আসন্ন শ্যামনগর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে আলহাজ্ব মোস্তফা আবু বকরের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি উপজেলার পরিচিত মুখ, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও মানবতার সেবক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শ্যামনগরের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে আছেন। মসজিদ-মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ ও গরিব-অসহায় মানুষের সেবায় তাকে সব সময় পাওয়া গেছে। এলাকায় তিনি একজন সৎ, নামাজি ও পরোপকারী মানুষ হিসেবে পরিচিত।
সমর্থন পেয়ে আলহাজ্ব মোস্তফা আবু বকর বলেন, "শ্যামনগরকে আমি নিজের পরিবারের মতো ভালোবাসি। সুযোগ পেলে এই পৌরসভাকে দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তুলবো।"
তিনি আরও বলেন, "যুব সমাজ আজ মাদকের ছোবলে ধ্বংস হচ্ছে। মেয়র হলে সবার আগে মাদক নির্মূলে কাজ করবো। প্রতিটি ওয়ার্ডে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবো। প্রশাসন, অভিভাবক ও আলেম-ওলামাদের নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই করবো। কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই শ্যামনগরে হবে না।"
এছাড়া জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, রাস্তাঘাট সংস্কার, বিশুদ্ধ পানি, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
তার সমর্থনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শ্যামনগরজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণ ভোটাররা বলছেন, এবার একজন ভালো মানুষকে প্রার্থী হিসেবে পাওয়া গেলো।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
আসন্ন শ্যামনগর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে আলহাজ্ব মোস্তফা আবু বকরের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি উপজেলার পরিচিত মুখ, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও মানবতার সেবক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শ্যামনগরের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে আছেন। মসজিদ-মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ ও গরিব-অসহায় মানুষের সেবায় তাকে সব সময় পাওয়া গেছে। এলাকায় তিনি একজন সৎ, নামাজি ও পরোপকারী মানুষ হিসেবে পরিচিত।
সমর্থন পেয়ে আলহাজ্ব মোস্তফা আবু বকর বলেন, "শ্যামনগরকে আমি নিজের পরিবারের মতো ভালোবাসি। সুযোগ পেলে এই পৌরসভাকে দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তুলবো।"
তিনি আরও বলেন, "যুব সমাজ আজ মাদকের ছোবলে ধ্বংস হচ্ছে। মেয়র হলে সবার আগে মাদক নির্মূলে কাজ করবো। প্রতিটি ওয়ার্ডে মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবো। প্রশাসন, অভিভাবক ও আলেম-ওলামাদের নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই করবো। কোনো মাদক ব্যবসায়ীর ঠাঁই শ্যামনগরে হবে না।"
এছাড়া জলাবদ্ধতা দূরীকরণ, রাস্তাঘাট সংস্কার, বিশুদ্ধ পানি, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
তার সমর্থনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শ্যামনগরজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণ ভোটাররা বলছেন, এবার একজন ভালো মানুষকে প্রার্থী হিসেবে পাওয়া গেলো।

আপনার মতামত লিখুন