় সমস্যাগুলোর সমাধানে তাঁর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা কী—এসব বিষয়ে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা জানা গেলে প্রার্থিতার বিষয়টি আরও পূর্ণাঙ্গভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজম খান। আইন পেশার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত এই আইনজীবী নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং এলাকার সুষম উন্নয়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
অ্যাডভোকেট আজম খান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বরিশাল জেলা শাখার আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি ছিলেন। আইন পেশায় সাধারণ মানুষের আইনি সহায়তা ও অধিকার রক্ষায় কাজ করার পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের কল্যাণে সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি। বর্তমানে তিনি ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট অ্যান্ড বিজনেস ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের (আইবিডব্লিউএফ) বরিশাল জেলা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সামাজিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে ২০০৮ সালে একদল তরুণকে সঙ্গে নিয়ে ‘সিটিএস ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন বলে তাঁর পরিচিতি-সংক্রান্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। সংগঠনটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠনটির কার্যক্রমের ব্যাপ্তি, উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ ও উপকারভোগীর সংখ্যা সম্পর্কে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য পাওয়া গেলে তাঁর সামাজিক কর্মকাণ্ডের চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।
অ্যাডভোকেট আজম খানের ভাষ্য, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে উজিরপুরের মানুষের সার্বিক কল্যাণ, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং এলাকার সুষম উন্নয়নে কাজ করতে চান তিনি। তাঁর ঘোষিত লক্ষ্য হলো উজিরপুরকে আধুনিক, বৈষম্যহীন ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা।
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতার বিষয়ে তিনি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে বরিশালের মানুষের পাশে থেকে সেবা করার চেষ্টা করেছি। এবার উজিরপুর উপজেলার মানুষের সার্বিক কল্যাণ, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং এলাকার সুষম উন্নয়নে নেতৃত্ব দিতে আমি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হয়েছি। আমি আশা করি, উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ তাঁদের মূল্যবান সমর্থন দিয়ে এলাকার সেবক হিসেবে আমাকে কাজ করার সুযোগ দেবেন।”
তবে তাঁর ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়নে কোন কোন খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, উন্নয়নকাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি কীভাবে নিশ্চিত করা হবে এবং স্থানীয় সমস্যাগুলোর সমাধানে তাঁর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা কী—এসব বিষয়ে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা জানা গেলে প্রার্থিতার বিষয়টি আরও পূর্ণাঙ্গভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন